গল্প ৮১ – ফেলুদা – নেপোলিয়নের চিঠি / Story 81 – Feluda – Napoleon er Chithi (Napoleon’s Letter)

Satyajit Ray-Feluda-Napoleon er Chithiপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Napoleon er Chithi

ফেলুদার গল্প – নেপোলিয়নের চিঠি – সত্যজিৎ রায়

ফেলুদার এই গল্পের শুরুটা খানিকটা আকস্মিক। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের এক খেলনার দোকানে এক আলাপীর জন্যে উপহার কিনতে গিয়ে এক ক্ষুদে ভক্তের সাথে ফেলুদার দেখা হয়ে যায়, আর ভক্তও দেরী না করে ফেলুদাকে তার পোষা টিয়ে হারিয়ে যাওয়ার তদন্তের আর্জি জানিয়ে বসে। অবশ্য রহস্য উদঘাটন নয়, বরং শ্রীমান অনিরুদ্ধ হালদারের মন ভাল করতেই ফেলুদারা একদিন গিয়ে হাজির হন হালদারবাড়িতে। ঘটনাচক্রে ফেলুদারা সেই বাড়িতে থাকা অবস্থাতেই একটি রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে, আর তার সাথে সাথে হালদার পরিবারের মহামূল্য একটি সম্পত্তি – নেপোলিয়নের শেষজীবনে লেখা একটি চিঠি – রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটির তদন্তের ভার ফেলুদার হাতে পড়ে, আর সেটা করতে গিয়ে তার কাছে ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে ওঠে এই যে ছোট্ট অনিরুদ্ধের পাখি হারিয়ে যাওয়াকে বড়রা তেমন পাত্তা না দিলেও নেপোলিয়নের চিঠি লোপাটের চাইতে সেটাও কম অদ্ভুত কোন রহস্য নয়।

Feluda’s Stories – Napoleon er Chithi (Napoleon’s Letter) – Satyajit Ray

This investigation of Feluda starts somewhat unexpectedly. While in a toy shop to buy a gift for an acquaintance, Feluda comes across a young fan by the name of Aniruddha Haldar, who asks him if he can find out his lost parrot. More to give the little boy some time than find his bird, Feluda agrees to look into the matter, and true to his word, visits him after a few days. However, things go wrong when Feluda and his companions visit the Haldar House. Aniruddha’s grandfather, an antiquities collector, is found dead, and his most prized collection – one of the last ever letters written by Napoleon Bonaparte – goes missing. The case of the parrot is forgotten as Feluda is asked to investigate the developments, but it soon becomes clear to the detective that neither of the two cases are less intriguing than, or perhaps different from, the other.

Advertisements