ছোটগল্প ৯৪ – ক্লাস ফ্রেন্ড / Short Story 94 – Class Friend

Satyajit Ray-Class Friendপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Class Friend

ক্লাস ফ্রেন্ড – সত্যজিৎ রায়

স্কুল ছাড়ার পর আমাদের সবার জীবন কেমন বদলে যায়, তাই না? একসময় যাদেরকে সবাই প্রতিশ্রুতিশীল বলে মনে করত, তাদের মধ্যে কতজনই না হারিয়ে যায়, আর গড়পড়তাদের মধ্যে থাকা কতজনই না উঠে আসে! আর অনেকদিন পর যদি সেই ক্লাসেরই একজন বন্ধুর সাথে হঠাৎ দেখা হয়ে যায়, তখন?  অনেক বছর ধরে গড়ে ওঠা (কিংবা তোলা) ব্যবধানটার মধ্যে দিয়ে কি পুরোনো মুখটাকে আবার চেনা যায়? হয়তোবা, কিন্তু যেমনটা আমরা কল্পনা করি, হয়তো তেমনভাবে নয়।

Class Friend – Satyajit Ray

It is funny how our lives change after school in the most unexpected of ways… some of us, touted to have bright futures, unknowingly fade away, while a few, deemed to have lesser prospects, rise to the very top. Those of us who are older know all that too well, don’t we? So what happens when one comes across someone he knew from his school days – an once best friend, now unrecognizable through differences accumulated by decades of divergences of their lives? In ‘Class Friend’, Satyajit Ray explores.

Advertisements

গল্প ৪০ – আমার বন্ধু রাশেদ / Story 40 – Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend)

Jafar Iqbal-Amar Bandhu Rashed

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Zafar Iqbal-Amar Bandhu Rashed

আমার বন্ধু রাশেদ – জাফর ইকবাল

 “তুই মশাল মিছিলে যাবি?”
“হ্যা। ছোট বলে হাতে মশাল দিতে চায় না। আগে গিয়ে অনেক সাধাসাধি করতে হবে।”
ফজলু চোখ ছোট ছোট করে বলল, “ইশ! আমি যদি তোর সাথে যেতে পারতাম!”
রাশেদ বলল, “চল যদি যেতে চাস।”
ফজলু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। দিলীপ বলল, “ফজলু যাবে মশাল মিছিলে? তাহলেই হয়েছে। কাকা তোকে পিটিয়ে লম্বা করে দেবে না?”
ফজলু বিষণ্ন মুখে মাথা নাড়ল। আশরাফ গম্ভীর গলায় বলল, “বড় না হওয়া পর্যন্ত মিছিলে যোগ দেওয়া ঠিক না। রাজনৈতিক দল ভুলপথে নিয়ে যাবে।”
রাশেদ আবার বড় মানুষের মত বলল, “পথে তো নামতে হবে আগে, না হলে জানবি কেমন করে কোনটা ভুলপথ কোনটা ঠিক পথ?”

আমরা যখন বড় হই, তখন আর অন্য অনেক কিছুর সাথে সাথে সাহিত্যরুচিও বদলায়। ছোটবেলায় যেসব গল্পগুলো পড়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতাম, সেইগুলোই হয়ত বড় হওয়ার পর হাস্যকর আর ছেলেমানুষীতে ভরা বলে মনে হয়। অবশ্য এমন সব গল্পও থাকে, যেগুলো সময় বয়ে যাওয়া সত্ত্বেও মনকে আগের মতই টানে। আমার বন্ধু রাশেদ গল্পটি যখন প্রথম পড়ি, তখন আমি নেহাৎই ছোট। তখনকার কথা ভাবতে গেলে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এক ছোট্ট শহরে চারজন কিশোরের বন্ধুত্ব আর সাহস নিয়ে লেখা গল্পটি পড়তে পড়তে নিজেও কেমন করে গুপ্তযোদ্ধা হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, তা মনে পড়ে। এত দিন পর জাফর ইকবালের লেখা এই গল্পটি যে তার অন্যান্য ছোটগল্প খোঁজার সময় হঠাৎ করে খুঁজে পাব, তা ভাবতে পারিনি। কিশোর বয়সে যেমন ‘বড়’ হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, তার কিছুটা তো গত ক’বছরে হয়েছি, তাই এত দিন পর ভাল লাগবে কিনা, সেই দ্বিধা নিয়েই গল্পটি পড়তে বসেছিলাম। বুঝতে পারি নি যে এত বছর পরেও গভীর অভিমান নিয়ে শেষ হওয়া এই গল্পটি আমাকে আগের মতোই আবেগাপ্লুত করে তুলবে।

আমার মত পাঠকদেরও গল্পটি পড়ে তেমনই লাগবে, সেই বিশ্বাসে মুক্তিযুদ্ধ আর কৈশোর নিয়ে লেখা একাত্তরের এই অসাধারণ প্রতিচ্ছবিটি তুলে দিলাম – আমার বন্ধু রাশেদ , যা আমার মতে জাফর ইকবালের সেরা লেখাগুলোর মধ্যে একটি, আর যা দুই বাংলার যুদ্ধপরবর্তী প্রজন্মদের জন্যে অবশ্যপাঠ্য।

Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) – Zafar Iqbal

Of the things that change with our growing up, taste in literature is one. Personally, I have always been intrigued by how the same works that many of us so looked forward to reading when we were young seem childish and laughable when we grow up. Some stories, however, still retain the old appeal over time, and I find Zafar Iqbal’s Amar Bandhu Rashed (Rashed, My Friend) to be one such story. Set in a Bangladeshi town during the liberation war of 1971, it narrates the adventures of four boys who risk their lives to liberate their town from the Pakistani military. Rashed, of course, is the leader of the pack, and his wit and bravery represent the romanticized archetype of the young Bangalee freedom fighter who fought for his land. Perhaps the masterwork by Zafar Iqbal, Amar Bandhu Rashed is probably the best introduction for young Bangalees to wartime literature, and a must read for post-war generations of both Bengals.

ছোটগল্প ১৯ – প্রসন্ন স্যার / Short Story 19 – Prasanna Sir

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Prasanna Sir

প্রসন্ন স্যার – সত্যজিত রায়

কিছুদিন আগে ছাত্রজীবনে আমাদের যেসব ‘গরুবন্ধু’ থাকে, তাদেরই একজনকে নিয়ে লেখা জাফর ইকবালের একটি ছোটগল্প আপলোড করেছিলাম। জীবন অবশ্য কখনো কখনো সেই গল্পের উল্টোটাই লেখে। সেজন্যেই সত্যজিৎ রায়ের এই গল্পটি তুলে দিলাম। ‘প্রসন্ন স্যার’ – স্কুল শেষ হয়ে যাওয়ার অনেকদিন পর একটি বর্ষের ‘ফার্স্ট বয়’, একজন ‘অপদার্থ’, আর তাদেরই একজন শিক্ষকের আবার দেখা হওয়ার গল্প।

Prasanna Sir – Satyajit Ray

A few posts earlier, I had uploaded a short-story about the ‘not-so-bright’ friend that many of us have. Sometimes, though, life writes a different story. Hence this upload – a story in which the ‘first-boy’ and the ‘dimwit’ of a certain class meet their teacher a long time after graduating.

ছোটগল্প ১৬ – দুই বন্ধু / Short Story 16 – Dui Bandhu (Two Friends)

Dui Bondhu

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Dui Bandhu

দুই বন্ধু – সত্যজিৎ রায়

এবার একটি হাল্কা ধাঁচের গল্প। দুই দশক আগের কথা – মহিম আর প্রতুল নামের দুজন কিশোর বন্ধু আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে প্রতিজ্ঞা করে যে বিশ বছর পর তারা দুজনেরই চেনা একটি জায়গায় আবার দেখা করবে। মহিমের সে কথাটি এতদিন মনে থাকলেও প্রতুলের আছে কিনা সে বিষয়ে তার সন্দেহ ছিল। হাজার হোক, বিশ বছর তো আর অল্প সময় নয়।

Dui Bandhu (Two Friends) – Satyajit Ray

A somewhat lighthearted post this time. Twenty years ago at the time of their separation, two young friends – Mahim and Pratul – promise to meet again at a place they both know two decades later. While Mahim remembers the arrangement, he is not sure that Pratul does. Two decades is a long time, after all.