গল্প ৭৮ – ফেলুদা – বাদশাহী আংটি / Story 78 – Feluda – Badshahi Angti (The Emperor’s Ring)

Satyajit Ray-Feluda-Badshahi Angti

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Badshahi Angti

ফেলুদার গল্প – বাদশাহী আংটি – সত্যজিৎ রায়

এবারে ফেলুদার প্রথম দিকের গল্পগুলোর মধ্যে একটা। তোপসে তখনো ছোট, জটায়ুয়ের আবির্ভাবের তখনো অনেক দেরী আর ফেলুদার গোয়েন্দাগিরীও প্রথমাবস্থায়। সেই সময় পূজোর ছুটি কাটানোর জন্য তোপসের বাবাসহ ফেলুদারা লক্ষ্ণৌ যায়। লক্ষ্ণৌতে তোপসের বাবার একজন বন্ধু ছিলেন, আর তারই মাধ্যমে ফেলুদাদের সাথে এক ভদ্রলোকের পরিচয় হয়, যার সংগ্রহের একটি আংটি এককালে আওরঙ্গজেব পড়তেন। ফেলুদাদের আসার কিছুদিনের মাঝেই রহস্যজনকভাবে সেই আংটি চুরি হয়ে যায়, আর ফেলুদা লেগে যায় সেই রহস্য উদঘাটন করতে, যা তাকে আর তোপসেকে নিয়ে যায় লক্ষ্ণৌর ইমামবড়া থেকে হরিদ্বারের লক্ষণঝুলা পর্যন্ত এক দারুণ অভিযানে। ফেলুদার ভক্তদের জন্য বাদশাহী আংটি একটি অবশ্যপাঠ্য, কারণ ফেলুদার গোয়েন্দাগিরীর আসল শুরু এখানেই।

Feluda’s Stories – Badshahi Angti (The Emperor’s Ring) – Satyajit Ray

A new Feluda upload – this time, of one of his first adventures. The story dates back to a time when Topshe was little, Jatayu had not yet arrived and Feluda was still a budding detective. During the Durga Puja holidays, Topshe, his father, and Feluda arrive at Lucknow, where they have a family friend, Dhiru Babu. As they socialize in Lucknow, Feluda and Topshe meet an acquaintance of Dhiru Babu’s, who shows them ring that was once worn by the Mughal emperor Aurangzeb. Soon after, the ring goes missing, and Feluda embarks on solving the case. Fans of the sleuth will want to read this story, for it is the first story where Feluda matures to the formidable detective who we so well know.

Advertisements

ছোটগল্প ৭৭ – দেশী ও বিলাতী / Short Story 77 – Deshi O Bilati (Home-made versus Foreign)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Banaful-Deshi O Bilati

দেশী ও বিলাতী – বনফুল

যারা এই সাইটের লেখাগুলো পড়েন, তারা হয়ত জেনে থাকবেন যে বাংলা সাহিত্যের অনন্যতায় আমি গভীরভাবে বিশ্বাসী, তবে যা কিছু দেশী, তার সবই যে খুব ভাল, তা আমি বিশ্বাস করি না। আর অন্য সংস্কৃতিগুলোর কাছ থেকে যে আমাদের অনেক কিছু শেখার ও অনুকরণ করার আছে, তার একটি উদাহারণ আমরা পাই বনফুলের দেশী ও বিলাতী তে।

Deshi O Bilati (Hone-made versus Foreign) – Banaful

While this site has always been intended to advertise the wonderful literary words of Bangla, it remains true that quite a few things that are Bangalee would benefit from incorporating, perhaps even mimicking, other cultural practices. Banaful’s Deshi O Bilati (Home-made versus Foreign) provides a case in point.

ছোটগল্প ৭৬ – মন্মথ / Short Story 76 – Manmath

Banaful-Manmath

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Banaful-Manmath

মন্মথ – বনফুল

বনফুলের আরেকটি গল্প। এরকম লেখাগুলো বনফুলের মাথায় কেমন করে আসে জানিনা, কিন্তু প্রেমের বন্যায় ভেসে যাওয়া যেসব প্রেমিকপুরুষেরা বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছেন, তাদেরই মধ্যে কোন এক মন্মথ কে নিয়ে লেখা এই মজার গল্পটি প্রতিটি বাঙ্গালী ছেলেদেরই একবার হলেও পড়া উচিত – পাছে তাদের জীবনেও এটি সত্য হয়ে যায়!

Manmath – Banaful

A story of love and letters, with a hilarious twist – if you are a Bangalee man, and have fallen hopelessly in love for the first time, read this as a warning. If you are hopelessly in love for the second time, read this as a reminder of what you may have done the first time.

 

গল্প ৭৫ – আরণ্যক / Story 75 – Aranyak (Of the Forest)

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aranyak

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aranyak

আরণ্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

মানুষের বসতির পাশে কোথাও নিবিড় অরণ্য নাই। অরণ্য আছে দূর দেশে, যেখানে পতিত-পক্ব জম্বুফলের গন্ধে গোদাবরী-তীরের বাতাস ভারাক্রান্ত হইয়া ওঠে, ‘আরণ্যক’ সেই কল্পনালোকের বিবরণ। ইহা ভ্রমণবৃত্তান্ত বা ডায়েরি নহে – উপন্যাস। অভিধানে লেখে ‘উপন্যাস’ মানে বানানো গল্প। অভিধানকার পণ্ডিতদের কথা আমরা মানিয়া লইতে বাধ্য। তবে ‘আরণ্যক’-এর পটভূমি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়। কুশী নদীর অপর পারে এরূপ দিগন্ত-বিস্তীর্ণ অরণ্যপ্রান্তর পূর্বে ছিল, এখনো আছে। দক্ষিণ ভাগলপুর ও গয়া জেলার বন পাহাড় তো বিখ্যাত।

অবশেষে আরণ্যক । অনেকদিন ধরে এই সাইটে বাংলা সাহিত্যের এই অমর সৃষ্টিটিকে উহ্য রেখেছি – গল্পটি লম্বা আর সাধুভাষায় লেখা বলে। কিন্তু আধুনিক ও সময়-সচেতন জীবনের ধারা ভেঙ্গে প্রকৃতির কোলে কখনো না কখনো তো ফিরতে ইচ্ছে করে, আর তাছাড়া এই সাইটের ১০০তম লেখা এটি, তাই আজ এই অসাধারণ সুন্দর গল্পটি তুলে দিলাম। ‘আরণ্যক’ শব্দটির অর্থ ‘অরণ্য কে নিয়ে’, তবে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই গল্পটি শুধু প্রকৃতিই নয়, তার কোলে যেসব অতিসাধারণ গ্রাম্য মানুষদের বাস, তাদের হাসি-কান্না, স্বপ্ন আর ভালবাসার কথা নিয়েও।আরণ্যক গল্পটির চরিত্র অনেক আর তারা প্রায় সকলেই স্মরণীয়, আর অরণ্যর সৌন্দর্যে হারিয়ে যাওয়ার বর্ণনা গল্পটিকে হেনরী থরো কিংবা জন মিউয়ারের স্রেষ্ঠ লেখাগুলোর কাতারে ফেলে। কিন্তু তা সত্ত্বেও গল্পটি প্রকৃতি বা বিশেষ কোন চরিত্র কে নিয়ে লেখা নয়। আরণ্যক একটি প্রবাহ – যাতে প্রকৃতির নিবিড় বন্ধনে বাঁধা পড়া কিছু মানুষের জীবন সময়ের শান্ত স্রোতে ধীরে ধীরে একটি নিরুদ্বিগ্ন অবধারিতের দিকে প্রবাহিত হয় – আর একটি গল্প, যা প্রতিটি বাঙ্গালীর জন্য অবশ্যপাঠ্য।

Aranyak (Of the Forest) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

This time, a novel that I have been holding myself off from putting here out of fear that it is too long – but on the occasion of publishing this site’s 100th post, it is only fitting that I make Aranyak (Of the Forest) the subject of this piece. A masterclass written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay, the story narrates the life of a Bangalee youth who assumes oversight of a forest estate in Bihar. A born urbanite, he suddenly has to confront Nature and a society where life is languid, and his experiences perhaps mirror that of the sophisticated reader: an initial incredulity that Nature (or a book about living in her midst) could be so beautiful and engrossing, followed by a complete immersion, and perhaps even infatuation, with her beauty. In its closeness to Nature, Aranyak ranks beside the best of Henry Thoreau’s or John Muir’s works, yet, in depicting the rustic lives of the simple folk who live surrounded by the forest, it achieves so much more. A story that seamlessly weaves Nature with human existence, Aranyak is a must-read for every Bangalee.

কবিতা ২৩ – স্বাধীনতার সুখ / Poem 23 – Swadhinatar Sukh (The Joy of Independence)

ছোট থাকতে অনেক কবিতা শিখেছিলাম, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তার অনেকগুলোই মন থেকে হারিয়ে গেছে। যে কটা থেকে গেছে, আজ তার একটি। রজনীকান্ত সেনের স্বাধীনতার সুখ। কবিতাটি মনে আছে কেন ভাবি – হয়তো ছোট, তাই, কিংবা চিরকাল দূর থেকে অট্টালিকা দেখে বড় হয়েছি বলে।

This time, a famous Bangla poem – Swadhinatar Sukh (The Joy of Independence). Written by Rajanikanta Sen, this poem is a celebration of the freedom and self-respect of which only those who stand on their feet know, and a reminder of what to strive for to those who are yet to stand on their own.

Rajanikanta Sen-Babui Pakhire Daki 2

স্বাধীনতার সুখ

বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই,
“কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই,
আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে
তুমি কত কষ্ট পাও রোধ, বৃষ্টির, ঝড়ে।”

বাবুই হাসিয়া কহে, “সন্দেহ কি তাই ?
কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়।
পাকা হোক, তবু ভাই, পরের ও বাসা,
নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর, খাসা।”

– রজনীকান্ত সেন

The Joy of Independence

Says the Sparrow to the Weaver Bird
“Look where I live – a mansion, no less!
While your nest barely shields you from the wind and the rain.
Yet you prize it as art?”

The Weaver Bird smiles, “There is no doubt,
that my nest sways in the slightest wind,
but I live in it gladly,
for unlike the mansion you share with humans
my house is mine and mine alone.

– Rajanikanta Sen

ছোটগল্প ৭৪ – তিস্তা / Short Story 74 – Tista

Banaful-Tista(This picture is a modified version of a photograph by Shilpa Harolikar)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Banaful-Tista

তিস্তা – বনফুল

বনফুলের আরেকটি গল্প – তবে তাঁর অন্যান্য লেখাগুলোর মত সামাজিক ব্যাধি কিংবা গুরুতর কোনো বিষয় নিয়ে নয়, বরং কোলা ব্যাঙ, জুজু বুড়ি, হালুম বুড়ো আর ছোট্ট তিস্তা কে নিয়ে মনকে উষ্ণ করা একটি অণুলেখা।

Tista – Banaful

Another of Banaful’s stories, but this time, a decidedly lighter one – of frogs, ghosts, demons… and a little girl named Tista.

ছোটগল্প ৭৩ – বর্ণে বর্ণে / Short Story 73 – Barne Barne (The Choice of Color)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Banaful-Barne Barne

বর্ণে বর্ণে – বনফুল

বাঙ্গালী সমাজের নির্মম অবিচারের একটি গল্প – দুটি আলাদা দৃশ্যে বাঙ্গালী ভদ্রলোকদের রঙের বিচারের মাধ্যমে – গল্পটি বনফুল লিখেছিলেন অনেক আগে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এই যে গল্পটির চরিত্রগুলো আজও আমাদের সমাজে বর্তমান।

Barne Barne (The Choice of Color) – Banaful

In this story, Banaful portrays a cancer of Bangalee society, through narrations of two situations where Bangalee gentlemen base their choice on colour.

ছোটগল্প ৭২ – প্রফেসর শঙ্কু – আশ্চর্জন্তু / Short Story 72 – Professor Shanku – Ashcharjantu (The Extraordinary Animal)

 Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – আশ্চর্যজন্তু – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কু গিরিডিতে কোন এক সময় থাকাকালে তাঁর চাকর প্রহ্লাদ হঠাৎ একদিন কোত্থেকে তাঁর সামনে এক আশ্চর্য প্রাণী এনে হাজির করে, যা শঙ্কুর জানামতে আনকোরা এক নতুন প্রজাতির নমুনা ব্যতিত কিছু নয়। জন্তুটি অদ্ভুতভাবে শঙ্কুর পোষও মেনে যায়, আর তার পরের দিনগুলো গড়ানোর সাথে সাথে শঙ্কু সেটিকে পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে আপাতদৃষ্টিতে প্রাণীটিকে একটি অদ্ভূত বানরের মত দেখতে হলেও সেটির মধ্যে লুকোনো কিছু বৈশিষ্ট্য আছে – যেমন সে সারা ঘর ঘুরে ঘুরে শঙ্কুর জিনিসপত্র নেড়ে চেড়ে দেখে, বোঝার চেষ্টা করে। শঙ্কুর প্রথমে শুধু প্রাণীটির বুদ্ধিমত্তা দেখেই তাক লেখে গেলেও অচিরেই সেটি এমন সব শারীরিক পরিবর্তন দেখাতে শুরু করে যে তিনি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। অবশ্য তখনো তার ধারণা ছিল না যে সামনে কি ঘটতে চলেছে।

Professor Shanku’s Stories – Ashcharja Jantu (The Extraordinary Animal) – Satyajit Ray

On one of his periods of stay in Giridi, Professor Shanku’s servant, Prahlad, brings a strange animal that he got from a friend in the village into the house. Shanku is surprised when he sees it, for the animal is unlike any that he has seen or heard of. Shanku decides to keep and study it, and soon finds out the creature to be more curious and intelligent than any other. However, if its intelligence surprises the professor, the changes in the animal which follow astounds him. In the end, Shanku gets an inkling of the animal’s special ability, but he does not know that there is still more to come.

Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu (2)

 

ছোটগল্প ৭১ – পক্ষী-পুরাণ / Short Story 71- Pakkhi Puran

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link:  Banaful-Pakkhi Puran

পক্ষী-পুরাণ – বনফুল

এবার বনফুলের কল্পনায় একটা মজার গল্প, মানুষের প্রার্থনার জবাবে ঈশ্বরের দান, আর তা নিয়ে মানুষের খামখেয়ালিপনা নিয়ে।

Pakkhi Puran – Banaful

In this amusing story, Banaful imagines how Man finds unintended but creative uses of God’s answer to his prayers.

গল্প ৭০ – ফেলুদা – টিনটোরেটোর যীশু / Story 70 – Feluda – Tintorettor Jishu (Tintoretto’s Jesus)

Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu

ফেলুদার গল্প – টিনটোরেটোর যীশু – সত্যজিৎ রায়

কলকাতার বাইরে একদিন লালমোহনবাবুর গাড়িতে চড়ে বেড়াতে গিয়ে রাস্তায় ফেলুদাদের সাথে নবকুমার নিয়োগী বলে এক ভদ্রলোকের পরিচয় হয়। তাঁর গাড়ি মেরামত করতে সাহায্য করায় কৃতজ্ঞতাবশত তিনি ফেলুদাদের বৈকুন্ঠপুরে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। ফেলুদারা যানও, আর যথেষ্ট যত্নআত্তি পাওয়ার সাথে সাথে সেখানে তাঁদের বিখ্যাত ইটালিয়ান চিত্রশিল্পী টিনটোরেটোর (সঠিক উচ্চারণ তিনতোরেত্তো) আঁকা একটি যীশুর ছবিও দেখা হয়। এত আপ্যায়নের মাঝেও কিন্তু ফেলুদার মনে নিয়োগীবাড়িতে আরও কয়েকজন অতিথির থাকা, আর কিছুদিন আগে বাড়ির পোষা কুকুরটির মৃত্যু নিয়ে খটকা লাগে। আর সেই সন্দেহ সত্যি প্রমাণিত হয় যখন ফেলুদাদের চলে আসার কিছুদিন পরে সেই নিয়োগীবাড়িতে একটি খুনের সাথে সাথে যিশুর সেই মহামূল্য ছবিটি লোপাট হয়ে যায়।

Feluda’s Stories – Tintorettor Jishu (Tintoretto’s Jesus) – Satyajit Ray

Another of Feluda’s adventures – during a group trip out of the city, Feluda and co. help fix the car of a certain Nabakumar Niyogi, who gratefully invites them to spend the night his residence not far away. It turns out that Niyogi babu is rather wealthy, and Feluda, Topshe and Lalmohan Babu are treated like royals. However, when Feluda finds out that the family’s dog had been mysteriously killed a few days earlier, and that there are other guests staying in the house, he suspects that something is about to go wrong. And he is vindicated a few days layer, when Mr. Niyogi’s secretary is murdered and the most treasured possession of the Niyogi family, a Renaissance-era portrait of Jesus drawn by the Italian artist Tintoretto, goes missing.

Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu 2

ছোটগল্প ৬৯ – প্রফেসর শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন / Short Story 69 – Professor Shanku – Professor Shanku O Frankenstein

Satyajit Ray-Professor Shanku-Frankensteinপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Shanku O Frankenstein

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন – সত্যজিৎ রায়

আরেক ডোজ শঙ্কু, আর এবারে ভূমিকার বদলে গল্পের মাঝখানের দিকে শঙ্কুর লেখা একটা দিনলিপি। গল্পের নামটা পড়ে পাঠকের ধারণা অন্যরকম হতে পারে, তাই এটুকু বলি – এ গল্পের অনেকখানিই কিন্তু নাৎসিদেরকে ঘিরে।

১৭ জুন

আজ সন্ডার্সের আরেকটা চিঠি। অত্যন্ত জরুরি খবর। চিঠিটা এই –

প্রিয় শঙ্কু,

ডাঃ টমাস গিলেটের নাম শুনেছ নিশ্চয়ই। অত বড় ক্যান্সারবিশেষজ্ঞ পৃথিবীর আর কেউ ছিল না। ছিল না বলছি এই কারণে যে, আজ সকার সাতটায় হার্ট অ্যাটাকে গিলেটের মৃত্যু হয়েছে। সে ক্যান্সারের একটি অব্যর্থ ওষুধ তৈরি করতে চলেছিল। আমায় গত মাসেই বলেছিল, ‘আরেকটা মাস – তারপরে আর ক্যান্সারের ভয় থাকবে না।’ কিন্তু সেই ওষুধ তৈরি করার আগেই সে চলে গেল। আর চেয়ে বড় দুর্ঘটনা আর হতে পারে না। আমি ক্রোলকেও লিখেছি। আমার ইচ্ছা – ইনগোলস্ট্যাটে গিয়ে জুলিয়ার ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনকে বলে তার প্রপিতামহের ডায়রির সাহায্যে গিলেটকে আবার বাঁচিয়ে তোলা। তুমি কি মনে কর পত্রপাঠে জানাও। গিলেটের মৃতদেহ আমি কোল্ড স্টোরেজে রাখতে বলে দিয়েছি। এখানে ডাক্তারিমহলকে আমার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি। তারা সকলেই রাজি আছে।

ইতি

জেরেমি সন্ডার্স

আমি সন্ডার্সকে ইনগোলস্ট্যাট যাচ্ছি বলে জানিয়ে দিয়েছি। পরশুই রওনা। এবারে নিজের খরচেই যেতে হবে। কিন্তু কাজটা সফল হলে খরচের দিকটা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা চলবে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Frankenstein – Satyajit Ray

When it comes to Professor Shanku’s stories, overdose is just not a thing. So here is another of his adventures. You may know a thing or two about Frankenstein, but this story has a bit more than what you may have read or heard, for instance, neo-nazis, and the Professor himself.

ছোটগল্প ৬৮ – প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ / Short Story 68 – Professor Shanku O Adim Manush (Professor Shankur and the Homo afarensis)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও আদিম মানুষ – সত্যজিৎ রায়

শঙ্কুর এই গল্পের পূর্বকথা হাইনরিখ ক্লাইন নামের একজন বিখ্যাত নৃতত্ত্ববিদের অ্যামাজন অভিযান। অ্যামাজনে ভ্রমণকালে ক্লাইন এমন এক উপজাতির সন্ধান পান, যা তার মতে মানুষ ত্রিশ লক্ষ বছর আগে যে অবস্থায় ছিল, সে অবস্থায়ই থেকে গেছে। শুধু তাই নয়, ক্লাইন সে উপজাতির থেকে একজনকে ফাঁদে ধরে তাঁর সাথে জার্মানি নিয়ে আসেন। স্বভাবতই ক্লাইনের খ্যাতি বিশ্বজোড়া ছড়িয়ে পরে, আর তার কিছুদিন পরেই শঙ্কু ক্লাইনের কাছ থেকে সেই উপজাতীয় নমুনাটিকে দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র পান। শঙ্কু সে সময় ক্রমবিবর্তনের গতি বাড়ানোর একটি ঔষধ তৈরী করার চেষ্টা করছিলেন। তাই ক্লাইনের চিঠি পেয়ে শঙ্কু মানুষের আদি এবং ভবিষ্যৎ চেহারার দুটোই একসাথে দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখে ক্লাইনের কাছে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অবশ্য শঙ্কু মনে তখনো এটা ছিলনা যে তার ওষুধের অন্য একটি প্রয়োগ থাকতে পারে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Adim Manush (Shanku and Homo afarensis) – Satyajit Ray

This story of Professor Shanku starts when Heinrich Klein, a German anthropologist, comes across what he conjectures to be a population of Homo afarensis in the Amazon, and manages to capture a specimen and bring him to Germany. International fame soon follows, and he invites Shanku to come and observe the ape. At the time, Shanku had been working on a drug that accelerates evolution and tested it successfully. Foreseeing a rare opportunity of witnessing the early and advanced forms of humans side by side, he accepts the invitation, realizing little that his drug may have uses that he had not foreseen.