গল্প ১১৬ – ফেলুদা – জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা / Story 116 – Feluda – Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac)

satyajit-ray-feluda-jahangir-er-swarnamudra-1

(সম্পাদিত ছবিটির আদি প্রতিরূপটি নেওয়া হয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন লাইব্রেরীর ডিজিটাল সংগ্রহশালা থেকে / Orginal of the edited photo was taken from the Digital Collections of the library at the University of Washington)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Jahangir er Swarnamudra

ফেলুদার গল্প – জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা – সত্যজিৎ রায়

আজকের গল্পটির ভূমিকা হিসেবে খানিকটা ইতিহাস – জাহাঙ্গীর যখন মুঘল সাম্রাজ্যের সিংহাসনে, তখন নিজ রাজত্বের স্মারক হিসেবে তিনি বেশ কিছু মুদ্রার প্রচলন ঘটান। কালক্রমে সেগুলোর বেশিরভাগই হারিয়ে গেলেও অল্প কিছু মুদ্রা আজ পর্যন্ত টিকে গিয়ে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা  লেখা তেমনই কিছু মুদ্রাকে ঘিরে – কলকাতার একটি বনেদি পরিবারের সংগ্রহে ছিল রাশিমালার উপর ভিত্তি করে তৈরী জাহাঙ্গীর আমলের বারটি স্বর্ণমুদ্রা – যা আর্থিক ও ঐতিহাসিক, দুই দিক দিয়েই অমূল্য। কিন্তু সেই বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান চলাকালে রহস্যজনকভাবে সেই মুদ্রাগুলির একটি চুরি হয়ে যায়। ঘটনা ঠিক এক বছর পরে বাড়ির কর্তা ফেলুদার শরণাপন্ন হন। তাঁর ইচ্ছে, আরেকবার সেই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে তিনি একই অতিথিদের আবার আমন্ত্রণ করবেন। পার্থক্য শুধু এই, যে এবার তাতে ফেলুদাও থাকবেন, পরিচয় গোপন করে। উদ্দেশ্য – চোর কে শনাক্ত করে তাঁর কাছ থেকে সেই মুদ্রা ফেরত আনা।

Feluda’s Stories – Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac) – Satyajit Ray

Another Feluda story, with an accompanying tidbit of history: when Jahangir was the ruler of the Mughal Empire, he issued many insignias to mark his reign. Among those were coins of different kinds but great value. Most of those were lost over time, but some survived to become historical objects in this age. In Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac), we come across one such artifact – a collection of gold coins which represent the signs of the zodiac. One coin, however, is missing, and it is up to Feluda to get it from an unknown thief who had stolen it a long time ago.

ছোটগল্প ১১৫ – ব্যোমকেশ বক্সী – চিত্রচোর / Short Story 115 – Byomkesh Bakshi – Chitrochor (The Picture Thief)

sharadindu-bandyopadhyay-byomkesh-bakshi-chitrochor

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Sharadindu Bandyopadhyay-Byomkesh-11 ChitroChor

ব্যোমকেশ বক্সীর গল্প – চিত্রচোর – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ ব্যোমকেশ বক্সীর একটি গল্প – চিত্রচোর। কঠিন অসুখ হতে সম্প্রতি আরোগ্য লাভ করা ব্যোমকেশ যখন কোন এক প্রত্যন্ত গঞ্জে হাওয়া বদলাতে এসেছে, এমন সময় সেখানে তাঁর এক আলাপীর ঘর হতে একটি ছবি চুরি যায়। মামুলি একটি ছবি কেন রহস্যজনকভাবে চুরি যাবে, তা কেউ বুঝে ওঠার আগেই সেই ভদ্রলোকের বন্ধুদের বাড়ি থেকেও ছবি চুরি যেতে শুরু করে। স্বাভাবিকভাবেই ব্যোমকেশকে ঘটনার তদন্তে নামতে হয়, আর সময়ের প্রবাহের সাথে সাথে অন্য সব কিছু ছাপিয়ে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে – ছবিগুলো চুরি যাওয়াই কি মূল ঘটনা, নাকি সেগুলো বড় কোন ঘটনার ভূমিকামাত্র?

Byomkesh Bakshi’s Adventures – ChitroChor (The Picture Thief) – Sharadindu Bandyopadhyay

A Byomkesh Bakshi story today. ChitroChor (The Picture Thief) starts with Byomkesh visiting some rural town as a change of air after a long illness. As it happens with detective stories, a mystery soon develops – a seemingly ordinary picture gets mysteriously stolen from the house of a wealthy local gentleman. Before anyone can figure out why, more thefts are reported – all pictures, and all belonging to the gentlemen’s friend circle. Byomkesh takes up the case, and he has to soon find whether the thefts are by themselves a thing, or whether they are leading up to something much bigger.

ছোটগল্প ১১৪ – পুরস্কার / Short Story 114 – Puroskhar (The Prize)

 

satyajit-ray-puroshkar

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray- Puroshkar

শিল্পী – সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায় যে ছবি আঁকতে ভালবাসতেন আর বেশ ভালই আঁকতেন, তা ফেলুদাপ্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলোর জন্যে তাঁর নিজের আঁকা ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আর চিত্রাঙ্কন সম্বন্ধে তাঁর ব্যক্তিগত মতামতও ছিল তাঁর আঁকার মতই – সোজাসাপটা এবং স্পষ্ট। চিত্রাঙ্কনে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির বাস্তববাদী ধারা যে সত্যজিৎ রায়ের প্রিয় ছিল, তা তিনি তাঁর একটি লেখায় (নাম মনে পড়ছে না) ইঙ্গিত করেছিলেন। আর বিমূর্ত শিল্প, বা অ্যাবস্ট্র্যাক্ট আর্ট যে তাঁর মোটেও পছন্দ ছিল না, তাও তিনি লুকোননি – পুরস্কার গল্পটি সেই ভাবনা থেকেই লেখা।

Puroskhar (The Prize)- Satyajit Ray

If you have been reading the any of the stories by Satyajit Ray on this websites, and have been paying attention to the signatures on the drawings that go with those, you will know that the man was not only a legendary filmmaker and a wonderful writer, but also a good artist. It is not hard to infer from his drawing what kind of style he preferred – simple and plain realistic drawings – but to really know how he felt about art, one needs to look at his writings where he compares realism with abstraction. Puroshkar (The Prize) is one such story.

ছোটগল্প ১১৩ – শিবু আর রাক্ষসের কথা / Short Story 113 – Shibu Ar Rakkhosh er Katha (Shibu and the Demon)

satyajit-ray-shibu-ar-rakkhosh-er-katha

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Shibu Ar Rakkhosh Er Katha

শিবু আর রাক্ষসের কথা – সত্যজিৎ রায়

আজ অংক স্যার, রাক্ষস, পাগলাটে দাদা আর আমাদের ছেলেবেলা নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের একটি গল্প। অঙ্ক জিনিসটা নিয়ে আমাদের সবারই একটা বয়সে হয় আগ্রহ নয়তোবা দুশ্চিন্তা থাকে। কিন্তু হঠাৎ যদি সেগুলোর একটি তার উল্টোটিতে বদলে যায়, আর তার উপর যদি সেটার কারণ হয় একটি রাক্ষস? হ্যা, আক্ষরিক অর্থেই একটি রাক্ষস। অদ্ভূত লাগছে শুনে? শিবু আর রাক্ষসের কথা  পড়লে কিন্তু সেটি মনে হবে না, বরং স্কুলের কথা মনে পড়ে যেতে পারে। যারা বাংলা রূপকথার পোকা, তাদের জন্যে একটি সূত্র রেখে দেই –

নর কি বানর কিংবা অন্য জানোয়ার
জেনে রাখো হৃৎপিন্ডে রহে প্রাণ তার।
রাক্ষসের প্রাণ জেনো মৎস্যের উদরে
সেই হেতু রাক্ষস সহজে না মরে।

সত্যজিত রায়ের কলমে স্কুলজীবনের সাথে রূপকথা মেশানো গল্প এর আগেও একবার তুলেছি – সেবারের গল্পটি ছিল ভীনগ্রহের প্রাণীকে নিয়ে। এবারের গল্পটিও খানিকটা তেমনই, তাই পাঠকদের ভাললাগার জন্যে আর তুলে দিলাম। : )

Shibu Ar Rakkhosh er Katha (Shibu and the Demon) – Satyajit Ray

It has been quite some time since I posted one of Satyajit Ray’s fairy tales, hence this upload. The last time, it was about a boy who preferred fairy-tales to math textbooks, and an alien. In Shibu At Rakkhosher Katha (Shibu and the Demon), however, the boy actually happens to love math, and it is the demons in the fairy-tales which scare him – what if they were actually real?

আত্মজীবনী ৩ – সত্যজিৎ রায় – একেই বলে শুটিং / Autobiography 3 – Satyajit Ray – Ekei Bole Shooting (Now This is What I Call Shooting)

satyajit-ray-ekei-bole-shooting

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Ekei Bale Shooting

একেই বলে শুটিং – সত্যজিৎ রায়

সোনার কেল্লা, গুপী গাইন বাঘা বাইন, জয় বাবা ফেলুনাথ, হীরক রাজার দেশে, আর পথের পাঁচালী – এই পাঁচটি নামগুলির মধ্যে মিল কোথায়? যারা সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রের ভক্ত, তারা নিমেষেই এই নামগুলো চিনে ফেলবেন। বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে সত্যজিৎ ফেলুদা আর প্রফেসর শঙ্কুর স্রষ্টা হলেও বৃহত্তর পৃথিবীর কাছে তাঁর পরিচয় সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে, আর উপরের নামগুলো তাঁরই দিকনির্দেশিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে কটি। সোনার কেল্লা  আর জয় বাবা ফেলুনাথ  এর গল্পগুলো যে তারই লেখা, তা ফেলু মিত্তিরের ভক্তরা ভালই জানেন – সেগুলো পড়া যাবে এই সাইটেরই এইখানে আর এইখানে। আর যদিও গুপী-বাঘার গল্পগুলো উপেন্দ্রকিশোর রায় আর পথের পাচাঁলী  উপন্যাসটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি, সেগুলোর খ্যাতির ব্যাপক প্রসার কিন্তু ঘটে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলোর মাধ্যমেই। যাই হোক, চলচ্চিত্রের পিছনের যেই মানুষটি, তাঁর চোখ দিয়ে কি গল্পগুলোকে আমাদের দেখতে ইচ্ছে করে না? সেজন্যেই আজকের এই লেখা। একেই বলে শুটিং লেখাটি সত্যজিৎ রায়ের পূর্নাঙ্গ আত্মজীবনী না হলেও সেটি যে তাঁর জীবনের একটি বড় অংশের স্মৃতিচারণা তা নিয়ে সন্দেহ নেই – আর এতে লেখক সত্যজিতকে ছাড়াও তার সময়কার বাংলা রূপালী-পর্দার জগৎ, ভারতবর্ষের জনপদ আর বাংলা-সাহিত্যের বিখ্যাত কজন চরিত্রকে আমরা সচরাচরের চাইতে ভিন্নরূপে দেখতে পাই। ফেলুদা, গুপী-বাঘা আর অপু-দুর্গাকে একসূত্রে গাঁথা লেখাটি পাঠকদের ভাল লাগবে জানি, তাই সবার জন্যে আজ সেটি তুলে দেওয়া – সত্যজিৎ রায়ের একেই বলে শুটিং

Ekei Bale Shooting (Now This is What I Call Shooting) – Satyajit Ray

Sonar Kella, Gupi Gain Bagha Bain, Joy Baba Felunath, Heerak Rajar Deshe and Pather Panchali – do you know what these names have in common? If you are a fan of Satyajit Ray’s cinema, then you already do – they are some of the famous films directed by the man who was one of the world’s greatest movie-directors of all time. Fans of Feluda should immediately recognize two of the names – the original stories, Sonar Kella and Joy Baba Felunath, were written by Ray himself. And while Pather Panchali the novel was written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay and Gupi-Bagha by Upendrakishore Ray, it was through Satyajit’s cinematic renditions that they achieved widespread fame. It is not hard to imagine that Ray himself would have a thing or two to write about his life as a movie-director, which is what we find in Ekei Bale Shooting (Now This is What I Call Shooting) – a light reminiscence that endears not only Ray himself, but also the world of show-business and ordinary people across India to us, and also makes us see well-known literary characters in an entirely new light. For the readers, therefore, this wonderful read – Ekei Bole Shooting – a thread that links Feluda, Gupi-Bagha, and Apu-Durga together.

ছোটগল্প ১১২ – প্রফেসর শঙ্কু – প্রফেসর শঙ্কু ও আশ্চর্য পুতুল / Short Story 112 – Professor Shanku – Professor Shanku O Ashchorjo Putul (Professor Shanku and the Uncanny Dolls)

satyajit-ray-professor-shanku-professor-shanku-o-ashchorjo-putul

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Professor Shanku O Ashchorjo Putul

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও আশ্চর্য পুতুল – সত্যজিৎ রায়

আজ প্রফেসর শঙ্কুর আরেকটি গল্প। সুইডিশ অ্যাকাডেমী অফ সায়েন্সেস হতে সম্মানসূচক উপাধি নিতে সেখানে গিয়ে গ্রেগর লিন্ডকুইস্ট নামের এক ভদ্রলোকদের সাথে শঙ্কুর পরিচয় হয়। লিন্ডকুইস্ট জানান যে তিনি একজন শিল্পী যার বিশেষত্ব বিখ্যাত লোকদের ক্ষুদ্রাকার কিন্তু অবিকল প্রতিমূর্তি তৈরী করা, আর শঙ্কুর একটি প্রতিমূর্তি তৈরী করার প্রস্তাব দিয়ে নিজের বাড়িতে আপ্যায়ন গ্রহণের জন্যে শঙ্কুকে তিনি অনুরোধ জানান। শঙ্কু বেশ আনন্দের সাথেই সম্মত হন, যদিও তাঁর জানতে বাকি ছিল যে লিন্ডকুইস্ট এর মূর্তি বানানো শুধু শিল্প নয়, গুরুতর বিজ্ঞানও বটে।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shanku O Ashchorjo Putul (Professor Shanku and the Uncanny Dolls) – Satyajit Ray

Today, another Shanku adventure for the readers: While visiting Sweden to accept an honorary doctorate from the Swedish Academy of Sciences, Professor Shanku meets an artist by the name of Gregor Lindquist. Mr. Lindquist explains to him that he specialises in creating amazingly lifelike statuettes of famous figures, and requests the Professor to visit his house for a few days and grant him a few sittings. Neutral to the idea of a statuette being made in his image, Shanku consents, but he is yet to know that Lindquist the artist is every bit the scientist that the professor does not expect him to be.

গল্প ১১১ – ফেলুদা – লন্ডন এ ফেলুদা / Story 111 – Feluda – London e Feluda (Feluda in London)

satyajit-ray-feluda-london-e-feluda

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Feluda – London e Feluda

ফেলুদার গল্প – লন্ডনে ফেলুদা – সত্যজিৎ রায়

দুই বন্ধু, একটি দুর্ঘটনা, একটি মৃত্যু, একজন মানুষের স্মৃতি হারানো আর ফেরার মাঝে কেটে যাওয়া চল্লিশেরও বেশি বছর, আর একটি তদন্ত – ফেলুদার আরেকটি প্রত্যাবর্তন, আর এবার শার্লক হোম্‌স এর শহরে।

Feluda’s Stories – London e Feluda (Feluda in London) – Satyajit Ray

Two friends, a boat ride and a drowning, a survivor’s loss of memory, and an investigation forty years later – yes, Feluda again, and this time, in London.

ছোটগল্প ১১০ – প্রফেসর শঙ্কু ও ম্যাকাও / Short Story 110 – Professor Shanku – Professor Shanku O Macaw

satyajit-ray-professor-shanku-professor-shanku-o-macawপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Professor Shanku – Professor Shanku O Macaw

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও ম্যাকাও – সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায়ের লেখা প্রফেসর শঙ্কুর সব গল্পগুলোই যে আমাকে টানে, তা নয় – শঙ্কুর কিছু গল্প বর্তমান যুগের বিজ্ঞান থেকে এতটাই দূরে যে সেগুলোকে মেনে নেওয়া নিজের মধ্যেকার কাল্পনিক বৈজ্ঞানিকটির পক্ষে বেশ কঠিনই হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এই সাইটে গল্প তোলা তো আর আমার জন্যে নয়, তাছাড়া আমি নিজেই বা বিজ্ঞানের কতটুকু জানি বা বুঝি? তাই আজ সেটিকে মেনে নিয়ে শঙ্কুর আরেকটি গল্প, যা আমার মতে অল্প একটু ‘বৈজ্ঞানিক’ আর তার চাইতে অনেক বেশি ‘কল্পকাহিনী’ – প্রফেসর শঙ্কু ও ম্যাকাও গল্পটি আমাদের চিরচেনা শঙ্কু, তাঁর এক প্রতিদ্বন্দী, এবং একটি আশ্চর্য বুদ্ধিমান ম্যাকাওয়ের মধ্যেকার ত্রিমুখী ‘বিনিময়’ নিয়ে লেখা।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shanku O Macaw – Satyajit Ray

Another Shanku upload after a long break – and this time, as a true departure from the norm, a story that I don’t like. To me, Professor Shanku O Macaw is too fantastical to be classified as science fiction, but then again, what do I know? And in any case, this site should have all sorts of Bangla works rather than just the ones which I prefer. Hence this story, which is centered on an exceptionally gifted bird.

 

গল্প ১০৯ – ফেলুদা – কৈলাস চৌধুরীর পাথর / Galpo 109 – Feluda – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury'r Pathar

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury’r Pathar

ফেলুদার গল্প – কৈলাস চৌধুরীর পাথর – সত্যজিৎ রায়

এবার ফেলুদার প্রথম দিককার একটি গল্প। ফেলুদার অন্যান্য গল্পের তুলনায় কৈলাস চৌধুরীর পাথর কে বেশ গতানুগতিকই বলা চলে – রহস্যটির শুরু হয় কলকাতার কোন এক বনেদি চৌধুরীবাড়িতে একটি হুমকি চিঠি আসার পর থেকে। ততদিনে গোয়েন্দা হিসেবে বেশ খ্যাতি রটে যাওয়াতে ফেলুদার সেই বাড়ি থেকে তলব আসে, আর প্রাথমিক তদন্তে ফেলুদা জানতে পারে যে চৌধুরী পরিবারের বেশ মূল্যবান একটি সম্পদ আছে, যার উপর রহস্যময় হুমকিদাতার নজর থাকতে পারে। ফেলুদাও সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করে, যদিও অচিরেই তাঁর কাছে এটুকু স্পষ্ট হয়ে যায় যে ব্যাপারটি আপাতদৃষ্টিতে দেখতে যেমন, আসলে তার চাইতে অনেক বেশি গোলমেলে।

পাঠকেরা যদি নিজেরাই গোয়েন্দাগিরী করতে চান, তবে তাদের জন্যে সূত্র হিসেবে একটি শব্দ তুলে দেই – ‘নকল’। : )

Feluda’s Stories – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) – Satyajit Ray

This time, one of Feluda’s earlier exploits – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) starts with our favorite sleuth already quite famous, something that earns him a call from one of the more respected families in the city. The patriarch of the family, Mr. Kailash Chowdhury, had recently received an anonymous threat letter, and asks Feluda to investigate who might be behind it. Upon questioning his newly acquired client, Feluda learns that the Chowdhury family happens to have a rather expensive jewel, a blue beryl, that the letter-writer might be wanting to extort, and decides to investigate on that assumption. Soon, however, things take a stranger turn, and Feluda Starts to think that he might have been wrong from the very beginning…

In a way of teasing the reader, here is a one word clue – ‘fake’. Enjoy : )

গল্প ১০৭ – অপরাজিত / Story 107 – Aparajito (The Unvanquished)

 

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito 2

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito

অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

গত বছর পাঠকদের জন্যে এই সাইটে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি পথের পাঁচালী  আপলোড করেছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অপরাজিত , যাতে পথের পাঁচালীতে অপুর শুরু হওয়া পথচলা তার বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে এগিয়ে চলে নিতান্তই সাধারণ কোন বাঙ্গালী পুরুষের জীবনের চেনা বাঁকগুলো বেয়ে। পথের পাঁচালী যারা পড়েছেন, তাদের হয়তো মনে থাকবে যে গল্পটি শেষ হয় সদ্য-কিশোর অপুর নিজেকে পৃথিবীর সামনে একা আবিস্কার করার মধ্যে দিয়ে। অপরাজিত গল্পটির সমাপ্তিও তেমনই একটি নতুন যাত্রার সূচনায়। তবে ততদিনে অপু তার জীবন-মধ্যাহ্নে, যে কারণে আগের গল্পের সেই কাঁচা ছেলেটির চাইতে অনেক বেশি পোড় খাওয়া ও পরিণত একজন মানুষরূপে আমরা তাকে পাই। কিছু জিনিস বদলায়না অবশ্য – জীবনের শত প্রতিকূলতা আর অপর্ণা-লীলাদের চলে যাওয়ার পরেও অপু সেই আগের মতই সবুজ-মনের নিষ্পাপ মানুষটিই থাকে। সবাই তেমনি করে অপরাজিত থাকতে পারে?

কিশোর থেকে পুরুষ হয়ে ওঠার জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা একজন মানুষের গল্প অপরাজিত। পাঠকদের অনেকেই গল্পের অপুর মাঝে নিজেকে খুঁজে পাবেন জানি, তাই আমাদেরই কারো না কারো যাপিত জীবনের হাসি-কান্না নিয়ে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটি আজ তুলে দিলাম।

Aparajito (The Unvanquished) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

It has been quite a few months since I uploaded Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s Pather Panchali (Song of the Road) on this site. This time, in a follow up to it, an absolute masterpiece of a sequel: Aparajito (The Unvanquished) takes off where Pather Panchali had left the young Apu – alone and facing this world for the first time. And in this story, the bildungsroman continues, in the same, beautifully human tone that we find in the first. Life is more real this time, though – Apu has to care for himself and his mother in a world that could not care less about his struggles, and later, for a son who is only a reflection of Apu’s younger self. And through it all, he strives to keep his dreams and ideals alive in the face of the harsh reality that surrounds him, and has to hold himself together even as the people he comes to love depart one by one. Perhaps the plot sounds familiar? It is a ‘coming of age’ story that every man lives out, after all – a most beautiful bildungsroman. I hope you will like it… and if you have ever felt like a little boy who has had to grow up all too soon, I know you will.

ছোটগল্প ১০৬ – প্রফেসর শঙ্কু ও গোলক রহস্য / Short Story 106 – Profesor Shanku – Professor Shanku O Golak Rahasya (Professor Shanku and the Mysterious Sphere)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Golak Rahasyaপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Golak Rahasya

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও গোলক রহস্য – সত্যজিৎ রায়

“গিরিডিতে বেড়াবার কথা বললে উশ্রীর ধারটাই মনে হয়, কিন্তু অবিনাশবাবু দেখই চলেছেন উলটো দিকে অর্থাৎ তাঁর বাড়ির দিকে। ব্যাপার কী? কী মতলব ভদ্রলোকের?

কিছুদূর যাবার পরে অবিনাশবাবু নিজেই কারণটা বললেন – “আজ একটা খেলনা পেয়েছি। সেটা আপনাকে দেখাব।”

“খেলনা?”

“চলুন না। দেখলে আপনারও লোভ লাগবে – কিন্তু আপনাকে দেব না সেটি।”

মনে মনে বললাম – “খেলনার বয়স হয়তো আপনার থাকতে পারে – কিন্তু আমার কি আর আছে?””

আজ প্রফেসর শঙ্কুর একটি গল্প, আর পাঠকদের কৌতুহল জাগানোর জন্যে একটি ভাবনা – গোলক তো নানা মাপের হতে পারে, ক্রিকেট বলের মত ছোট… কিংবা পৃথিবীর মত বড়… কিন্তু তাদের মিল কি শুধু আকৃতিতেই? নাকি এমন কোনও মিল তাদের মধ্যে থাকতে পারে, যা আমাদের কল্পনার বাইরে?

Professor Shanku’s Stories – Professor Shanku O Golak Rahasya – Satyajit Ray

From the cricket balls we play with to the giant planets orbiting the stars, big and little spheres are what the universe is made of. But is it only their shape where their similarity ends? In this story, Professor Shanku comes across a strage sphere that vaguely reminds him of something he feels he has seen before, and when he figures out what it is, he suddenly finds himself playing God with the mysterious little sphere… and the one that we live on.

গল্প ১০৫ – ফেলুদা – কৈলাসে কেলেঙ্কারী / Story 105 – Feluda – Kailash e Kelenkari (A Killer In Kailash)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari

ফেলুদার গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – সত্যজিৎ রায়

অনেকদিন পর এই সাইটে আবার ফেলুদা – আর এবার এমনই একটি গল্পে, যা এতদিনের বিরতিকে ন্যায্যতা দেওয়ার মতই রহস্য-রোমাঞ্চে ঠাসা। ফেলুদার গল্পগুলোর বেশিরভাগই সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন কোন ব্যক্তিবিশেষ কিংবা পরিবারকে ঘিরে কোন রহস্যকে নিয়ে – যেমনটা আমরা পাই এবার কাণ্ড কেদারনাথে কিংবা ছিন্নমস্তার অভিশাপ এর মত গল্পগুলোতে। কৈলাসে কেলেঙ্কারী সেদিক দিয়ে একটু আলাদা – এই গল্পে ফেলুদাকে লড়তে হয় এমনই একটি চক্রের সাথে, যাদের নাগাল ভারতের প্রতিটি কোণে, আর যাদের কাছ থেকে নিজেকে ও তোপসেদের মুক্ত রাখতে প্রায় পুরো গল্পজুড়েই ফেলুদাকে থাকতে হয় আমাদের অগোচরে। পাঠকদের একটু সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে গল্প থেকে দুটো অনুচ্ছেদ তুলে দেই –

“কেন মুশকিল কেন?… তবে একটা কথা বলি – একটা অ্যাডভাইস, অ্যাজ এ ফ্রেন্ড – এই সব র‍্যাকেটের পেছনে মাঝে মাঝে এক একটা দল থাকে – গ্যাং – এবং তারা বেশ পাওয়ারফুল হয়। গায়ের জোর বলছি না। পয়সার জোর। পোজিশনের জোর। শিক্ষিত অবস্থাপন্ন লোকেরা যখন নোংরা কাজে নামে, তখন সাধারণ ক্রিমিনালদের চেয়ে তাদের বাগে আনা অনেক বেশি শক্ত হয়, জানেন তো?”

আর এটা ফেলুদার –

“(এটা) আরও বেশি প্রেশাস। চুনি পান্না পৃথিবীতে হাজার হাজার আছে, ভবিষ্যতে সংখ্যায় আরও বাড়বে। কিন্তু কৈলাসের মন্দির বা সাঁচির স্তূপ বা এলিফ্যান্টার গুহা – এসব একটা বই দুটো নেই। হাজার-দু হাজার বছর আগে আমাদের আর্ট যে হাইটে উঠেছিল সে হাইটে ওঠার কথা আজকের আর্টিস্ট ভাবতেই পারে না। সুতরাং সে যুগের আর্ট দেশে যা আছে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। যারা তাকে নষ্ট করতে চায় তারা ক্রিমিন্যাল। আমার মতে ভূবনেশ্বরের যক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। যে করেছে তার কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।”

অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী ও গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র… তিন ‘প’তে মিলে ফেলুদার আরেকটি দুর্দান্ত গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – পাঠকদের জন্যে।

Feluda’s Adventures – Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash)

A long break later, a Feluda upload again – and this time, a story that is certainly worth the long wait that has been for some of you. While most of Feluda’s stories were centred on mysterious families and/or individuals (Chinnamaster Abhishap and Ebar Kando Kedarnath e are cases in point) Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash) is a big departure from that trend – in this story, our favorite sleuth faces a syndicate that not only is pan-Indian in its reach, but also murdurous in its smuggling of ancient Indian artifacts abroad. Interestingly, unlike Feluda’s other adventures, this story is one with a somewhat nationalistic tone – a generous dose of James Bond added to the usual Holmesian narrative, if you ask me… but far from diluting the plot, that only adds to its thrill. ‘For your eyes only’, therefore, this upload. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 2

ছোটগল্প ১০৪ – প্রফেসর শঙ্কু- শঙ্কুর পরলোকচর্চা / Short Story 104 – Professor Shanku – Shankur Parolok Charcha (Souls)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Shankur Parolokcharcha

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Shankur Parolokcharcha

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও ভূত – সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায়ের লেখায় তাঁর বিজ্ঞানমনস্কতা ও আধুনিকতা বরাবরই ফুটে উঠলেও ভৌতিকতা বা অতিপ্রাকৃতের প্রতি যে তার বেশ ঝোঁক ছিল, সেটা তার অনেক লেখা থেকেই বোঝা যায়। প্রফেসর শঙ্কুর এই গল্পটি তেমনই এক লেখা – যাতে ভূত নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে শঙ্কু আর তাঁর সহকর্মীরা ভূতের সাথে যোগাযোগ করার জন্যে ‘কম্পিউডিয়াম’ (অর্থাৎ কম্পিউটারাইজ্‌ড মিডিয়াম) নামক এক যন্ত্রের আবিষ্কার করেন। স্বাভাবিকভাবেই আবিষ্কারটির খবর চারিদিকে সাড়া ফেলে দেয়, কিন্তু তার ফলে সম্মানের চাইতে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপই শঙ্কুদের দিকে ধেয়ে আসে বেশি। বিজ্ঞানীরা অবশ্য তাতে অবিচলিতই থাকেন, আর পরলোকগতদের সাথে তাদের আলাপচারিতার ফলে ক্রমশ অনেকই অজানা তাদের জ্ঞানের পরিধির মধ্যে চলে আসে।

Professor Shanku’s Stories – Shankur Parolok Charcha (Souls) – Satyajit Ray

While Satyajit Ray’s stories are usually based on the traditional scienctific thought, many of his writings also hint at his deep fascination with the unexplained and the paranormal. In Shankur Parolokcharcha (Souls) we find that evident – in the course of their research on beings of the Afterworld, Shanku and his colleagues invent the ‘Compudium’, a ‘computerised medium’ to communicate with those who have died. When the news about the invention breaks, they are expectedly ridiculed by many, but it is what the dead have to tell which interests the scientists more.

গল্প ১০৩ – বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার / Story 103 – Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali)

Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

(সম্পাদিত প্রতিরুপটির আদি ছবিটি তুলেছিলেন কেনেথ টমাস / Original of the edited photo taken by Kenneth H Thomas)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার – জাফর ইকবাল

“সফদর আলীর টেবিলের চারপাশে অনেকগুলো খাঁচা, সেখানে অনেকগুলো নানা বয়সের মোরগ-মুরগি ঘুরে বেড়াচ্ছে। সফদর আলী গম্ভীর মুখে একটা মুরগির দিকে তাকিয়ে আছেন। তাঁর হাতে কাগজ-কলম, মুরগির দিকে তাকিয়ে একটু পরপর কি যেন লিখছেন। উঁকি মেরে দেখে মনে হল আধুনিক কবিতা, কারণ তাতে লেখা –

ডান বাম ডান বাম ডান ডান বাম
বাম ডান বাম ডান বাম বাম বাম
বাম বাম ডান বাম বাম ডান বাম…

সফদর আলী খাতা বন্ধ করে বললেন, মোরগের সাথে মানুষের পার্থক্য কি বলেন দেখি?

মাথা চুলকে বললাম, আমরা মোরগকে রান্না করে খাই, মোরগ আমাদের রান্না করে খায় না।

সফদর আলী চিন্তিত মুখে বললেন, আপনাকে নিয়ে এই হচ্ছে মুশকিল, খাওয়া ছাড়া আর কিছু চিন্তা করতে পারেন না।

কথাটা খানিকটা সত্যি, আমি একটু লজ্জা পেয়ে গেলাম।

সফদর আলী বললেন, মানুষের দুটি চোখই সামনে। তাই তাদের বাইনোকুলার-দৃষ্টি। কোনো জিনিসের দিকে তাকিয়ে তারা দূরত্ব বুঝতে পারে। এক চোখ বন্ধ করে সুঁইয়ে সুতো পরানোর চেষ্টা করে দেখবেন কত কঠিন। বোঝা যায় না সুঁইটা কাছে না দূরে। মোরগের দুই চোখ দুই পাশে, তাই দূরত্ব বুঝতে হলে মোরগকে ক্রমাগত মাথা নাড়তে হয়। একবার ডান চোখে জিনিসটা দেখে, একবার বাম চোখে। বেশিরভাগ পাখিও মোরগের মতো। এজন্যে পাখিরাও মাথা নাড়ে। এই দেখেন আমি লিখছিলাম মোরগ কিভাবে তার চোখ ব্যবহার করে।

সফদর আলী তাঁর খাতা খুলে দেখালেন। যেটাকে একটা আধুনিক কবিতা ভেবেছিলাম, সেটা আসলে মোরগের মাথা নাড়ানোর হিসেব। আমার স্বস্তির নিশ্বাস পরে। সফদর আলী এখন কবিতা লেখা শুরু করলে ভারি দুঃখের ব্যাপার হত।”

দূরবীক্ষণ-দৃষ্টিসম্পন্ন মোরগ, গাড়ি চালানো গাছ, গিনিপিগদের বিরিয়ানি রান্না শেখা, আর ভণ্ডপীরকে সায়েস্তা করা – জাফর ইকবালের লেখা সবচেয়ে মজার গল্পগুলোর মধ্যে একটি, যা ঢাকারই কোন গলিতে থাকা একজন আধপাগল বিজ্ঞানীকে নিয়ে লেখা। সহজ বিজ্ঞান আর মজার ঘটনায় ভরা এই গল্পটি সবার জন্য তুলে দিলাম।

Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali) – Jafar Iqbal

Plants that drive, roosters with binocular vision, guinea-pigs that cook biryani, and fake miracle-men – just the usual things in the life of an eccentric scientist living in some known corner of Dhaka. Bigyani Safdar Ali is possibly one of Jafar Iqbal’s funniest creations, and the scientist next door we would all love to have as a friend. Enjoy! 🙂

গল্প ১০২ – ফেলুদা – বোসপুকুরে খুনখারাপি / Story 102 – Feluda – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur)

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi

ফেলুদার গল্প – বোসপুকুরে খুনখারাপি – সত্যজিৎ রায়

পুনরায় ফেলুদা। বোসপুকুরের আচার্য পরিবারের তিন সন্তান – দেবনারায়ণ, হরিনারায়ণ আর ইন্দ্রনারায়ণ। প্রথম দুজন বড় চাকুরে আর পরিবারের মান অটুট রেখে চলা ভদ্রলোক হলেও ইন্দ্রনারায়ণ ছিলেন একটু অদ্ভূত – গান-বাজনা নিয়ে থাকা মানুষটি যোগ দিয়েছিলেন ভারত অপেরা নামের একটি যাত্রার দলে।  ভাইয়েরা তাকে গ্রাহ্য না করলেও নাট্যলেখক হিসেবে বেশ খ্যাতিমানই হয়ে ওঠেন তিনি – আর সেই খ্যাতিই হয়তোবা তার বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার এবং তা হতে আপাতদৃষ্টিতে অনেক দূরের যাত্রার জগৎকে এক সুতোয় গাঁথা সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি ফেলুদা রহস্যোপন্যাস – বোসপুকুরে খুনখারাপি

Feluda’s Stories – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur) – Satyajit Ray

One of the more intriguing Feluda stories this time. The Acharyas of Bosepukur are a well-known family, headed by an octogenarian patriarch who has his three sons . The older two, who hold big positions, uphold the family name in the traditional sense. However, Indranarayan, the youngest, is a bit of a black-sheep, and much to his brothers’ chagrin, joins a theatre, where his fame as a writer eventually outstrips those of his snobbish siblings. But fame also creates enemies for Indranarayan, who fails to safeguard himself against them, until it is too late. A mystery that ties the tensions in an elite family with the world of Theatre, Bosepukur e Khunkharapi is a Feluda novel fit for your lazy afternoons. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (2)

ছোটগল্প ১০১ – প্রফেসর শঙ্কু – প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় / Short Story 91 – Professor Shanku – Professor Shanku O Har (Bones)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Harপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Har

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় সত্যজিতের লেখা শঙ্কুর প্রথম গল্পগুলোর একটি। আর সেসব গল্পগুলোর মত এটিতেও আমরা শঙ্কুকে ধী-স্থির ঋষিতুল্য বিজ্ঞানীর বদলে বেপরোয়া একজন হিসেবেই দেখতে পাই। তবে এই গল্পটা সেদিকটা বাদেও প্রফেসরের অন্য গল্পগুলোর চাইতে একটু আলাদা, কারণ এতে শঙ্কু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার বশে যা করেন, তা তাকে আমাদের চিরচেনা নীতিবান এক মানুষের বদলে একজন আত্মসাৎকারীর পর্যায়েই ফেলে দেয়।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shanku O Har (Bones) – Satyajit Ray

Professor Shanku O Har is one of the first stories of the scientist written by Satyajit Ray, and like others of its kind, it depicts Shanku as more of a reckless scientist than the almost sage-like person we come across his later depictions. This story is different, however, for another reason: in it, Shanku’s recklessness and curiosity leads him to appropriate someone else’s property – an act that results in severe consequences.

গল্প ৯৯ – ফেলুদা – বাক্স রহস্য / Story 99 – Feluda – Baksho Rahasya (The Mystery of the Box)

Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya

ফেলুদার গল্প – বাক্স রহস্য – সত্যজিৎ রায়

এই সাইটের পাঠকেরা যে ফেলুদার গল্প পড়তে এত ভালবাসে(ন), তা সাইটটির পরিসংখ্যান না ঘাটলে কি আর জানতাম? ফেলুদার যে কয়টি গল্প এর আগে পোস্ট করেছি, সেগুলোর প্রায় সবগুলোতেই ক্লিক পড়েছে অনেক, তাই সেকথা মাথায় রেখেই পাঠকদের মধ্যে যারা গোয়েন্দা-গল্পের পোকা, তাদের জন্য ফেলুদার আরেকটি গল্প তুলে দিলাম : )

ফেলুদার যত গল্প সত্যজিৎ রায় লিখেছেন, সেগুলোর মধ্যে বাক্স রহস্যই হয়তো সবচেয়ে অভিনব। গল্পের শুরুতে দীননাথ লাহিড়ী নামের এক বনেদি মক্কেল ফেলুদার কাছে আসা নিয়ে। ভদ্রলোক কিছুদিন আগে ট্রেনে করে দিল্লি থেকে ফিরছিলেন, আর যাত্রার সময় তার একটি বাক্স অচেনা এক যাত্রীর ঠিক একই রকম দেখতে আরেকটি বাক্সের সাথে অদল-বদল হয়ে যায়। দীননাথবাবুর বাক্সে মূল্যবান কোন জিনিস না থাকলেও অন্তত অন্য অচেনা ভদ্রলোকটি যাতে তার বাক্স ফেরত পান, সেজন্যেই তিনি ফেলুদার শরণাপন্ন হন। ব্যাপারটার অভিনবত্ব দেখে ফেলুদাও বাক্সটি ফেরত দেওয়ার দ্বায়িত্ব নিতে রাজি হয়। কিন্তু এই আপাতদৃষ্টিতে সহজ এই কাজটি করতে গিয়ে যে ফেলুদাকে শেষ পর্যন্ত তার সবচেয়ে তুখোড় প্রতিদ্বন্ধী ও একজন বেপরোয়া অপরাধীর সাথে লড়াই করতে হবে, তা কে জানত? যারা ফেলু মিত্তিরের ভক্ত, তাদের নিঃসন্দেহে এই গল্পটি ভাল লাগবে, আর যাদের এখনো ভক্ত হতে বাকি, তাদের জন্যে এটির চাইতে ভাল ঔষধ আর কি হয়? সবার জন্যে তাই বাক্স রহস্য গল্পটি তুলে দিলাম। : )

Feluda’s Stories – Baksho Rahasya (The Mystery of the Box) – Satyajit Ray

Of the stories I have posted here so far, those of Feluda seem to be the most popular among my readers. So in response to popular demand, here is another: Baksho Rahasya (The Mystery of the Box) is perhaps one of the most unusual of Feluda’s cases. The story starts with the arrival of a rich gentleman named Dinnath Lahiri at Feluda’s house. A few days earlier, Mr. Lahiri was returning by train from Delhi to Kolkata, when a box (case) he owned was mistakenly exchanged with an identical one belonging to an unknown passenger. Mr. Lahiri did not really care to get his own back, but he wanted to return the box he had to its original owner out of courtesy, so he asks for Feluda’s help. Feluda accepts the case. But the seemingly innocuous problem is to lead to more difficult and dangerous onces – an encounter with a reckless criminal, and a battle with one of the cleverest adversaries Feluda would ever come across. In my opinion, Baksho Rahasya is one of the best of Feluda’s adventures, and I hope the readers will like this as much as I did, if not more. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya 2

গল্প ৯৮ – ফেলুদা – শেয়াল দেবতা রহস্য / Story 98 – Feluda – Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery)

Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya

ফেলুদার গল্প – শেয়াল দেবতা রহস্য – সত্যজিৎ রায়

শেয়াল দেবতা রহস্য ফেলুদার প্রথম দিককার গল্পগুলোর একটি। তোপসে তখনো ছোট, আর ফেলুদাকেও আমরা তাই দেখতে পাই তাঁর ক্ষুদে সহকারীর চোখ দিয়ে। তখন পূজোর ছুটি, আর ফেলুদা আর তোপসে দুজনেরই হাত-পা ঝাড়া, এমন সময় নীলমণি সান্যাল বলে এক ভদ্রলোক ফেলুদার সাথে যোগাযোগ করেন। লটারীর পয়সায় লাল হয়ে যাওয়া নীলমণিবাবুর জীবনটা বেশ নির্ঝঞ্ঝাটই ছিল, আর প্রাচীন জিনিস সংগ্রহ করা ছাড়া আর কাজও ছিলনা তার। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে তার কাছে আজগুবি ভাষায় লেখা কিছু বেনামী চিঠি আসায় তিনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। ফেলুদা চিঠিগুলো দেখে বুঝতে পারে যে সেগুলো প্রাচীন মিশরের হিয়েরোগ্লিফিক ভাষায় লেখা, আর নীলমণিবাবুকে প্রশ্ন করায় তিনি বলেন যে এক সপ্তাহ আগে এক নীলামে অদ্ভুত একটি মূর্তি তিনি কেনেন, আর তারপর থেকেই চিঠিগুলো আসতে শুরু করে। ফেলুদা মূর্তিটা দেখেই প্রাচীন মিশরীয় দেবতা আনুবিসের বলে চিনতে পারে, কিন্তু তাঁর তখনো ধারণা ছিলনা যে চিঠিগুলো আর আনুবিসের মূর্তির রহস্যটি কোথায় গড়াতে চলেছে।

Feluda’s Stories – Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery) – Satyajit Ray

One of the earlier cases of Feluda, Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery) is one in which we see Feluda through the eyes of a much younger Topshe. The story starts during the Puja holidays, with a phone call from some Nilmani Sanyal in need of Feluda’s help. One of those fortunate lottery winners whose names we read on paper, Mr. Sanyal had been an avid collector of curios for a while. In recent days, however, he had received some anonymous letters written in some code of which he could make no sense, and worried that this could mean nothing good, he had called. Upon meeting Mr. Sanyal, Feluda immediately recognizes the writing as Hieroglyphic – the language of ancient Egypt, and when he asks Mr. Sanyal if he has bought anything valuable recently, Mr. Sanyal produces a statue – of Anubis, the ancient Egyptian God of the Afterlife. Feluda feels that he is onto something, but he has no idea of the mystery to follow.

Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya 2

গল্প ৯৬ – ফেলুদা – রয়েল বেঙ্গল রহস্য / Story 96 – Feluda – Royal Bengal Rahasya (The Royal Bengal Mystery)

Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya

ফেলুদার গল্প – রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

এবার ফেলুদার আরেকটি গোয়েন্দাকাহিনী। কলকাতায় তখন গ্রীষ্ম, আর ফেলুদারাও বসে, তেমনই এক সময় ডুয়ার্স হতে মহীতোষ সিংহরায় নামের এক জমিদারের কাছ থেকে লালমোহন বাবুর কাছে এক নিমন্ত্রণপত্র আসে। মহীতোষবাবুর সাথে লালমোহন বাবুর পত্রালাপ থাকলেও ফেলুদার সাথে ছিল না, কিন্তু তার চিঠির শেষটুকু ছিল এইরূপ –

“আপনার বন্ধু শ্রীপ্রদোষ মিত্র মহাশয়ের ধুরন্ধর গোয়েন্দা হিসাবে খ্যাতি আছে বলিয়া শুনিয়াছি। আপনি তাহাকে সঙ্গে করিয়া আনিতে পারিলে তিনি হয়তো আমার একটা উপকার করিতে পারেন। কি স্থির করেন পত্রপাঠ জানাইবেন।”

অতঃপর ফেলুরাদের ডুয়ার্সের উদ্দেশ্যে যাত্রা, আর রয়েল বেঙ্গল রহস্যের শুরু। মহীতোষবাবুর জমিদারীতে পৌঁছানোর পর ফেলুদারা জানতে পারেন যে সিংহরায় পরিবারের এক পূর্বপুরুষ এককালে বহু পারিবারিক ধনরত্ন পাগলামীর বশে এক গোপন জায়গায় লুকিয়ে  তা খুঁজে বের করার জন্যে একটি ধাঁধা রেখে গিয়েছিলেন। ফেলুদার কাছে অবশেষে তাদের নিমন্ত্রিত হওয়ার মূল কারণটি স্পষ্ট হয়, আর কাজটি নিতে ফেলুদা সম্মতও হয়। কিন্তু সেই রাতেই বনের মাঝে লোকজনের গোপন আনাগোনা তার চোখে পরে, আর পরদিন বনের মধ্যে মহীতোষ বাবুর সহকারী তড়িৎবাবুর বাঘে-খাওয়া লাশের সন্ধান মেলে। ফেলুদা দুটো রহস্যই উদঘাটনের সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্ত তার ফলে সিংহরায় পরিবারের অনেক অপ্রিয় গোপন কথা এক এক করে বেরিয়ে আসতে শুরু করে।

রয়েল বেঙ্গল রহস্যের শুরুতেই সত্যজিৎ রায় গল্পের ধাঁধাটি তুলে দিয়েছিলেন, আমিও পাঠকদের সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে নাহয় তাই করি। তাছাড়া ছায়াছবি দেখতে যারা ভালবাসেন, তাদের জন্যে সত্যজিৎ রায়ের গল্পটি থেকে বানানো সিনেমাটির ইউটিউব লিঙ্কটিও নিচের ছবিটিতে সংযুক্ত করে দিলাম।

মুড়ো হয় বুড়ো গাছ
হাত গোন ভাত পাঁচ
দিক পাও ঠিক ঠিক জবাবে।

ফাল্গুন তাল জোড়
তার মাঝে ভুঁই ফোঁড়
সন্ধানে ধন্দায় নবাবে।

Feluda’s Stories – Royal Bengal Rahasya (The Royal Bengal Mystery) – Satyajit Ray

In this upload, another Feluda Adventure: During an unbearable summer in Kolkata, Lalmohan Babu receives an invitation to visit from an acquaintance, Mohitosh Singha Roy, a rich zamindar from Assam. In the letter, Feluda is invited as well, with a hint from Mr. Singha Roy that Feluda would be able to do a favor to him. Feluda and co. accept, and a few days later, arrive in Mr. Singha Roy’s estate in the forests of Dooars. It turns out that a long time ago, one of Mr. Singha Roy’s ancestors had hidden his family’s treasure, and ciphered the location in six lines of rhyme that had remained with the Singha Roy family since. Feluda accepts the challenge to decode it, but that very night, Mohitosh Babu’s secretary disappears and his partially eaten body is found in the forest the next day. Feluda is now left with two mysteries to solve, with the shadow of a man-eating tiger looming large over it all.

For those who love movies, a link to the YouTube video is the in the picture below.

Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya 2

ছোটগল্প ৯৫ – ভয়াবহ নানা / Short Story 95 – Bhoyaboho Nana (Granddad the Terrible)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Jafar Iqbal-Amra O Crab Nebula-Bhoyaboho Nana

ভয়াবহ নানা – জাফর ইকবাল (আমড়া ও ক্র্যাব নেবুলা হতে সংগ্রহিত)

অনেকদিন এই সাইটে কোন লেখা তোলা হয়না। তাই আজ তাতে ছেদ টানা। জাফর ইকবালের ভয়াবহ নানা  শিক্ষিত-শহুরে দুই ভাইবোনের সাথে তাদের প্রাচীনপন্থী নানার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে একটি মজার গল্প। তবে গল্পটি তোলার কারণ এটি হাসির বলে নয় – হালকা হলেও ভয়াবহ নানা  আজকের সময়ে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মতাদর্শের যেই সংঘর্ষটুকু গল্পটিতে আমরা দেখতে পাই, বৃহত্তর বাঙ্গালী সমাজে আজ সেটিই বড় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পাঠকরা কোন মত মেনে চলেন তা জানিনা, কিন্তু সমালোচনা অবধারিত জেনেই এটি তুলে দেওয়া।

Bhoyaboho Nana (Granddad the Terrible) – Zafar Iqbal (from Amra O Crab Nebula)

In the way of punctuating what has been a long silence so far, this post. Jafar Iqbal’s Bhoyaboho Nana (Granddad the Terrible) is an amusing story of two city-kids taking on their rather conservative and archaic grandfather. In a time when the larger Bangalee society is going through an often-violent tussle between conflicting ideals, the story bears special significance, hence the upload.