ছোটগল্প ১০৪ – প্রফেসর শঙ্কু- শঙ্কুর পরলোকচর্চা / Short Story 104 – Professor Shanku – Shankur Parolok Charcha (Souls)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Shankur Parolokcharcha

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Shankur Parolokcharcha

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও ভূত – সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায়ের লেখায় তাঁর বিজ্ঞানমনস্কতা ও আধুনিকতা বরাবরই ফুটে উঠলেও ভৌতিকতা বা অতিপ্রাকৃতের প্রতি যে তার বেশ ঝোঁক ছিল, সেটা তার অনেক লেখা থেকেই বোঝা যায়। প্রফেসর শঙ্কুর এই গল্পটি তেমনই এক লেখা – যাতে ভূত নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে শঙ্কু আর তাঁর সহকর্মীরা ভূতের সাথে যোগাযোগ করার জন্যে ‘কম্পিউডিয়াম’ (অর্থাৎ কম্পিউটারাইজ্‌ড মিডিয়াম) নামক এক যন্ত্রের আবিষ্কার করেন। স্বাভাবিকভাবেই আবিষ্কারটির খবর চারিদিকে সাড়া ফেলে দেয়, কিন্তু তার ফলে সম্মানের চাইতে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপই শঙ্কুদের দিকে ধেয়ে আসে বেশি। বিজ্ঞানীরা অবশ্য তাতে অবিচলিতই থাকেন, আর পরলোকগতদের সাথে তাদের আলাপচারিতার ফলে ক্রমশ অনেকই অজানা তাদের জ্ঞানের পরিধির মধ্যে চলে আসে।

Professor Shanku’s Stories – Shankur Parolok Charcha (Souls) – Satyajit Ray

While Satyajit Ray’s stories are usually based on the traditional scienctific thought, many of his writings also hint at his deep fascination with the unexplained and the paranormal. In Shankur Parolokcharcha (Souls) we find that evident – in the course of their research on beings of the Afterworld, Shanku and his colleagues invent the ‘Compudium’, a ‘computerised medium’ to communicate with those who have died. When the news about the invention breaks, they are expectedly ridiculed by many, but it is what the dead have to tell which interests the scientists more.

গল্প ১০৩ – বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার / Story 103 – Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali)

Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

(সম্পাদিত প্রতিরুপটির আদি ছবিটি তুলেছিলেন কেনেথ টমাস / Original of the edited photo taken by Kenneth H Thomas)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার – জাফর ইকবাল

“সফদর আলীর টেবিলের চারপাশে অনেকগুলো খাঁচা, সেখানে অনেকগুলো নানা বয়সের মোরগ-মুরগি ঘুরে বেড়াচ্ছে। সফদর আলী গম্ভীর মুখে একটা মুরগির দিকে তাকিয়ে আছেন। তাঁর হাতে কাগজ-কলম, মুরগির দিকে তাকিয়ে একটু পরপর কি যেন লিখছেন। উঁকি মেরে দেখে মনে হল আধুনিক কবিতা, কারণ তাতে লেখা –

ডান বাম ডান বাম ডান ডান বাম
বাম ডান বাম ডান বাম বাম বাম
বাম বাম ডান বাম বাম ডান বাম…

সফদর আলী খাতা বন্ধ করে বললেন, মোরগের সাথে মানুষের পার্থক্য কি বলেন দেখি?

মাথা চুলকে বললাম, আমরা মোরগকে রান্না করে খাই, মোরগ আমাদের রান্না করে খায় না।

সফদর আলী চিন্তিত মুখে বললেন, আপনাকে নিয়ে এই হচ্ছে মুশকিল, খাওয়া ছাড়া আর কিছু চিন্তা করতে পারেন না।

কথাটা খানিকটা সত্যি, আমি একটু লজ্জা পেয়ে গেলাম।

সফদর আলী বললেন, মানুষের দুটি চোখই সামনে। তাই তাদের বাইনোকুলার-দৃষ্টি। কোনো জিনিসের দিকে তাকিয়ে তারা দূরত্ব বুঝতে পারে। এক চোখ বন্ধ করে সুঁইয়ে সুতো পরানোর চেষ্টা করে দেখবেন কত কঠিন। বোঝা যায় না সুঁইটা কাছে না দূরে। মোরগের দুই চোখ দুই পাশে, তাই দূরত্ব বুঝতে হলে মোরগকে ক্রমাগত মাথা নাড়তে হয়। একবার ডান চোখে জিনিসটা দেখে, একবার বাম চোখে। বেশিরভাগ পাখিও মোরগের মতো। এজন্যে পাখিরাও মাথা নাড়ে। এই দেখেন আমি লিখছিলাম মোরগ কিভাবে তার চোখ ব্যবহার করে।

সফদর আলী তাঁর খাতা খুলে দেখালেন। যেটাকে একটা আধুনিক কবিতা ভেবেছিলাম, সেটা আসলে মোরগের মাথা নাড়ানোর হিসেব। আমার স্বস্তির নিশ্বাস পরে। সফদর আলী এখন কবিতা লেখা শুরু করলে ভারি দুঃখের ব্যাপার হত।”

দূরবীক্ষণ-দৃষ্টিসম্পন্ন মোরগ, গাড়ি চালানো গাছ, গিনিপিগদের বিরিয়ানি রান্না শেখা, আর ভণ্ডপীরকে সায়েস্তা করা – জাফর ইকবালের লেখা সবচেয়ে মজার গল্পগুলোর মধ্যে একটি, যা ঢাকারই কোন গলিতে থাকা একজন আধপাগল বিজ্ঞানীকে নিয়ে লেখা। সহজ বিজ্ঞান আর মজার ঘটনায় ভরা এই গল্পটি সবার জন্য তুলে দিলাম।

Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali) – Jafar Iqbal

Plants that drive, roosters with binocular vision, guinea-pigs that cook biryani, and fake miracle-men – just the usual things in the life of an eccentric scientist living in some known corner of Dhaka. Bigyani Safdar Ali is possibly one of Jafar Iqbal’s funniest creations, and the scientist next door we would all love to have as a friend. Enjoy! 🙂

গান ৪৩ – আমার সোনার হরিণ চাই / Song 43 – Amar Sonar Horin Chai (The Golden Deer I want)

রবীন্দ্রনাথের আরেকটি কবিতা – জীবনে অব্যাখ্যনীয় আকাঙ্ক্ষাগুলোর বশে যেটি পাওয়ার নয়, সব কিছু ভুলে তার পিছনে ছোটা নিয়ে।

On unfathomable desires and our vain pursuits of those, a poem by Rabi Thakur. A slightly modified version of a wonderful translation by Anindya Chaudhuri follows. The first link also features a translation by Rumela Sengupta, who, along with a few others, have written exquisite translations of Thakur’s works here.

Rabindranath Thakur-Tora Je Ja Bolish Bhai (2)

(সম্পাদিত প্রতিরুপটির আদি ছবিটি পাওয়া যাবে কাউবয়ফাঙ্ক এর ওয়েব পাতায় / Original artwork by Cowboifunk)

আমার সোনার হরিণ চাই

তোরা  যে যা বলিস ভাই,      আমার সোনার হরিণ চাই।
মনোহরণ চপলচরণ সোনার হরিণ চাই॥
সে-যে  চমকে বেড়ায় দৃষ্টি এড়ায়, যায় না তারে বাঁধা।
সে-যে  নাগাল পেলে পালায় ঠেলে, লাগায় চোখে ধাঁদা।
আমি    ছুটব পিছে মিছে মিছে পাই বা নাহি পাই–
আামি   আপন-মনে মাঠে বনে উধাও হয়ে ধাই॥
তোরা  পাবার জিনিস হাতে কিনিস, রাখিস ঘরে ভরে–
যারে    যায় না পাওয়া তারি হাওয়া লাগল কেন মোরে।
আমার  যা ছিল তা গেল ঘুচে যা নেই তার ঝোঁকে–
আমার  ফুরোয় পুঁজি, ভাবিস, বুঝি মরি তারি শোকে?
আমি    আছি সুখে হাস্যমুখে, দুঃখ আমার নাই।
আমি    আপন-মনে মাঠে বনে উধাও হয়ে ধাই॥

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রেম হতে সংগ্রহীত)

Amar Sonar Harin Chai (The Golden Deer I want)

Say what you may, the golden deer I want
Elusive it may be, a futile hunt
One who enthrals with her presence but evades my sight
One whom no chains can bind
One who evades my reach from morn to night
I see her hither thither and again I go blind
I wander in pursuit –I know it isn’t right
Darkness around me in broad day light.
You spend your fortune acquiring the cheap
I sow the seeds which no man can reap.
What I had, I wasted
In pursuit of the vain
Think not that I lament
That I am left with no grain
I live life I have a laugh
I am miles away from pain

– Rabindranath Thakur (Translation by Anindya Chaudhuri)

কবিতা ৪২ – দগ্ধ গ্রাম / Poem 42 – Dagdho Gram (The Charred Village)

আজ পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের একটি কবিতা। কবির অনেক লেখার মত এটিও বাংলার গ্রামাঞ্চলকে নিয়ে, তবে দগ্ধ গ্রাম এর উপলক্ষ ও বর্ণনা একটু ভিন্ন – কবিতাটি জসীমউদ্দীন লিখেছিলেন ১৯৭১ সালে।

This time, a poem by the Rural Poet Jasimuddin. Like his other works, Dagdho Gram too narrates the scenery of rural Bangla, but one that is charred and devastated – the poem was written in 1971.

Jasimuddin-Dagdho Gram

দগ্ধ গ্রাম

এইখানে ছিল কালো গ্রামখানি, আম কাঁঠালের ছায়া,
টানিয়া আনিত শীতল বাতাস কত যেন করি মায়া।
তাহারই তলায় ঘরগুলি ভরে মমতা মুরতি হয়ে,
ছিল যে তাহারা ভাইবোন আর বউ ছেলেমেয়ে লয়ে।
সুখের স্বপন জড়ায়ে ঘুরায়েছিল যে তাদের বেড়ে,
আকাশ হইতে আসিত আশিস দেবর ভবন ছেড়ে।

গঞ্জের হটে সওদা বেচিতে বউ যে কহিত কানে,
“আমার জন্য নয়ানজুড়ির শাড়ি যেন কিনে আনে।”
হাটের ফিরতি পিতারে বেড়িয়া ছোট ছোট ছেলেমেয়ে,
হাসিত নাচিত বিস্কুট আর চিনির পুতুল পেয়ে।
গাজীর গানের বসিত আসর, গায়েনের সুর ধরি,
যুগ যুগান্ত পার হয়ে কত আসিত কাহিনী পরী।

কিসে কী হইল, পশ্চিম হতে নরঘাতকেরা আসি,
সারা গাঁও ভরি আগুন জ্বালায়ে হাসিল অট্টহাসি।
মার কোল হতে শিশুরে কাড়িয়া কাটিল যে খানখান,
পিতার সামনে মেয়েরে কাটিয়া করিল রক্তস্নান।
কে কাহার তরে কাঁদিবে কোথায়; যূপকাষ্ঠের গায়,
শত সহস্র পড়িল মানুষ ভীষণ খড়গ ধায়।

শত শিখা মেলি অগ্নিদাহন চাহি আকাশের পানে,
হয়তো-বা এর ফরিয়াদ করি ঊর্ধ্বে নিশ্বাস হানে।
আকাশে আজিকে নাহি কোনো পাখি, সুনীল আরোসি তার,
দিগন্তে মেলি এ ভীষণ রূপ দগ্ধি হে অনিবার।
মুহূর্তে সব শেষ হয়ে গেল ভস্মাবশেষ গ্রাম,
দাঁড়ায়ে রয়েছে বিষাদ-মলিন দগ্ধ দুটি আধপোড়া খাম।

ওইখানে ছিল কুলের গাছটি, স্খলিত দগ্ধ-শাখ,
পাড়ার যত-না ছেলেমেয়েদের নীরবে পড়িছে ডাক।
আর তো তাহারা ফিরে আসিবে না, নাড়িয়া তাহার ডাল,
পাড়িবে না ফল দস্যু ছেলেরা অবহেলি মার গাল।
সিঁদুরে আমের গাছ ছিল হোথা, বছরের শেষ সনে,
শাখা ভরা আম সিঁদুর পরিয়া সাজিত বিয়ের কনে।
সে গাছে তো আর ধরিবে না আম বোশেখ মাসের ঝড়;
সে ছেলেমেয়েরা আসিবে না পুনঃ আম কুড়াবার তরে।
সারা গাঁওখানি দগ্ধ শ্মশান, দমকা হাওয়ার ঘায়,
দীর্ঘনিশ্বাস আকাশে পাতালে ভস্মে উড়িয়া যায়।

– জসীমউদ্দীন

কবিতা ৪১ – ‘যেজন দিবসে’ ও অন্যান্য – কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের কিছু কবিতা / Poem 41 – ‘Jejon Dibashe’, And More – Some Poems by Krishnachandra Majumdar

আজকের লেখাটি একটি নয়, বরং বেশ কটি কবিতা নিয়ে। বাংলা সাহিত্য নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলেও তা নিয়ে নিজে যে কত অল্প জানি, তা প্রায়ই ভুলে যাই। এতদিন আমার মনে ধারণা ছিল যে নিম্নোক্ত কবিতাগুলো হয়তো রবিঠাকুরের লেখা, কিন্তু ইন্টারনেটের কল্যাণে আসলে সেগুলো যে উনবিংশ শতাব্দীর বাঙ্গালী কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার লিখেছেন, তা আজ জানলাম। কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের সুন্দর অথচ সরল ভাষায় লেখা কবিতাগুলোর মধ্যে অনেক কটিরই পংক্তি আজ বাংলায় প্রবাদবাক্যে পরিণত হয়েছে। আর তা মনে রেখেই আজ সেরকম তিনটি কবিতা তুলে দিলাম। আশা করি পাঠকদের ভাল লাগবে।

This post features a microcollection of poems written by the 19th Century Bangla poet Krishnachandra Majumdar. Not many of us know about the poet himself, but quite a few of his lines have made their way into the Bangalee colloquialism as proverbs and sayings – a testament to his skill with the pen. Three of his more notable works are presented here for the enjoyment of the reader. More works by Majumdar can be found here.

বুঝিবে সে কিসে

Krishnachandra Majumdar-Bujhibe Se Kishe

চিরসুখীজন ভ্রমে কি কখন
ব্যথিতবেদন বুঝিতে পারে।
কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে
কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে।

যতদিন ভবে, না হবে না হবে,
তোমার অবস্থা আমার সম।
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে
বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।

অপব্যয়ের ফল

Krishnachandra Majumdar-Apobyayer Fal (2)

যে জন দিবসে মনের হরষে
জ্বালায় মোমের বাতি,
আশু গৃহে তার দখিবে না আর
নিশীথে প্রদীপ ভাতি।

He who, in his whim,
lights his candles in the day,
finds his home dark in the night.

দুখের তুলনা

একদা ছিল না ‘জুতো’ চরণ-যুগলে
দহিল হৃদয় মম সেই ক্ষোভানলে।
ধীরে ধীরে চুপি চুপি দুঃখাকুল মনে,
গেলাম ভজনালয়ে ভজন কারণে !
দেখি তথা এক জন, পদ নাহি তার,
অমনি ‘জুতো’র খেদ ঘুচিল আমার,
পরের অভাব মনে করিলে চিন্তন
নিজের অভাব ক্ষোভ রহে কতক্ষণ ?

– কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

গল্প ১০২ – ফেলুদা – বোসপুকুরে খুনখারাপি / Story 102 – Feluda – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur)

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi

ফেলুদার গল্প – বোসপুকুরে খুনখারাপি – সত্যজিৎ রায়

পুনরায় ফেলুদা। বোসপুকুরের আচার্য পরিবারের তিন সন্তান – দেবনারায়ণ, হরিনারায়ণ আর ইন্দ্রনারায়ণ। প্রথম দুজন বড় চাকুরে আর পরিবারের মান অটুট রেখে চলা ভদ্রলোক হলেও ইন্দ্রনারায়ণ ছিলেন একটু অদ্ভূত – গান-বাজনা নিয়ে থাকা মানুষটি যোগ দিয়েছিলেন ভারত অপেরা নামের একটি যাত্রার দলে।  ভাইয়েরা তাকে গ্রাহ্য না করলেও নাট্যলেখক হিসেবে বেশ খ্যাতিমানই হয়ে ওঠেন তিনি – আর সেই খ্যাতিই হয়তোবা তার বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার এবং তা হতে আপাতদৃষ্টিতে অনেক দূরের যাত্রার জগৎকে এক সুতোয় গাঁথা সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি ফেলুদা রহস্যোপন্যাস – বোসপুকুরে খুনখারাপি

Feluda’s Stories – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur) – Satyajit Ray

One of the more intriguing Feluda stories this time. The Acharyas of Bosepukur are a well-known family, headed by an octogenarian patriarch who has his three sons . The older two, who hold big positions, uphold the family name in the traditional sense. However, Indranarayan, the youngest, is a bit of a black-sheep, and much to his brothers’ chagrin, joins a theatre, where his fame as a writer eventually outstrips those of his snobbish siblings. But fame also creates enemies for Indranarayan, who fails to safeguard himself against them, until it is too late. A mystery that ties the tensions in an elite family with the world of Theatre, Bosepukur e Khunkharapi is a Feluda novel fit for your lazy afternoons. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (2)

গান ৪০ – এসো হে বৈশাখ / Song 40 – Esho He Boishakh (Come O Boishakh)

Print(সম্পাদিত প্রতিরুপটির আদি ছবিটি এঁকেছেন মোস্তাফিজ রহমান / Original artwork by Mostafiz Rahman)

আসছে ১৪২৮। শেষ হতে চলা বছরের হতাশা আর দুঃখগুলোকে পিছনে ফেলে আরেকবার আশায় বুক বাঁধার সময় এখন, তাই পাঠকদের নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানাতেই, পহেলা বৈশাখের চিরাচরিত গান – রবি ঠাকুরের এসো হে বৈশাখ – তুলে দিলাম। যারা সুরের মানুষ, তাদের জন্যে নিচে গানের ঢং এ লেখা কলিসহ ইউটিউব হতে গানটি তুলে দেওয়া হলো।

শুভ নববর্ষ।

As Bangla Year 1423 draws to a close, it is time for us to let go of the negatives of this year and start 1424 anew. So, in a way of greeting my readers on the occasion, a post featuring Thakur’s Esho He Boishakh – the quintessential Bangla song of renewal. For those who love music, I have attached a YouTube link to a performance of the song.

Shubho Nabobarsho (Happy New Year).

এসো হে বৈশাখ

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে   মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥
যাক পুরাতন স্মৃতি,   যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশরাশি   শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক॥
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (প্রকৃতি হতে সংগ্রহীত)
(গানের ঢং এ কলিগুলো)
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
তাপস নিঃশ্বাস বায়ে
মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক
এসো এসো… যাক পুরাতন স্মৃতি
যাক ভুলে যাওয়া গীতি
যাক অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক
যাক যাক
এসো এসো… মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশ রাশি
শুষ্ক করি দাও আসি
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুঁজঝটি জাল যাক, দূরে যাক যাক যাক
এসো এসো…