গল্প ১০৯ – ফেলুদা – কৈলাস চৌধুরীর পাথর / Galpo 109 – Feluda – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury'r Pathar

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash Chowdhury’r Pathar

ফেলুদার গল্প – কৈলাস চৌধুরীর পাথর – সত্যজিৎ রায়

এবার ফেলুদার প্রথম দিককার একটি গল্প। ফেলুদার অন্যান্য গল্পের তুলনায় কৈলাস চৌধুরীর পাথর কে বেশ গতানুগতিকই বলা চলে – রহস্যটির শুরু হয় কলকাতার কোন এক বনেদি চৌধুরীবাড়িতে একটি হুমকি চিঠি আসার পর থেকে। ততদিনে গোয়েন্দা হিসেবে বেশ খ্যাতি রটে যাওয়াতে ফেলুদার সেই বাড়ি থেকে তলব আসে, আর প্রাথমিক তদন্তে ফেলুদা জানতে পারে যে চৌধুরী পরিবারের বেশ মূল্যবান একটি সম্পদ আছে, যার উপর রহস্যময় হুমকিদাতার নজর থাকতে পারে। ফেলুদাও সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করে, যদিও অচিরেই তাঁর কাছে এটুকু স্পষ্ট হয়ে যায় যে ব্যাপারটি আপাতদৃষ্টিতে দেখতে যেমন, আসলে তার চাইতে অনেক বেশি গোলমেলে।

পাঠকেরা যদি নিজেরাই গোয়েন্দাগিরী করতে চান, তবে তাদের জন্যে সূত্র হিসেবে একটি শব্দ তুলে দেই – ‘নকল’। : )

Feluda’s Stories – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) – Satyajit Ray

This time, one of Feluda’s earlier exploits – Kailash Chowdhury’r Pathor (Kailash Chowdhury’s Jewel) starts with our favorite sleuth already quite famous, something that earns him a call from one of the more respected families in the city. The patriarch of the family, Mr. Kailash Chowdhury, had recently received an anonymous threat letter, and asks Feluda to investigate who might be behind it. Upon questioning his newly acquired client, Feluda learns that the Chowdhury family happens to have a rather expensive jewel, a blue beryl, that the letter-writer might be wanting to extort, and decides to investigate on that assumption. Soon, however, things take a stranger turn, and Feluda Starts to think that he might have been wrong from the very beginning…

In a way of teasing the reader, here is a one word clue – ‘fake’. Enjoy : )

Advertisements

কবিতা ৪৯ – ব্যাকুল / Poem 49 – Byakul (The Wicked Postman)

Rabindranath Thakur-Byakul

চিরস্তব্ধ হয়ে যাওয়া কোন বাবার হয়ে তার অবুঝ শিশুর চিঠি লিখে মাকে প্রবোধ দিতে চাওয়ার চাইতে করুণ কিছু বোধহয় এই পৃথিবীতে খুব কমই আছে। আজ তা নিয়েই মন খারাপ করা একটি কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যাকুল

There are few things sadder on earth than a little child trying to console a mother who has gone numb at the loss of her husband. In Rabindranath Thakur’s Byakul (The Wicked Postman), a little boy tells her mother that he will write her all the letters that father does not write to her any more, with a heartbreaking innocence and sincerity that is bound to touch the reader.

ব্যাকুল

অমন করে আছিস কেন মা গো,
খোকারে তোর কোলে নিবি না গো?
পা ছড়িয়ে ঘরের কোণে
কী যে ভাবিস আপন মনে,
এখনো তোর হয় নি তো চুল বাঁধা।
বৃষ্টিতে যায় মাথা ভিজে,
জানলা খুলে দেখিস কী যে —
কাপড়ে যে লাগবে ধুলোকাদা।
ওই তো গেল চারটে বেজে,
ছুটি হল ইস্কুলে যে —
দাদা আসবে মনে নেইকো সিটি।
বেলা অম্‌নি গেল বয়ে,
কেন আছিস অমন হয়ে —
আজকে বুঝি পাস নি বাবার চিঠি।
পেয়াদাটা ঝুলির থেকে
সবার চিঠি গেল রেখে —
বাবার চিঠি রোজ কেন সে দেয় না?
পড়বে ব’লে আপনি রাখে,
যায় সে চলে ঝুলি-কাঁখে,
পেয়াদাটা ভারি দুষ্টু স্যায়না।
মা গো মা, তুই আমার কথা শোন্‌,
ভাবিস নে মা, অমন সারা ক্ষণ।
কালকে যখন হাটের বারে
বাজার করতে যাবে পারে
কাগজ কলম আনতে বলিস ঝিকে।
দেখো ভুল করব না কোনো —
ক খ থেকে মূর্ধন্য ণ
বাবার চিঠি আমিই দেব লিখে।
কেন মা, তুই হাসিস কেন।
বাবার মতো আমি যেন
অমন ভালো লিখতে পারি নেকো,
লাইন কেটে মোটা মোটা
বড়ো বড়ো গোটা গোটা
লিখব যখন তখন তুমি দেখো।
চিঠি লেখা হলে পরে
বাবার মতো বুদ্ধি ক’রে
ভাবছ দেব ঝুলির মধ্যে ফেলে?
কক্‌খনো না, আপনি নিয়ে
যাব তোমায় পড়িয়ে দিয়ে,
ভালো চিঠি দেয় না ওরা পেলে।

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শিশু হতে সংগ্রহীত)

Byakul (The Wicked Postman)
(Translation by the poet himself)

Why do you sit there on the floor so quiet and silent, tell me, mother dear?
The rain is coming in through the open window, making you all wet, and you don’t mind it.
Do you hear the gong striking four? It is time for my brother to come home from school.
What has happened to you that you look so strange?
Haven’t you got a letter from father today?
I saw the postman bringing letters in his bag for almost everybody in the town.
Only, father’s letters he keeps to read himself. I am sure the postman is a wicked man.
But don’t be unhappy about that, mother dear.
To-morrow is market day in the next village. You ask your maid to
buy some pens and papers.
I myself will write all father’s letters; you will not find a single mistake.
I shall write from A right up to K.
But, mother, why do you smile?
You don’t believe that I can write as nicely as father does!
But I shall rule my paper carefully, and write all the letters beautifully big.
When I finish my writing, do you think I shall be so foolish as father and drop it into the horrid postman’s bag?
I shall bring it to you myself without waiting, and letter by letter help you to read my writing.
I know the postman does not like to give you the really nice letters.

– Rabindranath Thakur (Collected from Shishu)

ছোটগল্প ৭১ – পক্ষী-পুরাণ / Short Story 71- Pakkhi Puran

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link:  Banaful-Pakkhi Puran

পক্ষী-পুরাণ – বনফুল

এবার বনফুলের কল্পনায় একটা মজার গল্প, মানুষের প্রার্থনার জবাবে ঈশ্বরের দান, আর তা নিয়ে মানুষের খামখেয়ালিপনা নিয়ে।

Pakkhi Puran – Banaful

In this amusing story, Banaful imagines how Man finds unintended but creative uses of God’s answer to his prayers.

ছোটগল্প ৬১ – টেরোড্যাক্টিলের ডিম / Short Story 61 – Pterodactyl er Dim (The Pterodactyl’s Egg)

Satyajit Ray-Pterodactyl Er Dim

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Pterodactyl er Dim

টেরোড্যাক্টিলের ডিম – সত্যজিৎ রায়

দিনের সমস্ত কাজের শেষে গঙ্গার ধারে বসে থেকে বদনবাবু যখন তার আদরের ছেলের জন্যে মনে মনে একটি গল্প ফাঁদছেন, তখন হঠাৎই অদ্ভুত এক যন্ত্রসমেত একজন আগন্তুকের আবির্ভাব হয়। কথায় কথায় লোকটি কি করেন না করেন, সেসব কথা উঠে আসে, আর বদনবাবু ক্রমশই জানতে পারেন যে পর্যটক শুধু জলের আর স্থলের উপর ভ্রমনকারীরাই নন, সময়েরও।

The Pterodactyl’s Egg – Satyajit Ray

While unwinding by the Ganges after a long day’s work and trying to come up with a story to tell his little son, Badanbabu comes across a strange man carrying an even stranger contraption. After the initial awkwardness conversation, the man opens up, and Badanbabu learns that travel is not only possible in space, but also time.

ছোটগল্প ৬০ – অক্ষয়বাবুর শিক্ষা / Short Story 60 – Akkhaybabur Shikkha (The Education of Mr. Akkhay)

Satyajit Ray-Akkhaybabur Shikkha

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link:  Satyajit Ray-Akkhaybabu’r Shikkha

অক্ষয়বাবুর শিক্ষা – সত্যজিৎ রায়

এবার সত্যজিৎ রায়ের একটি মজার গল্প, বাঁশের চাইতে কঞ্চির ধার কেন বেশি, তা নিয়ে।

Akkhaybabur Shikkha (The Education of Mr. Akkhay) – Satyajit Ray

This time, a humorous story by Satyajit Ray, on why the chip is sometimes more than off the old block.

ছোটগল্প ১০ – কাবুলিওয়ালা / Short Story 10 – Kabuliwala (The Man from Kabul)

Kabuliwala 2

(The above picture is an edited still from the 1956 movie ‘Kabuliwala‘, which was based on Thakur’s story.)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Rabindranath Thakur-Kabuliwala

কাবুলিওয়ালা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কটি লাইনে কলকাতার রাস্তায় ফল বিক্রি করে বেড়ানো এক আফগান আর একটি বাঙ্গালী শিশুর নির্মল বন্ধুত্ব তুলে আনতে বোধহয় একমাত্র রবীন্দ্রনাথই পারেন। কাবুলিওয়ালা – কবিগুরুর কালজয়ী সৃষ্টি, যা প্রতিটি বাঙ্গালী পিতার জন্য অবশ্য পাঠ্য।

উপরে গল্পের পিডিএফএর সাথে সাথে যারা ছায়াছবি দেখতে ভালবাসেন, তাদের জন্য নিচে গল্পটির উপর ভিত্তি করে বানানো একটি ছায়াছবির একটি অংশ তুলে দিলাম। ছোট্ট মিনির হাজার প্রশ্ন। আশা করি সবার ভাল লাগবে। 🙂

Kabuliwala – Rabindranath Thakur

Rabindranath Thakur’s Kabuliwala is perhaps unmatched in its depiction of the beautiful friendship between a man and a little girl, and a must read for every father. So for the reading pleasure of the dads, the story, and in addition, a scene from a movie based on it.

ছোটগল্প ৯ – মহীম সান্যালের ঘটনা / Short Story 6 – Mahim Sanyaler Ghatana

Mahim Sanyaler Ghatona

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Mahim Sanyaler Ghatana

মহীম সান্যালের ঘটনা – সত্যজিৎ রায়

জাদুর ব্যাপারে সত্যজিৎ রায় যে খুবই আগ্রহী ছিলেন, তা জাদু নিয়ে তার লেখা গল্পের সংখ্যা দেখলেই বোঝা যায়। সেগুলোরই মধ্যে এটি মহীম সান্যালের ঘটনা –  দুই জাদুকরের প্রথম, আর দুটি মানুষের আবার দেখা হওয়ার গল্প।

Mahim Sanyal Er Ghatana – Satyajit Ray

In many of Satyajit Ray’s writings, magic is a recurrent theme – an avid reader would know that the author was deeply fascinated with magic as well as magicians. This post features a story which is based on that theme, and much more. In Mahim Sanyal er Ghatana, two magicians come to know each other for the first time, and two men come to know each other again.