গল্প ১১৯ – ফেলুদা – ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি / Short Story 119 – Feluda – Feluda’r Goendagiri (Danger in Darjeeling)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Feludar Goendagiri

ফেলুদার গল্প – ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি – সত্যজিৎ রায়

আজ ফেলুদার একটি বিশেষ গল্প – এর আগের পোস্টে ফেলুদার দার্জিলিং ফেরা আর একটি রহস্যের সমাধান করা নিয়ে লেখা দার্জিলিং জমজমাট গল্পটি তুলেছিলাম। সেইবার দার্জিলিংই যে ফেলুদার গোয়েন্দাগিরীতে হাতেখড়ির পটভূমি, তা উল্লেখ করলেও সেই গল্পটি যে এই সাইটে তোলা হয়নি, তা খেয়াল ছিলনা। সেই ভুলটুকু শোধরাতেই আজ সেই হাতেখড়ির গল্পটি তুলে দেওয়া – ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি গল্পটি যে সময়কার, তখন আমাদের চিরচেনা তোপসে নেহাতই ছোট, অথবা তাঁর ভাষায় বলতে গেলে “আমার বয়স সাড়ে তেরো বছর। ফেলুদার বয়স আমার ঠিক ডবল।”। ফেলুদা অবশ্য বয়সে তরুণ হলেও বুদ্ধিতে চিরকালের মতই পাকা, যদিও ঠান্ডা মস্তিস্কের বদলে তোপসের উপর তাঁর খিটখিটেমোই আমরা দেখতে পাই বেশি। ফেলুদার পরবর্তী উপন্যাসগুলোর তুলনায় এই গল্পটি নেহাতই হাল্কা মেজাজে লেখা – সত্যজিৎ রায় হয়তো ফেলুদাকে নিয়ে মাত্র একটি গল্প লিখবেন, তেমনটা মনে করেই লেখাটি লিখেছিলেন। যাই হোক, ভণিতা থামানোর আগে বলে রাখি যে গল্পের শেষটা খানিকটা অপ্রত্যাশিত। হাজার হোক, সব রহস্যের কি আর সময়মত সমাধান হয়?

Feluda’s Stories – Feluda’r Goendagiri (Danger in Darjeeling) – Satyajit Ray

In my last post, I had put up Darjeeling Jamjomat, where the Feluda and his sidekick Topshe return to Darjeeling, and again solve another mystery. For some reason, I had negelected to put up the story of their first case there (and anywhere!), so this. To Feluda fans, Feluda’r Goendagiri (Danger in Darjeeling) is very special, as it was the story through which Satyajit Ray gave birth to the sleuth as a character. Back then, Topshe was merely a boy of thirteen-and-half, and Feluda quite young at ‘exactly double’ his cousin’s age. All this shows in the lighthearted and boyish tone of the narrative – the Feluda we know to be cool and mature is seen playing pranks on and teasing Topshe. His brains are just as sharp, though. All said, the story is also exceptional in another sense – Feluda does solve the mystery in it, but too late.

গল্প ১১৮ – ফেলুদা – দার্জিলিং জমজমাট / Short Story 118 – Feluda – Darjeeling Jamjomat (Murder in the Mountains)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Darjeeling Jamjomat

ফেলুদার গল্প – দার্জিলিং জমজমাট – সত্যজিৎ রায়

অনেক দিন পর ফেলুদার আরেকটি গল্প, আর এবারে পটভূমি দার্জিলিং। ফেলুদাকে আমরা রূপালী-পর্দার জগতে প্রথম দেখি বোম্বাইয়ের বোম্বেটেতে, যখন বলিউডের চিত্রনির্দেশক পুলক ঘোষাল লালমোহন বাবুর গল্প থেকে একটি চলচ্চিত্র বানানোয় হাত দেন। সেই গল্পে ফিল্মও বানানো হয়, আর ফেলুদাও তারই মাঝে বোম্বাইয়ের এক বড় চোরাচালানকারীকে জব্দ করে। যাই হোক, তার বছরখানেক পরে পুলকবাবু আবারও লালমোহনবাবুর আরেকটি গল্প থেকে নতুন একটি সিনেমা বানানো শুরু করেন, আর দৃশ্যধারণের জায়গা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় দার্জিলিং শহরটিকে। ফেলুদা ও তোপসের ইচ্ছে ছিল যে শুটিং দেখার সাথে সাথে তাদের প্রথম গোয়েন্দাগিরির জায়গাটিতে আরেকবার ঘুরে আসার, কিন্তু সেখানে গিয়ে যে তাদের আরেকবার তদন্তে নামতে হবে, তা কে জানত?

Feluda’s Adventures – Darjeeling Jamjomat (Murder in the Mountains) – Satyajit Ray

It has been a while since I last posted a Feluda story – so this time, an upload that takes the sleuth back to the very place where he first started as a detective. The story starts with Lalmohan Babu getting another offer from Bollywood director Pulak Ghoshal for one of his stories to be made into a movie. The last time that happened, Feluda and co. ended up in Mumbai to watch the shooting, and Feluda busted a smuggling racket and caught a godfather of the Mumbai underworld. This time, in a much more tranquil Darjeeling, he and Topshe hope to relax and relive old memories. But once they are there, things take a turn for the worse, and the detective has to reprise a familiar role in a familiar place.

গল্প ১১৭ – ক্যাম্প / Story 117- Camp

jafar-iqbal-camp

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Zafar Iqbal – Camp

ক্যাম্প – জাফর ইকবাল

একটি যুদ্ধ, দুটি পক্ষ, কয়েকটি দৃষ্টিকোণ, আর একটি মৃত্যু – ক্যাম্প  মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ নিয়ে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা আরেকটি উপন্যাস। পাঠকদের মধ্যে যারা বাংলাদেশি, তারা নিশ্চই জাফর ইকবালকে চেনেন, আর হয়তো এও জানেন যে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি পিতৃহারা হয়েছিলেনক্যাম্প উপন্যাসটি তাই যতটা কাল্পনিক, ততটাই বাস্তব এবং ব্যক্তিগত। যতদূর জানি, একাত্তর-পরবর্তী বাংলাদেশে ৪৭ বছরের রাজনীতি আর দলবাজির প্রভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেকটাই সরলীকরণের বলি হয়েছে, যেকারণে আজ যুদ্ধের দিনগুলোর চরিত্রগুলোকে হয় সাদা কিংবা কালোর কাতারে ফেলার প্রবণতা বেশ প্রবল। কিন্তু ক্যাম্প পড়লে বোঝা যায় যে সেই সময়কার বাস্তবতা ছিল অনেকটাই জটিল, আর এও বোঝা যায় যে একাত্তরের খলনায়ক ছিল যারা, আদর্শগত ভাবে ভিন্ন হলেও তাদের মত অনেকেই দুই বাংলায়ই আজও বর্তমান।

Camp – Zafar Iqbal

A war, two sides, a few perspectives, and a death – Camp is another story by Muhammad Jafar Iqbal that portrays lives during the liberation war of Bangladesh. Readers who are Bangladeshi need no introduction to Jafar Iqbal; for those who do not know, the writer lost his father during atrocities committed by the Pakistani army during the war. For a fiction, Camp is therefore a very real account, and more – it is personal.

From the little I know, 47 years of politics and factionalism have left the war-time history in post-war Bangladesh grossly oversimplified. Consequently, the tendency among many these days is to portray characters from those times in either black or white. Camp, however, reveals them to us in shades of gray, and makes us realize the worrying truth that even after all this time, people just like them still linger among us.

গল্প ১১৬ – ফেলুদা – জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা / Story 116 – Feluda – Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac)

satyajit-ray-feluda-jahangir-er-swarnamudra-1

(সম্পাদিত ছবিটির আদি প্রতিরূপটি নেওয়া হয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন লাইব্রেরীর ডিজিটাল সংগ্রহশালা থেকে / Orginal of the edited photo was taken from the Digital Collections of the library at the University of Washington)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Jahangir er Swarnamudra

ফেলুদার গল্প – জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা – সত্যজিৎ রায়

আজকের গল্পটির ভূমিকা হিসেবে খানিকটা ইতিহাস – জাহাঙ্গীর যখন মুঘল সাম্রাজ্যের সিংহাসনে, তখন নিজ রাজত্বের স্মারক হিসেবে তিনি বেশ কিছু মুদ্রার প্রচলন ঘটান। কালক্রমে সেগুলোর বেশিরভাগই হারিয়ে গেলেও অল্প কিছু মুদ্রা আজ পর্যন্ত টিকে গিয়ে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা  লেখা তেমনই কিছু মুদ্রাকে ঘিরে – কলকাতার একটি বনেদি পরিবারের সংগ্রহে ছিল রাশিমালার উপর ভিত্তি করে তৈরী জাহাঙ্গীর আমলের বারটি স্বর্ণমুদ্রা – যা আর্থিক ও ঐতিহাসিক, দুই দিক দিয়েই অমূল্য। কিন্তু সেই বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান চলাকালে রহস্যজনকভাবে সেই মুদ্রাগুলির একটি চুরি হয়ে যায়। ঘটনা ঠিক এক বছর পরে বাড়ির কর্তা ফেলুদার শরণাপন্ন হন। তাঁর ইচ্ছে, আরেকবার সেই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে তিনি একই অতিথিদের আবার আমন্ত্রণ করবেন। পার্থক্য শুধু এই, যে এবার তাতে ফেলুদাও থাকবেন, পরিচয় গোপন করে। উদ্দেশ্য – চোর কে শনাক্ত করে তাঁর কাছ থেকে সেই মুদ্রা ফেরত আনা।

Feluda’s Stories – Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac) – Satyajit Ray

Another Feluda story, with an accompanying tidbit of history: when Jahangir was the ruler of the Mughal Empire, he issued many insignias to mark his reign. Among those were coins of different kinds but great value. Most of those were lost over time, but some survived to become historical objects in this age. In Jahangir er Swarnamudra (The Missing Zodiac), we come across one such artifact – a collection of gold coins which represent the signs of the zodiac. One coin, however, is missing, and it is up to Feluda to get it from an unknown thief who had stolen it a long time ago.

আত্মজীবনী ৩ – সত্যজিৎ রায় – একেই বলে শুটিং / Autobiography 3 – Satyajit Ray – Ekei Bole Shooting (Now This is What I Call Shooting)

satyajit-ray-ekei-bole-shooting

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Ekei Bale Shooting

একেই বলে শুটিং – সত্যজিৎ রায়

সোনার কেল্লা, গুপী গাইন বাঘা বাইন, জয় বাবা ফেলুনাথ, হীরক রাজার দেশে, আর পথের পাঁচালী – এই পাঁচটি নামগুলির মধ্যে মিল কোথায়? যারা সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রের ভক্ত, তারা নিমেষেই এই নামগুলো চিনে ফেলবেন। বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে সত্যজিৎ ফেলুদা আর প্রফেসর শঙ্কুর স্রষ্টা হলেও বৃহত্তর পৃথিবীর কাছে তাঁর পরিচয় সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে, আর উপরের নামগুলো তাঁরই দিকনির্দেশিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে কটি। সোনার কেল্লা  আর জয় বাবা ফেলুনাথ  এর গল্পগুলো যে তারই লেখা, তা ফেলু মিত্তিরের ভক্তরা ভালই জানেন – সেগুলো পড়া যাবে এই সাইটেরই এইখানে আর এইখানে। আর যদিও গুপী-বাঘার গল্পগুলো উপেন্দ্রকিশোর রায় আর পথের পাচাঁলী  উপন্যাসটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি, সেগুলোর খ্যাতির ব্যাপক প্রসার কিন্তু ঘটে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলোর মাধ্যমেই। যাই হোক, চলচ্চিত্রের পিছনের যেই মানুষটি, তাঁর চোখ দিয়ে কি গল্পগুলোকে আমাদের দেখতে ইচ্ছে করে না? সেজন্যেই আজকের এই লেখা। একেই বলে শুটিং লেখাটি সত্যজিৎ রায়ের পূর্নাঙ্গ আত্মজীবনী না হলেও সেটি যে তাঁর জীবনের একটি বড় অংশের স্মৃতিচারণা তা নিয়ে সন্দেহ নেই – আর এতে লেখক সত্যজিতকে ছাড়াও তার সময়কার বাংলা রূপালী-পর্দার জগৎ, ভারতবর্ষের জনপদ আর বাংলা-সাহিত্যের বিখ্যাত কজন চরিত্রকে আমরা সচরাচরের চাইতে ভিন্নরূপে দেখতে পাই। ফেলুদা, গুপী-বাঘা আর অপু-দুর্গাকে একসূত্রে গাঁথা লেখাটি পাঠকদের ভাল লাগবে জানি, তাই সবার জন্যে আজ সেটি তুলে দেওয়া – সত্যজিৎ রায়ের একেই বলে শুটিং

Ekei Bale Shooting (Now This is What I Call Shooting) – Satyajit Ray

Sonar Kella, Gupi Gain Bagha Bain, Joy Baba Felunath, Heerak Rajar Deshe and Pather Panchali – do you know what these names have in common? If you are a fan of Satyajit Ray’s cinema, then you already do – they are some of the famous films directed by the man who was one of the world’s greatest movie-directors of all time. Fans of Feluda should immediately recognize two of the names – the original stories, Sonar Kella and Joy Baba Felunath, were written by Ray himself. And while Pather Panchali the novel was written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay and Gupi-Bagha by Upendrakishore Ray, it was through Satyajit’s cinematic renditions that they achieved widespread fame. It is not hard to imagine that Ray himself would have a thing or two to write about his life as a movie-director, which is what we find in Ekei Bale Shooting (Now This is What I Call Shooting) – a light reminiscence that endears not only Ray himself, but also the world of show-business and ordinary people across India to us, and also makes us see well-known literary characters in an entirely new light. For the readers, therefore, this wonderful read – Ekei Bole Shooting – a thread that links Feluda, Gupi-Bagha, and Apu-Durga together.

গল্প ১১১ – ফেলুদা – লন্ডন এ ফেলুদা / Story 111 – Feluda – London e Feluda (Feluda in London)

satyajit-ray-feluda-london-e-feluda

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Feluda – London e Feluda

ফেলুদার গল্প – লন্ডনে ফেলুদা – সত্যজিৎ রায়

দুই বন্ধু, একটি দুর্ঘটনা, একটি মৃত্যু, একজন মানুষের স্মৃতি হারানো আর ফেরার মাঝে কেটে যাওয়া চল্লিশেরও বেশি বছর, আর একটি তদন্ত – ফেলুদার আরেকটি প্রত্যাবর্তন, আর এবার শার্লক হোম্‌স এর শহরে।

Feluda’s Stories – London e Feluda (Feluda in London) – Satyajit Ray

Two friends, a boat ride and a drowning, a survivor’s loss of memory, and an investigation forty years later – yes, Feluda again, and this time, in London.

গল্প ১০৯ – ফেলুদা – কৈলাস চৌধুরীর পাথর / Galpo 109 – Feluda – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury'r Pathar

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury’r Pathar

ফেলুদার গল্প – কৈলাস চৌধুরীর পাথর – সত্যজিৎ রায়

এবার ফেলুদার প্রথম দিককার একটি গল্প। ফেলুদার অন্যান্য গল্পের তুলনায় কৈলাস চৌধুরীর পাথর কে বেশ গতানুগতিকই বলা চলে – রহস্যটির শুরু হয় কলকাতার কোন এক বনেদি চৌধুরীবাড়িতে একটি হুমকি চিঠি আসার পর থেকে। ততদিনে গোয়েন্দা হিসেবে বেশ খ্যাতি রটে যাওয়াতে ফেলুদার সেই বাড়ি থেকে তলব আসে, আর প্রাথমিক তদন্তে ফেলুদা জানতে পারে যে চৌধুরী পরিবারের বেশ মূল্যবান একটি সম্পদ আছে, যার উপর রহস্যময় হুমকিদাতার নজর থাকতে পারে। ফেলুদাও সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করে, যদিও অচিরেই তাঁর কাছে এটুকু স্পষ্ট হয়ে যায় যে ব্যাপারটি আপাতদৃষ্টিতে দেখতে যেমন, আসলে তার চাইতে অনেক বেশি গোলমেলে।

পাঠকেরা যদি নিজেরাই গোয়েন্দাগিরী করতে চান, তবে তাদের জন্যে সূত্র হিসেবে একটি শব্দ তুলে দেই – ‘নকল’। : )

Feluda’s Stories – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) – Satyajit Ray

This time, one of Feluda’s earlier exploits – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) starts with our favorite sleuth already quite famous, something that earns him a call from one of the more respected families in the city. The patriarch of the family, Mr. Kailash Chowdhury, had recently received an anonymous threat letter, and asks Feluda to investigate who might be behind it. Upon questioning his newly acquired client, Feluda learns that the Chowdhury family happens to have a rather expensive jewel, a blue beryl, that the letter-writer might be wanting to extort, and decides to investigate on that assumption. Soon, however, things take a stranger turn, and Feluda Starts to think that he might have been wrong from the very beginning…

In a way of teasing the reader, here is a one word clue – ‘fake’. Enjoy : )

গল্প ১০৭ – অপরাজিত / Story 107 – Aparajito (The Unvanquished)

 

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito 2

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito

অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

গত বছর পাঠকদের জন্যে এই সাইটে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি পথের পাঁচালী  আপলোড করেছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অপরাজিত , যাতে পথের পাঁচালীতে অপুর শুরু হওয়া পথচলা তার বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে এগিয়ে চলে নিতান্তই সাধারণ কোন বাঙ্গালী পুরুষের জীবনের চেনা বাঁকগুলো বেয়ে। পথের পাঁচালী যারা পড়েছেন, তাদের হয়তো মনে থাকবে যে গল্পটি শেষ হয় সদ্য-কিশোর অপুর নিজেকে পৃথিবীর সামনে একা আবিস্কার করার মধ্যে দিয়ে। অপরাজিত গল্পটির সমাপ্তিও তেমনই একটি নতুন যাত্রার সূচনায়। তবে ততদিনে অপু তার জীবন-মধ্যাহ্নে, যে কারণে আগের গল্পের সেই কাঁচা ছেলেটির চাইতে অনেক বেশি পোড় খাওয়া ও পরিণত একজন মানুষরূপে আমরা তাকে পাই। কিছু জিনিস বদলায়না অবশ্য – জীবনের শত প্রতিকূলতা আর অপর্ণা-লীলাদের চলে যাওয়ার পরেও অপু সেই আগের মতই সবুজ-মনের নিষ্পাপ মানুষটিই থাকে। সবাই তেমনি করে অপরাজিত থাকতে পারে?

কিশোর থেকে পুরুষ হয়ে ওঠার জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা একজন মানুষের গল্প অপরাজিত। পাঠকদের অনেকেই গল্পের অপুর মাঝে নিজেকে খুঁজে পাবেন জানি, তাই আমাদেরই কারো না কারো যাপিত জীবনের হাসি-কান্না নিয়ে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটি আজ তুলে দিলাম।

Aparajito (The Unvanquished) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

It has been quite a few months since I uploaded Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s Pather Panchali (Song of the Road) on this site. This time, in a follow up to it, an absolute masterpiece of a sequel: Aparajito (The Unvanquished) takes off where Pather Panchali had left the young Apu – alone and facing this world for the first time. And in this story, the bildungsroman continues, in the same, beautifully human tone that we find in the first. Life is more real this time, though – Apu has to care for himself and his mother in a world that could not care less about his struggles, and later, for a son who is only a reflection of Apu’s younger self. And through it all, he strives to keep his dreams and ideals alive in the face of the harsh reality that surrounds him, and has to hold himself together even as the people he comes to love depart one by one. Perhaps the plot sounds familiar? It is a ‘coming of age’ story that every man lives out, after all – a most beautiful bildungsroman. I hope you will like it… and if you have ever felt like a little boy who has had to grow up all too soon, I know you will.

গল্প ১০৫ – ফেলুদা – কৈলাসে কেলেঙ্কারী / Story 105 – Feluda – Kailash e Kelenkari (A Killer In Kailash)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari

ফেলুদার গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – সত্যজিৎ রায়

অনেকদিন পর এই সাইটে আবার ফেলুদা – আর এবার এমনই একটি গল্পে, যা এতদিনের বিরতিকে ন্যায্যতা দেওয়ার মতই রহস্য-রোমাঞ্চে ঠাসা। ফেলুদার গল্পগুলোর বেশিরভাগই সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন কোন ব্যক্তিবিশেষ কিংবা পরিবারকে ঘিরে কোন রহস্যকে নিয়ে – যেমনটা আমরা পাই এবার কাণ্ড কেদারনাথে কিংবা ছিন্নমস্তার অভিশাপ এর মত গল্পগুলোতে। কৈলাসে কেলেঙ্কারী সেদিক দিয়ে একটু আলাদা – এই গল্পে ফেলুদাকে লড়তে হয় এমনই একটি চক্রের সাথে, যাদের নাগাল ভারতের প্রতিটি কোণে, আর যাদের কাছ থেকে নিজেকে ও তোপসেদের মুক্ত রাখতে প্রায় পুরো গল্পজুড়েই ফেলুদাকে থাকতে হয় আমাদের অগোচরে। পাঠকদের একটু সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে গল্প থেকে দুটো অনুচ্ছেদ তুলে দেই –

“কেন মুশকিল কেন?… তবে একটা কথা বলি – একটা অ্যাডভাইস, অ্যাজ এ ফ্রেন্ড – এই সব র‍্যাকেটের পেছনে মাঝে মাঝে এক একটা দল থাকে – গ্যাং – এবং তারা বেশ পাওয়ারফুল হয়। গায়ের জোর বলছি না। পয়সার জোর। পোজিশনের জোর। শিক্ষিত অবস্থাপন্ন লোকেরা যখন নোংরা কাজে নামে, তখন সাধারণ ক্রিমিনালদের চেয়ে তাদের বাগে আনা অনেক বেশি শক্ত হয়, জানেন তো?”

আর এটা ফেলুদার –

“(এটা) আরও বেশি প্রেশাস। চুনি পান্না পৃথিবীতে হাজার হাজার আছে, ভবিষ্যতে সংখ্যায় আরও বাড়বে। কিন্তু কৈলাসের মন্দির বা সাঁচির স্তূপ বা এলিফ্যান্টার গুহা – এসব একটা বই দুটো নেই। হাজার-দু হাজার বছর আগে আমাদের আর্ট যে হাইটে উঠেছিল সে হাইটে ওঠার কথা আজকের আর্টিস্ট ভাবতেই পারে না। সুতরাং সে যুগের আর্ট দেশে যা আছে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। যারা তাকে নষ্ট করতে চায় তারা ক্রিমিন্যাল। আমার মতে ভূবনেশ্বরের যক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। যে করেছে তার কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।”

অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী ও গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র… তিন ‘প’তে মিলে ফেলুদার আরেকটি দুর্দান্ত গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – পাঠকদের জন্যে।

Feluda’s Adventures – Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash)

A long break later, a Feluda upload again – and this time, a story that is certainly worth the long wait that has been for some of you. While most of Feluda’s stories were centred on mysterious families and/or individuals (Chinnamaster Abhishap and Ebar Kando Kedarnath e are cases in point) Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash) is a big departure from that trend – in this story, our favorite sleuth faces a syndicate that not only is pan-Indian in its reach, but also murdurous in its smuggling of ancient Indian artifacts abroad. Interestingly, unlike Feluda’s other adventures, this story is one with a somewhat nationalistic tone – a generous dose of James Bond added to the usual Holmesian narrative, if you ask me… but far from diluting the plot, that only adds to its thrill. ‘For your eyes only’, therefore, this upload. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 2

গল্প ১০২ – ফেলুদা – বোসপুকুরে খুনখারাপি / Story 102 – Feluda – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur)

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi

ফেলুদার গল্প – বোসপুকুরে খুনখারাপি – সত্যজিৎ রায়

পুনরায় ফেলুদা। বোসপুকুরের আচার্য পরিবারের তিন সন্তান – দেবনারায়ণ, হরিনারায়ণ আর ইন্দ্রনারায়ণ। প্রথম দুজন বড় চাকুরে আর পরিবারের মান অটুট রেখে চলা ভদ্রলোক হলেও ইন্দ্রনারায়ণ ছিলেন একটু অদ্ভূত – গান-বাজনা নিয়ে থাকা মানুষটি যোগ দিয়েছিলেন ভারত অপেরা নামের একটি যাত্রার দলে।  ভাইয়েরা তাকে গ্রাহ্য না করলেও নাট্যলেখক হিসেবে বেশ খ্যাতিমানই হয়ে ওঠেন তিনি – আর সেই খ্যাতিই হয়তোবা তার বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার এবং তা হতে আপাতদৃষ্টিতে অনেক দূরের যাত্রার জগৎকে এক সুতোয় গাঁথা সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি ফেলুদা রহস্যোপন্যাস – বোসপুকুরে খুনখারাপি

Feluda’s Stories – Bosepukur e Khunkharapi (Murder in Bosepukur) – Satyajit Ray

One of the more intriguing Feluda stories this time. The Acharyas of Bosepukur are a well-known family, headed by an octogenarian patriarch who has his three sons . The older two, who hold big positions, uphold the family name in the traditional sense. However, Indranarayan, the youngest, is a bit of a black-sheep, and much to his brothers’ chagrin, joins a theatre, where his fame as a writer eventually outstrips those of his snobbish siblings. But fame also creates enemies for Indranarayan, who fails to safeguard himself against them, until it is too late. A mystery that ties the tensions in an elite family with the world of Theatre, Bosepukur e Khunkharapi is a Feluda novel fit for your lazy afternoons. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Bosepukur e Khunkharapi (2)

গল্প ৯৯ – ফেলুদা – বাক্স রহস্য / Story 99 – Feluda – Baksho Rahasya (The Mystery of the Box)

Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya

ফেলুদার গল্প – বাক্স রহস্য – সত্যজিৎ রায়

এই সাইটের পাঠকেরা যে ফেলুদার গল্প পড়তে এত ভালবাসে(ন), তা সাইটটির পরিসংখ্যান না ঘাটলে কি আর জানতাম? ফেলুদার যে কয়টি গল্প এর আগে পোস্ট করেছি, সেগুলোর প্রায় সবগুলোতেই ক্লিক পড়েছে অনেক, তাই সেকথা মাথায় রেখেই পাঠকদের মধ্যে যারা গোয়েন্দা-গল্পের পোকা, তাদের জন্য ফেলুদার আরেকটি গল্প তুলে দিলাম : )

ফেলুদার যত গল্প সত্যজিৎ রায় লিখেছেন, সেগুলোর মধ্যে বাক্স রহস্যই হয়তো সবচেয়ে অভিনব। গল্পের শুরুতে দীননাথ লাহিড়ী নামের এক বনেদি মক্কেল ফেলুদার কাছে আসা নিয়ে। ভদ্রলোক কিছুদিন আগে ট্রেনে করে দিল্লি থেকে ফিরছিলেন, আর যাত্রার সময় তার একটি বাক্স অচেনা এক যাত্রীর ঠিক একই রকম দেখতে আরেকটি বাক্সের সাথে অদল-বদল হয়ে যায়। দীননাথবাবুর বাক্সে মূল্যবান কোন জিনিস না থাকলেও অন্তত অন্য অচেনা ভদ্রলোকটি যাতে তার বাক্স ফেরত পান, সেজন্যেই তিনি ফেলুদার শরণাপন্ন হন। ব্যাপারটার অভিনবত্ব দেখে ফেলুদাও বাক্সটি ফেরত দেওয়ার দ্বায়িত্ব নিতে রাজি হয়। কিন্তু এই আপাতদৃষ্টিতে সহজ এই কাজটি করতে গিয়ে যে ফেলুদাকে শেষ পর্যন্ত তার সবচেয়ে তুখোড় প্রতিদ্বন্ধী ও একজন বেপরোয়া অপরাধীর সাথে লড়াই করতে হবে, তা কে জানত? যারা ফেলু মিত্তিরের ভক্ত, তাদের নিঃসন্দেহে এই গল্পটি ভাল লাগবে, আর যাদের এখনো ভক্ত হতে বাকি, তাদের জন্যে এটির চাইতে ভাল ঔষধ আর কি হয়? সবার জন্যে তাই বাক্স রহস্য গল্পটি তুলে দিলাম। : )

Feluda’s Stories – Baksho Rahasya (The Mystery of the Box) – Satyajit Ray

Of the stories I have posted here so far, those of Feluda seem to be the most popular among my readers. So in response to popular demand, here is another: Baksho Rahasya (The Mystery of the Box) is perhaps one of the most unusual of Feluda’s cases. The story starts with the arrival of a rich gentleman named Dinnath Lahiri at Feluda’s house. A few days earlier, Mr. Lahiri was returning by train from Delhi to Kolkata, when a box (case) he owned was mistakenly exchanged with an identical one belonging to an unknown passenger. Mr. Lahiri did not really care to get his own back, but he wanted to return the box he had to its original owner out of courtesy, so he asks for Feluda’s help. Feluda accepts the case. But the seemingly innocuous problem is to lead to more difficult and dangerous onces – an encounter with a reckless criminal, and a battle with one of the cleverest adversaries Feluda would ever come across. In my opinion, Baksho Rahasya is one of the best of Feluda’s adventures, and I hope the readers will like this as much as I did, if not more. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Baksho Rahasya 2

গল্প ৯৮ – ফেলুদা – শেয়াল দেবতা রহস্য / Story 98 – Feluda – Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery)

Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya

ফেলুদার গল্প – শেয়াল দেবতা রহস্য – সত্যজিৎ রায়

শেয়াল দেবতা রহস্য ফেলুদার প্রথম দিককার গল্পগুলোর একটি। তোপসে তখনো ছোট, আর ফেলুদাকেও আমরা তাই দেখতে পাই তাঁর ক্ষুদে সহকারীর চোখ দিয়ে। তখন পূজোর ছুটি, আর ফেলুদা আর তোপসে দুজনেরই হাত-পা ঝাড়া, এমন সময় নীলমণি সান্যাল বলে এক ভদ্রলোক ফেলুদার সাথে যোগাযোগ করেন। লটারীর পয়সায় লাল হয়ে যাওয়া নীলমণিবাবুর জীবনটা বেশ নির্ঝঞ্ঝাটই ছিল, আর প্রাচীন জিনিস সংগ্রহ করা ছাড়া আর কাজও ছিলনা তার। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে তার কাছে আজগুবি ভাষায় লেখা কিছু বেনামী চিঠি আসায় তিনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। ফেলুদা চিঠিগুলো দেখে বুঝতে পারে যে সেগুলো প্রাচীন মিশরের হিয়েরোগ্লিফিক ভাষায় লেখা, আর নীলমণিবাবুকে প্রশ্ন করায় তিনি বলেন যে এক সপ্তাহ আগে এক নীলামে অদ্ভুত একটি মূর্তি তিনি কেনেন, আর তারপর থেকেই চিঠিগুলো আসতে শুরু করে। ফেলুদা মূর্তিটা দেখেই প্রাচীন মিশরীয় দেবতা আনুবিসের বলে চিনতে পারে, কিন্তু তাঁর তখনো ধারণা ছিলনা যে চিঠিগুলো আর আনুবিসের মূর্তির রহস্যটি কোথায় গড়াতে চলেছে।

Feluda’s Stories – Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery) – Satyajit Ray

One of the earlier cases of Feluda, Sheyal Debota Rahasya (The Anubis Mystery) is one in which we see Feluda through the eyes of a much younger Topshe. The story starts during the Puja holidays, with a phone call from some Nilmani Sanyal in need of Feluda’s help. One of those fortunate lottery winners whose names we read on paper, Mr. Sanyal had been an avid collector of curios for a while. In recent days, however, he had received some anonymous letters written in some code of which he could make no sense, and worried that this could mean nothing good, he had called. Upon meeting Mr. Sanyal, Feluda immediately recognizes the writing as Hieroglyphic – the language of ancient Egypt, and when he asks Mr. Sanyal if he has bought anything valuable recently, Mr. Sanyal produces a statue – of Anubis, the ancient Egyptian God of the Afterlife. Feluda feels that he is onto something, but he has no idea of the mystery to follow.

Satyajit Ray-Feluda-Sheyal Debota Rahasya 2

গল্প ৯৬ – ফেলুদা – রয়েল বেঙ্গল রহস্য / Story 96 – Feluda – Royal Bengal Rahasya (The Royal Bengal Mystery)

Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya

ফেলুদার গল্প – রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

এবার ফেলুদার আরেকটি গোয়েন্দাকাহিনী। কলকাতায় তখন গ্রীষ্ম, আর ফেলুদারাও বসে, তেমনই এক সময় ডুয়ার্স হতে মহীতোষ সিংহরায় নামের এক জমিদারের কাছ থেকে লালমোহন বাবুর কাছে এক নিমন্ত্রণপত্র আসে। মহীতোষবাবুর সাথে লালমোহন বাবুর পত্রালাপ থাকলেও ফেলুদার সাথে ছিল না, কিন্তু তার চিঠির শেষটুকু ছিল এইরূপ –

“আপনার বন্ধু শ্রীপ্রদোষ মিত্র মহাশয়ের ধুরন্ধর গোয়েন্দা হিসাবে খ্যাতি আছে বলিয়া শুনিয়াছি। আপনি তাহাকে সঙ্গে করিয়া আনিতে পারিলে তিনি হয়তো আমার একটা উপকার করিতে পারেন। কি স্থির করেন পত্রপাঠ জানাইবেন।”

অতঃপর ফেলুরাদের ডুয়ার্সের উদ্দেশ্যে যাত্রা, আর রয়েল বেঙ্গল রহস্যের শুরু। মহীতোষবাবুর জমিদারীতে পৌঁছানোর পর ফেলুদারা জানতে পারেন যে সিংহরায় পরিবারের এক পূর্বপুরুষ এককালে বহু পারিবারিক ধনরত্ন পাগলামীর বশে এক গোপন জায়গায় লুকিয়ে  তা খুঁজে বের করার জন্যে একটি ধাঁধা রেখে গিয়েছিলেন। ফেলুদার কাছে অবশেষে তাদের নিমন্ত্রিত হওয়ার মূল কারণটি স্পষ্ট হয়, আর কাজটি নিতে ফেলুদা সম্মতও হয়। কিন্তু সেই রাতেই বনের মাঝে লোকজনের গোপন আনাগোনা তার চোখে পরে, আর পরদিন বনের মধ্যে মহীতোষ বাবুর সহকারী তড়িৎবাবুর বাঘে-খাওয়া লাশের সন্ধান মেলে। ফেলুদা দুটো রহস্যই উদঘাটনের সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্ত তার ফলে সিংহরায় পরিবারের অনেক অপ্রিয় গোপন কথা এক এক করে বেরিয়ে আসতে শুরু করে।

রয়েল বেঙ্গল রহস্যের শুরুতেই সত্যজিৎ রায় গল্পের ধাঁধাটি তুলে দিয়েছিলেন, আমিও পাঠকদের সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে নাহয় তাই করি। তাছাড়া ছায়াছবি দেখতে যারা ভালবাসেন, তাদের জন্যে সত্যজিৎ রায়ের গল্পটি থেকে বানানো সিনেমাটির ইউটিউব লিঙ্কটিও নিচের ছবিটিতে সংযুক্ত করে দিলাম।

মুড়ো হয় বুড়ো গাছ
হাত গোন ভাত পাঁচ
দিক পাও ঠিক ঠিক জবাবে।

ফাল্গুন তাল জোড়
তার মাঝে ভুঁই ফোঁড়
সন্ধানে ধন্দায় নবাবে।

Feluda’s Stories – Royal Bengal Rahasya (The Royal Bengal Mystery) – Satyajit Ray

In this upload, another Feluda Adventure: During an unbearable summer in Kolkata, Lalmohan Babu receives an invitation to visit from an acquaintance, Mohitosh Singha Roy, a rich zamindar from Assam. In the letter, Feluda is invited as well, with a hint from Mr. Singha Roy that Feluda would be able to do a favor to him. Feluda and co. accept, and a few days later, arrive in Mr. Singha Roy’s estate in the forests of Dooars. It turns out that a long time ago, one of Mr. Singha Roy’s ancestors had hidden his family’s treasure, and ciphered the location in six lines of rhyme that had remained with the Singha Roy family since. Feluda accepts the challenge to decode it, but that very night, Mohitosh Babu’s secretary disappears and his partially eaten body is found in the forest the next day. Feluda is now left with two mysteries to solve, with the shadow of a man-eating tiger looming large over it all.

For those who love movies, a link to the YouTube video is the in the picture below.

Satyajit Ray-Feluda-Royal Bengal Rahasya 2

গল্প ৯৩ – পথের পাঁচালী / Story 93 – Pather Panchali (Song of the Road)

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Pather Panchali

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Pather Panchali

পথের পাঁচালী – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি গল্প। পথের পাঁচালী র সারমর্ম পাঠকদের জন্য তুলে ধরার মত ক্ষমতা আমার নেই, কিন্তু বাংলা সাহিত্যের অমর এই সৃষ্টিটিকে কি ভূমিকা ছাড়া এই সাইটে উপস্থাপন করা যায়? তাই এই ভণিতাটুকু। পথের পাঁচালী আমাদের চিরচেনা গ্রামবাংলারই কোনো এক প্রান্তে একটি নিম্নবিত্ত পরিবারের জীবনকাহিনী, যাতে বিভূতিভূষণ পরিবারটির হাসি-কান্না, স্বপ্ন আর সংগ্রামের ছবি তুলে ধরেছেন অবিশ্বাস্য নিপুণতায়। এই সাইটে তোলা বিভূতিভূষণের আগের গল্পগুলোর মতো এটিও বিশেষ কোন পরিণতিকে উদ্দেশ্য করে নয়, বরং লেখা সাধারণ সব মানুষদের জীবনের নগণ্য সব ঘটনা নিয়েই। উদাহারণস্বরূপ গল্পটির মূল চরিত্র ছোট্ট অপুর জীবন থেকে একটি ঘটনা তুলে দেই –

বিশু ডানপিটে ছেলে, তাহাকে দৌড়িয়া ধরা কি খেলায় হারানো সোজা নয়। একবার অমলা স্পষ্টতই বিরক্তি প্রকাশ করিল। অপু প্রাণপণে চেষ্টা করিতে লাগিল যাহাতে সে জেতে, যাহাতে অমলা সন্তুষ্ট হয় – কিন্তু বিস্তর চেষ্টা সত্ত্বেও সে আবার হারিয়া গেল।

সে-বার দল গঠন করিবার সময় অমলা ঝুঁকিল বিশুর দিকে।

অপুর চোখে জল ভরিয়া আসিল। খেলা তাহার কাছে হঠাৎ বিস্বাদ মনে হইল – অমলা বিশুর দিকে ফিরিয়া সব কথা বলিতেছে, হাসিখুসি সবই তাহার সঙ্গে। খানিকটা পরে বিশু কি কাজে বাড়ী যাইতে চাইলে অমলা তাহাকে বার বার বলিল যে, সে যেন আবার আসে। অপুর মনে অত্যন্ত ঈর্ষা হইল, সারা সকালটা একেবারে ফাঁকা হইয়া গেল! পরে সে মনে মনে ভাবিল – বিশু খেলা ছেড়ে চলে যাচ্ছে – গেলে খেলার খেলুড়ে কমে যাবে, তাই অমলাদি ঐরকম বলছে, আমি গেলে আমাকেও বলবে, ওর চেয়েও বেশি বলবে। হঠাৎ সে চলিয়া যাইবার ভান করিয়া বলিল – বেলা হয়ে যাচ্ছে, আমি যাই নাইবো। অমলা কোনো কথা বলিল না, কেবল কামারদের ছেলে নাড়ুগোপাল বলিল – আবার ও-বেলা এসো ভাই!

অপু খানিক দূর গিয়া একবার পিছনে চাহিল – তাহাকে বাদ দিয়া কাহারও কোনো ক্ষতি হয় নাই। পুরাদমে খেলা চলিতেছে, অমলা মহা উৎসাহে খুঁটির কাছে বুড়ি হইয়া দাঁড়াইয়াছে – তাহার দিকে ফিরিয়াও চাহিতেছে না।

অপু আহত হইয়া অভিমানে বাড়ি আসিয়া পৌঁছিল, কাহারও সঙ্গে কোনো কথা বলিল না।

ভারি তো অমলাদি! না চাহিল তাহাকে – তাতেই বা কি?…

উপরের লেখাটি পড়লে ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া তেমনই কোন ঘটনার কথা মনে পড়ে, তাই না? বাংলা সাহিত্যিকদের মধ্যে গ্রামীণ সমাজ আর শিশুমনকে একইসাথে বিভূতিভূষণের মতো অবলীলায় তুলে ধরতে আর কেউ বোধহয় পারেননি, আর তাঁর ক্ষমতার উৎকর্ষ যদি কোথাও ঘটে থাকে, তা এই গল্পতেই।পথের পাঁচালী  শুধু পল্লীবাংলার অকৃত্তিম প্রতিচ্ছবিই নয়, তার বুকে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ছেলেমানুষী হাসি-কান্নার দিনলিপিও। আর সেই অনন্যতাস্বরূপই বাংলা সাহিত্যে ছাড়িয়ে সমগ্র বিশ্বসাহিত্যেই হয়তো গল্পটি অদ্বিতীয়। অসাধারণ এই গল্পটি ছাড়া এই সাইটটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, তাই আজ পাঠকদের জন্যে এটি তুলে দিলাম।

(প্রসঙ্গত – যারা আগে জানতেন না, সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী  কিন্তু বিভূতিভূষণের এই গল্পকে ঘিরেই লেখা। সত্যজিৎ রায়ের অতুলনীয় নির্দেশনার কারণে গল্পটি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করেছে সন্দেহ নেই, তবে চলচ্চিত্রের সৌন্দর্যের মূলটুকু কিন্তু সত্যজিৎ খুঁজে পেয়েছিলেন তার প্রিয় এই গল্পটির মধ্যেই। পথের পাঁচালী  চলচ্চিত্রটি বানানো নিয়ে সত্যজিৎ তাঁর একেই বলে শুটিং  স্মৃতিচারণার একটি অধ্যায় লিখেছিলেন – পাঠকদের সেটিও পড়বার আমন্ত্রণ রইল।)

Pather Panchali (Song of the Road) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

Pather Panchali (Song of the Little Road) by Bibhutibhushan Bandyopadhyay, is one of the most celebrated works in Bangla literature. As far as accolades go, there is not much I can say that has not been already said, but it needs to be mentioned that perhaps no other work in Bangla, and even perhaps world literature, compares to the novel in its representation of a rural life from the perspective of a little boy (Apu) from a poor family. Like Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s other works, Pather Panchali too does not have a conclusion towards which it is directed. Instead, the narratives loses itself in a languid but beautiful flow that is interspersed with little Apu’s joys and sorrows – for instance, his seeing a train for the first time, and his offense at not heeded by a girl with whom he wants to play. The narrative is not even throughout, however. As Apu grows up, the realities of his world become starker, and on the last page of the novel, an adolescent Apu is left trying to become a man. In many ways, Pather Panchali is a familiar story of our childhoods, and the close-knit families from which many of us come. But it is with this ordinariness that it captures the reader, stirring up the most intimate and beautiful of childhood memories, and anchors itself to his/her heart. That every Bangalee should read this Bibhutibhushan masterpiece goes without saying. So here it is, for your eyes.

(Something that you might find interesting: The story was taken to the global audience by eminent Indian film director Satyajit Ray, whose début with Pather Panchali (Song of the Little Road), brought him and his genre of Indian cinema critical acclaim across the world. Ray’s personal account of the making of the film can be found in his autobiography Ekei Bole Shooting. While Ray’s direction was crucial in presenting the narrative, he always took particular care to acknowledge Bibhutibhushan’s influence on him. Those who have read Feluda’s stories will know that Bibhutibhushan was the sleuth’s favorite writer. )

গল্প ৯২ – ফেলুদা – জয় বাবা ফেলুনাথ / Story 92 – Feluda – Jay Baba Felunath

Satyajit Ray-Feluda-Jay Baba Felunath 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Jay Baba Felunath

ফেলুদার গল্প – জয় বাবা ফেলুনাথ – সত্যজিৎ রায়

মৌসুমটা যখন পূজোর, তাই এবারের গল্পটাও নাহয় সময়টার মতই জমজমাট হোক। জয় বাবা ফেলুনাথ ও কিন্তু পুজোর সময়েরই গল্প, তবে এতে ফেলুদার গোয়েন্দাগিরী বাংলাতে নয়, ঘটে কাশীর সরু গলিগুলোর মধ্যে। দশাশ্বমেধ ঘাট আর বিশ্বনাথের শহর কাশীতে ফেলুদাদের যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল পুজোর ছুটি কাটানো, কিংবা লালমোহনবাবুর ভাষায় “কাশী, (ফেলুদার তদন্তের) কেস আর (কাশীতে ঘুরে প্লট জোগাড় করে তা নিয়ে লিখে লালমোহন বাবুর) ক্যাশ” জোটানো। শেষ পর্যন্ত যা হয়, তা তোপ্‌সের বর্ণনায় –

বেনারস গিয়ে লালমোহনবাবু গল্পের প্লট পেয়েছিলেন ঠিকই; তবে ফিরে আসার দুমাস পরে বড়দিনে তার যে রহস্য উপন্যাসটা বেরোল, সেটার সাথে টিনটিনের একটা গল্পের আশ্চর্য মিল।

ফেলুদার কিন্তু গিয়ে সত্যিই লাভ হয়েছিল। তা না হলে অবিশ্যি এই বইটাই লেখা হত না। ফেলুদার জীবনে সবচেয়ে ধুরন্ধর ও সাংঘাতিক প্রতিদ্বন্দীর সঙ্গে তাকে এই বেনারসেই লড়তে হয়েছিল। ও পরে বলেছিল – ‘এইরকম একজন লোকের জন্যই অ্যাদ্দিন অপেক্ষা করছিলাম রে তোপ্‌সে। এ সব লোকের সঙ্গে লড়ে জিততে পারলে সেটা বেশ একটা টনিকের কাজ দেয়।’

গোয়েন্দা সাহিত্যে নায়কের কৃতিত্বের সিংহভাগই যে খলনায়কের কারণেই, জয় বাবা ফেলুনাথ  এর মগনালাল মেঘরাজ তার অখন্ডনীয় প্রমাণ। গল্পটা কিভাবে শেষ হয়, তা তো জানাই। কিন্তু প্রথম আর শেষের মাঝখানে ঠাসা যেই টানটান উত্তেজনা, তাতো আর সেটি না পড়লে বোঝার নয়। তাই এই পূজোয় পাঠকদের জন্যে আজ ফেলুদার আর মগনলালের রোমহর্ষক সংঘর্ষের কাহিনী – জয় বাবা ফেলুনাথ । শারদীয় শুভেচ্ছা রইল।

Feluda’s Stories – Jay Baba Felunath – Satyajit Ray

For about half of us Bangalees, it is that wonderful time of the year again. And the season demands that everything else measures up to it, does it not? So this time, as the season’s greetings from yours truly, an upload that is perhaps the best of the Feluda series. Imagine yourself in a few days from now, celebrating this year’s Durga Puja, but not in Kolkata or some other place in Bangla. Instead, you are in Kashi, the old and colorful city of temples and narrow lanes, of ghats on the Ganga, and of gangsters and godfathers. Now, imagine you are a sleuth, and that a local Bangalee in distress asks for your help on a case. You accept, only to find yourself against the godfather of the city, Maganlal Meghraj, whose goons lurk in every corner of Benares. What would you do? What would Feluda do against the man who is every bit of Moriarty as he is to Holmes, and more? The answer is in Jay Baba Felunath, attached here for your reading pleasure.

Satyajit Ray-Feluda-Jay Baba Felunath 2

গল্প ৯০ – ফেলুদা – রবার্টসনের রুবি / Story 90 – Feluda – Robertson er Ruby (Robertson’s Ruby)

Satyajit Ray-Feluda-Robertson er Ruby (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Robertson er Ruby

ফেলুদার গল্প – রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

আরেকবার ফেলুদা, তবে এটি পাহাড় কিংবা নগর নয়, বরং বাংলারই বীরভূমকে পটভূমি করে লেখা। গল্পটি যার পূর্বপুরুষের পান্নাকে (রুবি) নিয়ে, সেই রবার্টসনের সাথে ফেলুদাদের প্রথম পরিচয় হয় বীরভূমে যাওয়ার ট্রেনে, যা পরে সখ্যে গড়ায়। ভারতপ্রেমী রবার্টসন তার আলোকচিত্রী বন্ধু টম ম্যাক্সওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে বীরভূম যাচ্ছিলেন পোড়ামাটির স্থাপত্যকলার স্থানীয় কিছু নিদর্শন দেখতে। তবে তার কাছে যে ভারত থেকে তারই ব্রিটিশ পূর্বপুরুষের লুঠ করা এক বহুমূল্য পান্না আছে, আর তা যে তিনি ভারতে ফেরত দিতে এসেছেন, সে খবর চাউর হয়ে যাওয়ায় অনেকেরই অনাকাঙ্খিত নজর পড়ে তার উপর। ব্যাপারটা ফেলুদার চোখে পড়লেও তার চিন্তার কারণ ছিল অন্য – ম্যাক্সওয়েল, যার ঔদ্ধত্য আর ভারতবিদ্বেষ শুধু পান্নাটিরই নয়, এমনকি রবার্টসনদের নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলে দেয়।

************************

সত্যজিৎ রায়ের গল্পগুলি বাস্তব চরিত্রদের দ্বারা কতটুকু অনুপ্রাণিত, তা নিয়ে বোধহয় খুব বেশি গবেষণা হয়নি, তবে রবার্টসনের রুবিতে লেখকের একজন বন্ধুর উল্লেখ আমরা পাই – ডেভিড ম্যাককাচন, যিনি বাংলার পোড়ামাটির স্থাপত্যকলা নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছিলেন। রবার্টসনের রুবি সত্যজিৎ প্রকাশ করার কিছুদিন আগে ম্যাককাচন মারা যান, তাই মনে হয় গল্পটিতে ম্যাককাচনের প্রশংসাটুকু হয়তো সত্যজিৎ পুরোনো বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী হিসেবে লিখেছিলেন।

Satyajit Ray-Feluda-Robertson er Ruby (2)Feluda’s Stories – Robertson er Ruby (Robertson’s Ruby) – Satyajit Ray

Feluda again, and this time, a bit closer to home. Robertson er Ruby starts with Feluda and company on a train journey to a vacation in Birbhum, when they meet and befriend Peter Robertson, an India-enthusiast who was traveling across the country with his friend, photographer Tom Maxwell. Although foremost a traveler, Peter was unique from other visitors, for he had come to India to return a priceless ruby that his great-great grandfather had looted during the British occupation of India. However, the ruby had also made him a target of collectors and potentially, criminals. Feluda saw travel ahead even as he befriended Robertson, but his unease would only be exacerbated by Maxwell, whose anti-Indian sentiment and superiority complex would put the entire party on the wrong side of the locals.

************************

While notable for its pro-Indian sentiment and storyline alone, Robertson er Ruby is also perhaps unique in the sense that in the story, Satyajit Ray refers to a close friend – David McCutchion, who pioneered the academic study of the terracotta temples of Bangla. MuCutchion had probably died shortly before the story was published, and the Ray’s praise of McCutchion through the voice of Feluda can perhaps be regarded as a tribute to an old friend.

গল্প ৮৯ – ফেলুদা – গ্যাংটকে গণ্ডগোল / Story 89 – Feluda – Gangtok e Gandogol (Trouble in Gangtok)

Satyajit Ray-Feluda-Gangtok e Gandogol 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Gangtok e Gandogol

ফেলুদার গল্প – গ্যাংটকে গণ্ডগোল – সত্যজিৎ রায়

“বাগডোগরা বলতে অনেকেই মনে করবে, আমরা হয়তো দার্জিলিং কিম্বা কালিম্পং যাচ্ছি। আসলে তা নয়। আমরা যাচ্ছি সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকে। এর আগে গ্রীষ্মের ছুটিতে দুবার দার্জিলিং গেছি; এবারও প্রথমে দার্জিলিং-এর কথাই হয়েছিল, কিন্তু শেষ মূহূর্তে ফেলুদা গ্যাংটকের নাম করল। বাবার হঠাৎ ব্যাঙ্গালোরে একটা কাজ পড়ে গেল বলে উনি আর এলেন না। বললেন, ‘তুই পরীক্ষা দিয়ে বসে আছিস, ফেলুরও ছুটি পাওনা হয়েছে – দিন পনেরোর জন্য ঘুরে আয়। কলকাতায় বসে ভ্যাপসা গরমে পচার কোনও মানে হয়না।’”

অতঃপর ফেলুদার সবচেয়ে রোমাঞ্চকর গল্পগুলির মধ্যে একটি – গ্যাংটকে গণ্ডগোল। গল্পের শুরুর ছুঁতোটুকু ভ্রমণ হলেও আসল উপলক্ষ্যটা যে রহস্য উদঘাটন, তা তো পাঠকদের জানাই। তবে এর বেশি বললে গল্পের মজাটা নষ্ট হয়ে যাবে, তাই পাঠকদের জন্য গল্প থেকে কটি সূত্র তুলে দিলাম – তিব্বত, পাথর, যমন্তক, বৌদ্ধমঠ, শেলভাঙ্কার, ছদ্মবেশ আর জোঁক – ব্যাস, বাকিটুকু নাহয় লিংকেই থাকল!

Feluda’s Stories – Gangtok e Gandogol (Trouble in Gangtok) – Satyajit Ray

Another of Feluda’s adventures, on set on the mountainous terrains of Sikkim. In Gangtok e Gandogol (Trouble in Gangtok), Feluda and Topshe, who had gone to the town for a vacation, learns about the death of Shivkumar Shelvankar, a rich businessman who was in town for business in a car crash. The death is initially presumed to be an accident, but as Feluda learns more about the circumstances preceding Shelvankar’s visit and the people he knew, the less sure he becomes. Feluda’s suspicions do not escape the notice of those on the lookout, and before long, the sleuth finds himself and his cousin inextricably entangled in a danger.

Satyajit Ray-Feluda-Gangtok e Gandogol 2

গল্প ৮৮ – ইছামতি / Story 88 – Ichamati

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Ichamati 2

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Ichamati

ইছামতি – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

কিছুদিন আগে এই সাইটে বিভূতিভূষণের গল্পগুলোতে “সময়ের শান্ত স্রোতে (চরিত্রদের জীবন) ধীরে ধীরে একটি নিরুদ্বেগ অবধারিতের” দিকে প্রবাহিত হওয়া নিয়ে লিখেছিলাম। সে সময় আলোচ্য লেখাটি ছিল আরণ্যক ইছামতি  উপন্যাসটিও সেক্ষেত্রে অনেকটা আরণ্যকের মতই, তবে এই গল্পটির পটভূমি বিহার নয়, বাংলাদেশ আর ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে বয়ে গেছে যে ইছামতি নদী, তারই ধারের পাঁচপোতা নামের একটি গ্রাম। অবিভক্ত ভারত তখনো ব্রিটিশদের দখলে, আর মোল্লাহাটির নীলকুঠির অবস্থাও তখন রমরমা। কুঠির দেওয়ান কুলীন ব্রাহ্মন রাজারাম রায়, যার প্রতাপে সারা গ্রাম তটস্থ থাকে। গল্পের শুরুতে রাজারামের তিন বোন তিলু, বিলু আর নিলুর বিয়ে হয় গ্রামে ঘুরতে আসা ভবানী বাড়ুয্যে নামের আরেকজন কুলীনের সাথে। আর যদিও বিভূতিভূষণের এই উপন্যাসটি বিশেষ কোন চরিত্রকে নিয়ে লেখা নয়, গল্পের পরবর্তীটুকুতে মূলত ভবানী ও তার স্ত্রীদের চোখ দিয়েই গ্রামটির সাথে ধীরে ধীরে আমাদের পরিচয় ঘটে।

ইছামতি  উপন্যাসটি যে সময়ের উপর ভিত্তি করে লেখা, তখন নদীপাড়ের জনপদগুলি সেকেলে বাঙ্গালী সমাজের মতই গোঁড়ামী আর কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল। জাতপ্রথা আর নারীর অবদমন থেকে শুরু করে ভারতীয় সমাজের বৃটিশ-আরাধনা আর দুর্বলদের উপর নিপীড়ন – এর সবই উপন্যাসটিতে আমরা দেখি, কিন্তু তা সমালোচকের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং যেন পাঁচপোতার একটি নিতান্তই মানবিক দিনলিপির মাধ্যমে। গ্রামের বুড়ো ব্রাহ্মণদের পরনিন্দা-পরচর্চা, নীলকুঠির কর্মচারীদের দাদাগিরী, আর গ্রাম্যবধূদের গল্প – এসমস্ত রোজনামচার মধ্যে দিয়েই গল্পটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। অথচ তারই মধ্যে তিলুরা ঘোমটা ছাড়া রাস্তায় চলতে শেখে, গ্রামের ছেলেরা এক এক করে কলকাতায় পাড়ি জমায়, আর সাহেবদের সেই নীলকুঠি কিনে নেয় গ্রামেরই এক লালমোহন পাল, যে কম বয়সে কুঠির সাহেব মালিককে দেখে চাবুকের বাড়ি খাওয়ার ভয়ে রাস্তার উপর নিজের সওদাপাতি ফেলে পালিয়েছিল। শ্বাশত আর পরিবর্তনের মাঝে ভারসাম্য রেখে চলা সে অদৃশ্য ধারার গভীর সৌন্দর্যকে বিভূতিভূষণ যেন ইছামতির মাঝেই খুঁজে পান –

কত তরুণী সুন্দরী বধূর পায়ের চিহ্ন পড়ে নদীর দু’ধারে, ঘাটের পথে, আবার কত প্রৌঢ়া বৃদ্ধার পায়ের দাগ মিলিয়ে যায়… গ্রামে গ্রামে মঙ্গলশঙ্খের আনন্দধ্বনি বেজে ওঠে বিয়েতে, অন্নপ্রাশনে, উপনয়নে, দূর্গাপূজোয়, লক্ষীপূজোয়… সে সব বধূদের পায়ের আলতা ধুয়ে যায় কালে কালে, ধূপের ধোঁয়া ক্ষীণ হয়ে আসে… মৃত্যুকে কে চিনতে পারে? গরীয়সী মৃত্যু-মাতাকে? পথপ্রদর্শক মায়ামৃগের মতো জীবনের পথে পথে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলে সে, অপূর্ব রহস্যভরা তার অবগুন্ঠন কখনো খোলে শিশুর কাছে, কখনো বৃদ্ধের কাছে… তেলাকুচো ফুলের দুলুনিতে অনন্ত সে সুর কানে আসে… কানে আসে বনৌষধির কটুতিক্ত সুঘ্রাণে, প্রথম হেমন্তে বা শেষ শরতে। বর্ষার দিনে এই ইছামতির কূলে কূলে ভরা ঢলঢল রূপে সেই অজানা মহাসমুদ্রের তীরহীন অসীমতার স্বপ্ন দেখতে পায় কেউ কেউ… কত যাওয়া আসার অতীত ইতিহাস মাখানো ঐ সব মাঠ, ঐ সব নির্জন মাঠের ঢিপি – কত লুপ্ত হয়ে যাওয়া মায়ের হাসি ওতে অদৃশ্য রেখায় আঁকা। আকাশের প্রথম তারাটি তার খবর রাখে হয়তো…

বিভূতিভূষণ ইছামতি লেখার পর সময়ের সাথে সাথে নদীপাড়ের গ্রামগুলি বদলে গেছে অনেক। তবে গ্রামীণ বাংলার যা কিছু চিরন্তন, তাতো আর বদলায়নি, মঙ্গলশঙ্খের আনন্দধ্বনি সময়ে সময়ে নদীপারের গ্রামগুলোতে বেজে ওঠে আজও, রূপসী বধূদের পদচিহ্ন এখনো নদীপারে খানিক্ষণের জন্যে আঁকা হয়ে মুছে যায়। সে মনে করেই বাংলার নদীপাড়ের মানুষের হাসি-কান্না, স্বপ্ন আর ভালবাসা নিয়ে বিভূতিভূষণের লেখা এই উপন্যাসটি আজ পাঠকদের জন্যে তুলে দিলাম।

Ichamati – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

Following Aranyak, another of Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s novels: Ichamati is a narrative of the life along the banks of a river of the same name.  In the early 20th Century, when the subcontinent was under British occupation and indigo plantations were strewn across the undivided Bangla, a plantation by a certain Panchpota village on the river was in its heyday. The owners of that plantation were Englishmen, but their power was wielded through Bangalees who commanded subservience across the entire region. Rajaram, the dewan (secretary) of the plantation, had married off his three sisters to a former ascetic, Bhavani Bandyopadhyay, and it is the latter’s polygynous yet happy family around which the novel develops. Like any other rural Bangalee community of the time, Panchpota was not without its share of superstition, wrongs and biases – but instead of being condemned in Ichamati, those are humanised through the characters. In the novel, the anticipating reader finds the usual village folk who do their usual work – hypocritical, elderly Brahman’s who only gossip idly and criticize others, the hired goons of the plantation who grab land, and the ‘off-the-rocker’ housewife who would say things no one would (or could). Yet, around the daily routines of these people occur silent but subversive changes – Bhavani’s wives learn to walk in public without a veil, and the boys of the village go off to Kolkata to work, one by one… even the ownership of the plantation shifts to a local man. Such changes continue to shape the Indian subcontinent even today. So in that sense, Ichamati helps us understand every Bangalee village then and now. But with its heart-softening narrative of the lives along the river bank, it also offers more than an analytical window into rural Bangla, it teaches us to love her.

গল্প ৮৭ – ফেলুদা – এবার কান্ড কেদারনাথে / Story 87 – Feluda – Ebar Kando Kedarnath e (This Time in Kedarnath)

Satyajit Ray-Feluda-Ebar Kando Kedarnath e

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Ebar Kando Kedharnath e

ফেলুদার গল্প – এবার কাণ্ড কেদারনাথে – সত্যজিৎ রায়

ফেলুদার যেসব গল্পগুলোর পটভূমি পাহাড়ের কোলে, সেগুলোতে কেন জানি অন্যরকম একটা রোমাঞ্চের একটা আবহ থাকে। এবার কাণ্ড কেদারনাথেও তার ব্যতিক্রম নয়। গল্পের শুরুটা হয় ফেলুদাদের কলকাতার বাড়িতে ভারতেরই কোন এক প্রাক্তন রাজ্যের রাজসহকারীর আসা দিয়ে। উপমহাদেশ যখন ব্রিটিশদের দখলে, সেই সময় সেই রাজ্যটির রাজা চন্দ্রদেও তার রোগ সারিয়ে দেওয়ার জন্যে হৃষিকেশের একজন আয়ুর্বেদিক ডাক্তারকে গোপনে উপহারস্বরূপ একটি মহামূল্য উপহার দেন। উমাশঙ্কর পুরীর কলকাতায় আসার উদ্দেশ্য ছিল এক বিশেষ কারণে এতদিন পর সেই ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় সেই ডাক্তারের উপর যাতে কোন বিপদ না নেমে আসে। অর্থাৎ ফেলুদা যেন সেই ডাক্তার কে অন্য কারো আগে খুঁজে বের করে বিপদমুক্ত করেন। ফেলুদা কেসটি হাতে নেয়, কিন্তু হৃষিকেশের পথে রওয়ানা দেওয়ার মাত্র ক’দিন আগে উমাশঙ্করের কাছ থেকে টেলিগ্রাম আসে – ‘রিকোয়েস্ট ড্রপ কেস। লেটার ফলোজ।’। ফেলুদা উত্তর পাঠায় – ‘ড্রপিং কেস, বাট গোইং অ্যাজ পিলগ্রিমস।’। গোয়ান্দাভিযান শেষপর্যন্ত উদ্দেশ্য বদলে তীর্থযাত্রা হয়ে গেলেও ফেলুদা স্বভাবতই তীর্থে গিয়ে চোখ-কান খোলা রাখে, আর সেখানে যা তার নজরে আসে, তা দেখে রহস্যময় সেই ডাক্তারকে খুঁজে পাওয়ার জন্য তাকে সেই চিরচেনা গোয়েন্দার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়।

এই গল্পটির শেষ অংশটুকু একটু কাকতালীয়, কিন্তু সেই অপ্রত্যাশিতটুকু বাদে আর সবটুকুই আমাদের চিরচেনা উত্তেজনায় ঠাসা।

Feluda’s Stories – Ebar Kando Kedarnath e (This Time in Kedarnath) – Satyajit Ray

For some reason, whenever Feluda happens to be on mountainous terrains, there is an added sense of adventure. Ebar Kando Kedarnath e (This Time in Kedarnath) is no exception. The story starts with the arrival of a certain Umashankar Puri at Feluda’s doorstep. Mr. Puri, who manages what was once a small kingdom during the British occupation of India, narrates an incident in which the former king of the kingdom, Chandradeo, had gifted a priceless possession to an Ayurvedic doctor from Rishikesh for treating him. The secrecy of the gift had been maintained all these years, but now some people who knew about the incident were trying to seek out the old doctor. Sensing danger, Mr. Puri asks Feluda to find the doctor before anyone else, and protect him. Feluda agrees, but days before the three musketeers are about the set off to find the doctor, they unexpectedly receive a telegram from Mr. Puri saying ‘Request drop case. Letter follows.’. Feluda replies, ‘Dropping case but going as pilgrims’, little knowing that he would have to reprise his usual role before long.

Satyajit Ray-Feluda-Ebar Kando Kedarnath e 2

গল্প ৮১ – ফেলুদা – নেপোলিয়নের চিঠি / Story 81 – Feluda – Napoleon er Chithi (Napoleon’s Letter)

Satyajit Ray-Feluda-Napoleon er Chithiপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Napoleon er Chithi

ফেলুদার গল্প – নেপোলিয়নের চিঠি – সত্যজিৎ রায়

ফেলুদার এই গল্পের শুরুটা খানিকটা আকস্মিক। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের এক খেলনার দোকানে এক আলাপীর জন্যে উপহার কিনতে গিয়ে এক ক্ষুদে ভক্তের সাথে ফেলুদার দেখা হয়ে যায়, আর ভক্তও দেরী না করে ফেলুদাকে তার পোষা টিয়ে হারিয়ে যাওয়ার তদন্তের আর্জি জানিয়ে বসে। অবশ্য রহস্য উদঘাটন নয়, বরং শ্রীমান অনিরুদ্ধ হালদারের মন ভাল করতেই ফেলুদারা একদিন গিয়ে হাজির হন হালদারবাড়িতে। ঘটনাচক্রে ফেলুদারা সেই বাড়িতে থাকা অবস্থাতেই একটি রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে, আর তার সাথে সাথে হালদার পরিবারের মহামূল্য একটি সম্পত্তি – নেপোলিয়নের শেষজীবনে লেখা একটি চিঠি – রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটির তদন্তের ভার ফেলুদার হাতে পড়ে, আর সেটা করতে গিয়ে তার কাছে ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে ওঠে এই যে ছোট্ট অনিরুদ্ধের পাখি হারিয়ে যাওয়াকে বড়রা তেমন পাত্তা না দিলেও নেপোলিয়নের চিঠি লোপাটের চাইতে সেটাও কম অদ্ভুত কোন রহস্য নয়।

Feluda’s Stories – Napoleon er Chithi (Napoleon’s Letter) – Satyajit Ray

This investigation of Feluda starts somewhat unexpectedly. While in a toy shop to buy a gift for an acquaintance, Feluda comes across a young fan by the name of Aniruddha Haldar, who asks him if he can find out his lost parrot. More to give the little boy some time than find his bird, Feluda agrees to look into the matter, and true to his word, visits him after a few days. However, things go wrong when Feluda and his companions visit the Haldar House. Aniruddha’s grandfather, an antiquities collector, is found dead, and his most prized collection – one of the last ever letters written by Napoleon Bonaparte – goes missing. The case of the parrot is forgotten as Feluda is asked to investigate the developments, but it soon becomes clear to the detective that neither of the two cases are less intriguing than, or perhaps different from, the other.