ছোটগল্প ৬৯ – প্রফেসর শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন / Short Story 69 – Professor Shanku – Professor Shanku O Frankenstein

Satyajit Ray-Professor Shanku-Frankensteinপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Shanku O Frankenstein

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন – সত্যজিৎ রায়

আরেক ডোজ শঙ্কু, আর এবারে ভূমিকার বদলে গল্পের মাঝখানের দিকে শঙ্কুর লেখা একটা দিনলিপি। গল্পের নামটা পড়ে পাঠকের ধারণা অন্যরকম হতে পারে, তাই এটুকু বলি – এ গল্পের অনেকখানিই কিন্তু নাৎসিদেরকে ঘিরে।

১৭ জুন

আজ সন্ডার্সের আরেকটা চিঠি। অত্যন্ত জরুরি খবর। চিঠিটা এই –

প্রিয় শঙ্কু,

ডাঃ টমাস গিলেটের নাম শুনেছ নিশ্চয়ই। অত বড় ক্যান্সারবিশেষজ্ঞ পৃথিবীর আর কেউ ছিল না। ছিল না বলছি এই কারণে যে, আজ সকার সাতটায় হার্ট অ্যাটাকে গিলেটের মৃত্যু হয়েছে। সে ক্যান্সারের একটি অব্যর্থ ওষুধ তৈরি করতে চলেছিল। আমায় গত মাসেই বলেছিল, ‘আরেকটা মাস – তারপরে আর ক্যান্সারের ভয় থাকবে না।’ কিন্তু সেই ওষুধ তৈরি করার আগেই সে চলে গেল। আর চেয়ে বড় দুর্ঘটনা আর হতে পারে না। আমি ক্রোলকেও লিখেছি। আমার ইচ্ছা – ইনগোলস্ট্যাটে গিয়ে জুলিয়ার ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনকে বলে তার প্রপিতামহের ডায়রির সাহায্যে গিলেটকে আবার বাঁচিয়ে তোলা। তুমি কি মনে কর পত্রপাঠে জানাও। গিলেটের মৃতদেহ আমি কোল্ড স্টোরেজে রাখতে বলে দিয়েছি। এখানে ডাক্তারিমহলকে আমার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি। তারা সকলেই রাজি আছে।

ইতি

জেরেমি সন্ডার্স

আমি সন্ডার্সকে ইনগোলস্ট্যাট যাচ্ছি বলে জানিয়ে দিয়েছি। পরশুই রওনা। এবারে নিজের খরচেই যেতে হবে। কিন্তু কাজটা সফল হলে খরচের দিকটা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা চলবে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Frankenstein – Satyajit Ray

When it comes to Professor Shanku’s stories, overdose is just not a thing. So here is another of his adventures. You may know a thing or two about Frankenstein, but this story has a bit more than what you may have read or heard, for instance, neo-nazis, and the Professor himself.

ছোটগল্প ৬৮ – প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ / Short Story 68 – Professor Shanku O Adim Manush (Professor Shankur and the Homo afarensis)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও আদিম মানুষ – সত্যজিৎ রায়

শঙ্কুর এই গল্পের পূর্বকথা হাইনরিখ ক্লাইন নামের একজন বিখ্যাত নৃতত্ত্ববিদের অ্যামাজন অভিযান। অ্যামাজনে ভ্রমণকালে ক্লাইন এমন এক উপজাতির সন্ধান পান, যা তার মতে মানুষ ত্রিশ লক্ষ বছর আগে যে অবস্থায় ছিল, সে অবস্থায়ই থেকে গেছে। শুধু তাই নয়, ক্লাইন সে উপজাতির থেকে একজনকে ফাঁদে ধরে তাঁর সাথে জার্মানি নিয়ে আসেন। স্বভাবতই ক্লাইনের খ্যাতি বিশ্বজোড়া ছড়িয়ে পরে, আর তার কিছুদিন পরেই শঙ্কু ক্লাইনের কাছ থেকে সেই উপজাতীয় নমুনাটিকে দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র পান। শঙ্কু সে সময় ক্রমবিবর্তনের গতি বাড়ানোর একটি ঔষধ তৈরী করার চেষ্টা করছিলেন। তাই ক্লাইনের চিঠি পেয়ে শঙ্কু মানুষের আদি এবং ভবিষ্যৎ চেহারার দুটোই একসাথে দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখে ক্লাইনের কাছে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অবশ্য শঙ্কু মনে তখনো এটা ছিলনা যে তার ওষুধের অন্য একটি প্রয়োগ থাকতে পারে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Adim Manush (Shanku and Homo afarensis) – Satyajit Ray

This story of Professor Shanku starts when Heinrich Klein, a German anthropologist, comes across what he conjectures to be a population of Homo afarensis in the Amazon, and manages to capture a specimen and bring him to Germany. International fame soon follows, and he invites Shanku to come and observe the ape. At the time, Shanku had been working on a drug that accelerates evolution and tested it successfully. Foreseeing a rare opportunity of witnessing the early and advanced forms of humans side by side, he accepts the invitation, realizing little that his drug may have uses that he had not foreseen.

ছোটগল্প ৬৬ – প্রফেসর শঙ্কু – মানরো দ্বীপের রহস্য / Short Story 66 – Professor Shanku – Manrow Dwiper Rahasya (The Manrow Island Mystery)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – মানরো দ্বীপের রহস্য – সত্যজিৎ রায়

আবার শঙ্কু, আর এর আগে তুলে দেওয়া গল্পটির বর্ণনার মত এবারো গল্প থেকে উদ্ধৃতি দিয়েই শুরু করছি –

এই দ্বীপে পৌছানোর আগে গত তিন সপ্তাহের ঘটনা সবই আমার ডায়রিতে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা আছে। হাতে যখন সময় পেয়েছি তখন সেগুলোকেই একটু গুছিয়ে লিখে রাখছি।

আমি যে আবার এক অভিযানের দলে ভিড়ে পড়েছি, সেটা বোধহয় আর বলার দরকার নেই। এই দ্বীপের হয়তো একটা নাম থাকতে পারে, কারণ আজ থেকে তিনশো বছর আগে এখানে মানুষের পা পড়েছিল, কিন্তু সে নাম সভ্য জগতে পৌঁছায়নি। আমরা এটাকে আপাতত মানরো দ্বীপ বলেই বলছি।

আমরা দলে আছি সবশুদ্ধ পাঁচজন। তার মধ্যে একজন হল আমার পুরনো বন্ধু জেরেমি সন্ডার্স, যার উদ্যোগেই এই অভিযান। এই উদ্যোগের গোঁড়ার কথা বলতে গেলে বিল ক্যালেনবাখের পরিচয় দিতে হয়। ইনিও আমাদের দলেরই একজন। ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসী, দীর্ঘকায় বেপরোয়া শক্তিমান পুরুষ, পেশা ছবি তোলা। বয়স পয়তাল্লিশ হতে চলল, কিন্তু চালচলন তার অর্ধেক বয়সের যুবার মতো। ক্যালেনবাখের সঙ্গে সন্ডার্সের পরিচয় বেশ কয়েক বছরের। গত ডিসেম্বরে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকার তরফ থেকে ক্যালেনবাখ গিয়েছিল উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি শহরে কিছু স্থানীয় উৎসবের ছবি তুলতে। মোরক্কোর আগাদির শহরে এসে এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটে। আগাদির সমুদ্রতীরের শহর, সেখানে অনেক জেলের বাস। ক্যালেনবাখ জেলেপাড়ায় গিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের ছবি তুলতে। একটি জেলের বাড়িতে ঢুকে তার চোখ পড়ে মালিকের বছরতিনেকের একটি ছেলের উপর। ছেলেটি হাতে একটা ছিঁপিআটা বোতল নিয়ে খেলা করছে। বোতলের ভিতরে কাগজ দেখতে পেয়ে ক্যালেরবাখের কৌতুহল হয়। সে ছেলেটির হাত থেকে বোতল নিয়ে দেখে তার ছিপি সিল করে বন্ধ করা এবং ভিতরের কাগজটা হল ইংরেজীতে লেখা একটা চিঠি। হাতের লেখার ধাঁচ থেকে মনে হয় সে চিঠি বহুকালের পুরনো। ছেলেটির বাপকে জিজ্ঞেস করে ক্যালেনবাখ জানে যে ওই বোতল নাকি তার ঠাকুরদাদার আমল থেকে তাদের বাড়িতে আছে। জেলেরা জাতে মুসলমান, আরবি ভাষায় কথা বলে, তাই বোতল থেকে চিঠি বের করে পড়ার কোন প্রশ্ন ওঠেনি।

সেই চিঠি ক্যালেনবাখ বোতল থেকে বার করে পড়ে এবং পড়ার অল্পদিনের মধ্যেই তার কাজ সেরে চলে যায় লন্ডনে। সেখানে সন্ডার্সের সঙ্গে দেখা করে চিঠিটা তাকে দেখায়। পেনসিলে লেখা মাত্র কয়েক লাইনের চিঠি। সেটার বাংলা করলে এই দাঁড়ায় –

ল্যাটিচিউড ৩৩ ডিগ্রি ইস্ট – লঙ্গিচিউড ৩৩ ডিগ্রি নর্থ,

১৩ ডিসেম্বর ১৬২২

এই অজানা দ্বীপে আমরা এমন এক আশ্চর্য উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছি যার অমৃততুল্য গুণ মানুষের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। এই সংবাদ প্রচারের জন্য ব্র্যান্ডনের নিষেধ সত্ত্বেও এ চিঠি আমি বোতলে ভরে সমুদ্রের জলে ভাসিয়ে দিচ্ছি। ব্ল্যাকহোল ব্র্যান্ডন এখন এই দ্বীপের অধীশ্বর। অতএব এই চিঠি পড়ে কোনও দল যদি এই উদ্ভিদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এখানে আসে, তারা যেন ব্র্যান্ডনের সাথে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসে। আমি নিজে ব্র্যান্ডনের হাতের শিকার হতে চলেছি।

হেক্টর মানরো

Professor Shanku’s Adventures – Manrow Dwiper Rahasya (The Manrow Island Mystery) – Satyajit Ray

Professor Shanku again. This time, Shanku finds himself in an expedition to an island in which presumably no one had set foot for the last three centuries. The reason – a message in a bottle from a certain Dr. Hector Manrow, who was traveling in a ship that had been looted by Caribbean pirates in 1622. Apparently, the pirates and Manrow became stranded soon after that in an island. But what was interesting to the explorers was Manrow’s disclosure that the island had a certain fruit whose near-ambrosia like benefits could change human civilization forever.

Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya 2

ছোটগল্প ৪১ – প্রফেসর শঙ্কু – নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো / Short Story 41 – Professor Shanku – Nakurbabu O El Dorado (Nakurbabu and El Dorado)

Shanku-Nokurbabu O El Doradoপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Nakurbabu O El Dorado

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলোর চরিত্রদের মধ্যে যদি নকুড়চন্দ্র বিশ্বাস সাথে পাঠকদের পরিচয় না হয়, তাহলে এই সাইটে প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলোর তালিকাটি অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। নকুড়বাবুর সম্পর্কে বেশি কিছু বললে গল্পের মজা নষ্ট হয়ে যাবে, তবে এটুকু বলব যে গল্পটির শুরু হয় তার অতীন্দ্রীয় আর সম্মোহনী ক্ষমতাকে ঘিরে, আর শেষ হয় ব্রাজিলের অ্যামাজন জঙ্গলের মাঝে এক কিংবদন্তির শহরে। টেলিপ্যাথি, সম্মোহন, এল ডোরাডো, অ্যানাকন্ডা, সোনার শহর – আরো অনেক কিছুই এক সূত্রে গাঁথা সত্যজিৎ রায়ের এই গল্পে।

Professor Shanku’s Stories – Nakurbabu O El Dorado (Nakurbabu and El Dorado) – Satyajit Ray

Of the characters in Professor Shanku’s adventures, Nakurchandra Biswas deserves a special mention. Of course, that needs to be done in its place, that is, in Nakurbabu O El Dorado. But without giving too much away, let me tell you that the story starts with Nakurbabu revealing his extrasensory and hypnotic powers, and ends in a fabled city in the Brazilian Amazon. Telepathy, hypnotism, El Dorado, Anaconda, City of Gold, and a lot more, threaded into a absorbing narrative by Satyajit Ray.

Shanku-Nokurbabu O El Dorado 2

 

ছোটগল্প ২৫ – প্রফেসর শঙ্কু – শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ / Short Story 25 – Professor Shanku – Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance)

Shankur Subarna Sujog

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Shankur Subarna Shujog

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলো পড়লে সেগুলোর ভিন্নতা দেখে অবাক হয়ে যেতে হয়। প্রাচীন সভ্যতার বর্তমানতা থেকে শুরু করে মানুষের ভবিষ্যৎ রূপ, কিংবা সম্মোহন (হিপনোটিজম) অথবা যন্ত্রের ক্ষুদ্রকরণ (মিনিয়েচারাইজেশন) – শঙ্কুর গল্পগুলোর মধ্যে দিয়ে সত্যজিৎ ইতিহাস আর বিজ্ঞানের অনেক তথ্যের সাথে আমাদের পরিচিত করেছেন অসাধারণ সাবলীলতায়। ‘শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ’ সেদিক দিয়ে অনন্য একটি গল্প, আর বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হিসেবে তো বটেই – স্পেন, অ্যালকেমি, জবীর ইবন হায়ান, প্ল্যানচেট – একই ছোটগল্পে নিপুণভাবে গাঁথা এত বৈচিত্র অন্য কোন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে আছে কি?

Professor Shanku’s Stories – Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance) – Satyajit Ray

One of the many remarkable things about Professor Shanku’s stories is the variety of topics that they present. From ancient civilizations to the future evolution of man, or from hypnotism to miniaturization of electronics – Satyajit Ray introduces a wonderful medley of historical and scientific topics to the reader. Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance) is certainly a stand-out in that respect (and as a science fiction, of course!) – Spain, Alchemy, Jabir Ibn Hayyan, Planchette… need I say more?

ছোটগল্প ২৪ – প্রফেসর শঙ্কু – স্বর্ণপর্ণী / Short Story 24 – Professor Shanku – Swarnaparni (The Golden Leaf)

Swarnaparniপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Swarnaparni

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – স্বর্ণপর্ণী – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর ছবি কল্পনা করলেই মনে দাঁড়িগোফের জঙ্গলে ঢাকা একটি শীর্ণ মুখাবয়ব ভেসে ওঠে। অবশ্য একটি সময় ছিল, যখন শঙ্কু ছিলেন একজন বুদ্ধিদীপ্ত তরুণ বিজ্ঞানী। এবার সেই সময়কারই একটি গল্প – মিরাকিউরল আবিস্কারের আর নাৎসিদের সাথে লড়ার – শঙ্কুর স্মৃতিচারণায়, আর সত্যজিতের কলমে।

Professor Shanku’s Stories – Swarnaparni (The Golden Leaf) – Satyajit Ray

In the mind of the initiated, the words ‘Professor Shanku‘ invariably create the image of a bearded old man. There was a time, though, when Shanku was young – a professor even then, but young. And it was the time when he invented Miracurall and outwitted Herr Göring and the Nazis. This upload is his reminiscence of those times.