গল্প ১০৩ – বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার / Story 103 – Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali)

Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

(সম্পাদিত প্রতিরুপটির আদি ছবিটি তুলেছিলেন কেনেথ টমাস / Original of the edited photo taken by Kenneth H Thomas)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Jafar Iqbal-Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar

বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার – জাফর ইকবাল

“সফদর আলীর টেবিলের চারপাশে অনেকগুলো খাঁচা, সেখানে অনেকগুলো নানা বয়সের মোরগ-মুরগি ঘুরে বেড়াচ্ছে। সফদর আলী গম্ভীর মুখে একটা মুরগির দিকে তাকিয়ে আছেন। তাঁর হাতে কাগজ-কলম, মুরগির দিকে তাকিয়ে একটু পরপর কি যেন লিখছেন। উঁকি মেরে দেখে মনে হল আধুনিক কবিতা, কারণ তাতে লেখা –

ডান বাম ডান বাম ডান ডান বাম
বাম ডান বাম ডান বাম বাম বাম
বাম বাম ডান বাম বাম ডান বাম…

সফদর আলী খাতা বন্ধ করে বললেন, মোরগের সাথে মানুষের পার্থক্য কি বলেন দেখি?

মাথা চুলকে বললাম, আমরা মোরগকে রান্না করে খাই, মোরগ আমাদের রান্না করে খায় না।

সফদর আলী চিন্তিত মুখে বললেন, আপনাকে নিয়ে এই হচ্ছে মুশকিল, খাওয়া ছাড়া আর কিছু চিন্তা করতে পারেন না।

কথাটা খানিকটা সত্যি, আমি একটু লজ্জা পেয়ে গেলাম।

সফদর আলী বললেন, মানুষের দুটি চোখই সামনে। তাই তাদের বাইনোকুলার-দৃষ্টি। কোনো জিনিসের দিকে তাকিয়ে তারা দূরত্ব বুঝতে পারে। এক চোখ বন্ধ করে সুঁইয়ে সুতো পরানোর চেষ্টা করে দেখবেন কত কঠিন। বোঝা যায় না সুঁইটা কাছে না দূরে। মোরগের দুই চোখ দুই পাশে, তাই দূরত্ব বুঝতে হলে মোরগকে ক্রমাগত মাথা নাড়তে হয়। একবার ডান চোখে জিনিসটা দেখে, একবার বাম চোখে। বেশিরভাগ পাখিও মোরগের মতো। এজন্যে পাখিরাও মাথা নাড়ে। এই দেখেন আমি লিখছিলাম মোরগ কিভাবে তার চোখ ব্যবহার করে।

সফদর আলী তাঁর খাতা খুলে দেখালেন। যেটাকে একটা আধুনিক কবিতা ভেবেছিলাম, সেটা আসলে মোরগের মাথা নাড়ানোর হিসেব। আমার স্বস্তির নিশ্বাস পরে। সফদর আলী এখন কবিতা লেখা শুরু করলে ভারি দুঃখের ব্যাপার হত।”

দূরবীক্ষণ-দৃষ্টিসম্পন্ন মোরগ, গাড়ি চালানো গাছ, গিনিপিগদের বিরিয়ানি রান্না শেখা, আর ভণ্ডপীরকে সায়েস্তা করা – জাফর ইকবালের লেখা সবচেয়ে মজার গল্পগুলোর মধ্যে একটি, যা ঢাকারই কোন গলিতে থাকা একজন আধপাগল বিজ্ঞানীকে নিয়ে লেখা। সহজ বিজ্ঞান আর মজার ঘটনায় ভরা এই গল্পটি সবার জন্য তুলে দিলাম।

Bigyani Safdar Alir Maha Maha Abishkar (The Amazing Inventions of Scientist Safdar Ali) – Jafar Iqbal

Plants that drive, roosters with binocular vision, guinea-pigs that cook biryani, and fake miracle-men – just the usual things in the life of an eccentric scientist living in some known corner of Dhaka. Bigyani Safdar Ali is possibly one of Jafar Iqbal’s funniest creations, and the scientist next door we would all love to have as a friend. Enjoy! 🙂

ছোটগল্প ৭২ – প্রফেসর শঙ্কু – আশ্চর্জন্তু / Short Story 72 – Professor Shanku – Ashcharjantu (The Extraordinary Animal)

 Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu (1)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – আশ্চর্যজন্তু – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কু গিরিডিতে কোন এক সময় থাকাকালে তাঁর চাকর প্রহ্লাদ হঠাৎ একদিন কোত্থেকে তাঁর সামনে এক আশ্চর্য প্রাণী এনে হাজির করে, যা শঙ্কুর জানামতে আনকোরা এক নতুন প্রজাতির নমুনা ব্যতিত কিছু নয়। জন্তুটি অদ্ভুতভাবে শঙ্কুর পোষও মেনে যায়, আর তার পরের দিনগুলো গড়ানোর সাথে সাথে শঙ্কু সেটিকে পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে আপাতদৃষ্টিতে প্রাণীটিকে একটি অদ্ভূত বানরের মত দেখতে হলেও সেটির মধ্যে লুকোনো কিছু বৈশিষ্ট্য আছে – যেমন সে সারা ঘর ঘুরে ঘুরে শঙ্কুর জিনিসপত্র নেড়ে চেড়ে দেখে, বোঝার চেষ্টা করে। শঙ্কুর প্রথমে শুধু প্রাণীটির বুদ্ধিমত্তা দেখেই তাক লেখে গেলেও অচিরেই সেটি এমন সব শারীরিক পরিবর্তন দেখাতে শুরু করে যে তিনি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। অবশ্য তখনো তার ধারণা ছিল না যে সামনে কি ঘটতে চলেছে।

Professor Shanku’s Stories – Ashcharja Jantu (The Extraordinary Animal) – Satyajit Ray

On one of his periods of stay in Giridi, Professor Shanku’s servant, Prahlad, brings a strange animal that he got from a friend in the village into the house. Shanku is surprised when he sees it, for the animal is unlike any that he has seen or heard of. Shanku decides to keep and study it, and soon finds out the creature to be more curious and intelligent than any other. However, if its intelligence surprises the professor, the changes in the animal which follow astounds him. In the end, Shanku gets an inkling of the animal’s special ability, but he does not know that there is still more to come.

Satyajit Ray-Professor Shanku-Ashcharjantu (2)

 

ছোটগল্প ৬৯ – প্রফেসর শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন / Short Story 69 – Professor Shanku – Professor Shanku O Frankenstein

Satyajit Ray-Professor Shanku-Frankensteinপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Shanku O Frankenstein

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন – সত্যজিৎ রায়

আরেক ডোজ শঙ্কু, আর এবারে ভূমিকার বদলে গল্পের মাঝখানের দিকে শঙ্কুর লেখা একটা দিনলিপি। গল্পের নামটা পড়ে পাঠকের ধারণা অন্যরকম হতে পারে, তাই এটুকু বলি – এ গল্পের অনেকখানিই কিন্তু নাৎসিদেরকে ঘিরে।

১৭ জুন

আজ সন্ডার্সের আরেকটা চিঠি। অত্যন্ত জরুরি খবর। চিঠিটা এই –

প্রিয় শঙ্কু,

ডাঃ টমাস গিলেটের নাম শুনেছ নিশ্চয়ই। অত বড় ক্যান্সারবিশেষজ্ঞ পৃথিবীর আর কেউ ছিল না। ছিল না বলছি এই কারণে যে, আজ সকার সাতটায় হার্ট অ্যাটাকে গিলেটের মৃত্যু হয়েছে। সে ক্যান্সারের একটি অব্যর্থ ওষুধ তৈরি করতে চলেছিল। আমায় গত মাসেই বলেছিল, ‘আরেকটা মাস – তারপরে আর ক্যান্সারের ভয় থাকবে না।’ কিন্তু সেই ওষুধ তৈরি করার আগেই সে চলে গেল। আর চেয়ে বড় দুর্ঘটনা আর হতে পারে না। আমি ক্রোলকেও লিখেছি। আমার ইচ্ছা – ইনগোলস্ট্যাটে গিয়ে জুলিয়ার ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনকে বলে তার প্রপিতামহের ডায়রির সাহায্যে গিলেটকে আবার বাঁচিয়ে তোলা। তুমি কি মনে কর পত্রপাঠে জানাও। গিলেটের মৃতদেহ আমি কোল্ড স্টোরেজে রাখতে বলে দিয়েছি। এখানে ডাক্তারিমহলকে আমার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি। তারা সকলেই রাজি আছে।

ইতি

জেরেমি সন্ডার্স

আমি সন্ডার্সকে ইনগোলস্ট্যাট যাচ্ছি বলে জানিয়ে দিয়েছি। পরশুই রওনা। এবারে নিজের খরচেই যেতে হবে। কিন্তু কাজটা সফল হলে খরচের দিকটা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা চলবে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Frankenstein – Satyajit Ray

When it comes to Professor Shanku’s stories, overdose is just not a thing. So here is another of his adventures. You may know a thing or two about Frankenstein, but this story has a bit more than what you may have read or heard, for instance, neo-nazis, and the Professor himself.

ছোটগল্প ৬৮ – প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ / Short Story 68 – Professor Shanku O Adim Manush (Professor Shankur and the Homo afarensis)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Adim Manush

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কু ও আদিম মানুষ – সত্যজিৎ রায়

শঙ্কুর এই গল্পের পূর্বকথা হাইনরিখ ক্লাইন নামের একজন বিখ্যাত নৃতত্ত্ববিদের অ্যামাজন অভিযান। অ্যামাজনে ভ্রমণকালে ক্লাইন এমন এক উপজাতির সন্ধান পান, যা তার মতে মানুষ ত্রিশ লক্ষ বছর আগে যে অবস্থায় ছিল, সে অবস্থায়ই থেকে গেছে। শুধু তাই নয়, ক্লাইন সে উপজাতির থেকে একজনকে ফাঁদে ধরে তাঁর সাথে জার্মানি নিয়ে আসেন। স্বভাবতই ক্লাইনের খ্যাতি বিশ্বজোড়া ছড়িয়ে পরে, আর তার কিছুদিন পরেই শঙ্কু ক্লাইনের কাছ থেকে সেই উপজাতীয় নমুনাটিকে দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র পান। শঙ্কু সে সময় ক্রমবিবর্তনের গতি বাড়ানোর একটি ঔষধ তৈরী করার চেষ্টা করছিলেন। তাই ক্লাইনের চিঠি পেয়ে শঙ্কু মানুষের আদি এবং ভবিষ্যৎ চেহারার দুটোই একসাথে দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখে ক্লাইনের কাছে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অবশ্য শঙ্কু মনে তখনো এটা ছিলনা যে তার ওষুধের অন্য একটি প্রয়োগ থাকতে পারে।

Professor Shanku’s Stories – Shanku O Adim Manush (Shanku and Homo afarensis) – Satyajit Ray

This story of Professor Shanku starts when Heinrich Klein, a German anthropologist, comes across what he conjectures to be a population of Homo afarensis in the Amazon, and manages to capture a specimen and bring him to Germany. International fame soon follows, and he invites Shanku to come and observe the ape. At the time, Shanku had been working on a drug that accelerates evolution and tested it successfully. Foreseeing a rare opportunity of witnessing the early and advanced forms of humans side by side, he accepts the invitation, realizing little that his drug may have uses that he had not foreseen.

ছোটগল্প ৬৬ – প্রফেসর শঙ্কু – মানরো দ্বীপের রহস্য / Short Story 66 – Professor Shanku – Manrow Dwiper Rahasya (The Manrow Island Mystery)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – মানরো দ্বীপের রহস্য – সত্যজিৎ রায়

আবার শঙ্কু, আর এর আগে তুলে দেওয়া গল্পটির বর্ণনার মত এবারো গল্প থেকে উদ্ধৃতি দিয়েই শুরু করছি –

এই দ্বীপে পৌছানোর আগে গত তিন সপ্তাহের ঘটনা সবই আমার ডায়রিতে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা আছে। হাতে যখন সময় পেয়েছি তখন সেগুলোকেই একটু গুছিয়ে লিখে রাখছি।

আমি যে আবার এক অভিযানের দলে ভিড়ে পড়েছি, সেটা বোধহয় আর বলার দরকার নেই। এই দ্বীপের হয়তো একটা নাম থাকতে পারে, কারণ আজ থেকে তিনশো বছর আগে এখানে মানুষের পা পড়েছিল, কিন্তু সে নাম সভ্য জগতে পৌঁছায়নি। আমরা এটাকে আপাতত মানরো দ্বীপ বলেই বলছি।

আমরা দলে আছি সবশুদ্ধ পাঁচজন। তার মধ্যে একজন হল আমার পুরনো বন্ধু জেরেমি সন্ডার্স, যার উদ্যোগেই এই অভিযান। এই উদ্যোগের গোঁড়ার কথা বলতে গেলে বিল ক্যালেনবাখের পরিচয় দিতে হয়। ইনিও আমাদের দলেরই একজন। ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসী, দীর্ঘকায় বেপরোয়া শক্তিমান পুরুষ, পেশা ছবি তোলা। বয়স পয়তাল্লিশ হতে চলল, কিন্তু চালচলন তার অর্ধেক বয়সের যুবার মতো। ক্যালেনবাখের সঙ্গে সন্ডার্সের পরিচয় বেশ কয়েক বছরের। গত ডিসেম্বরে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকার তরফ থেকে ক্যালেনবাখ গিয়েছিল উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি শহরে কিছু স্থানীয় উৎসবের ছবি তুলতে। মোরক্কোর আগাদির শহরে এসে এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটে। আগাদির সমুদ্রতীরের শহর, সেখানে অনেক জেলের বাস। ক্যালেনবাখ জেলেপাড়ায় গিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের ছবি তুলতে। একটি জেলের বাড়িতে ঢুকে তার চোখ পড়ে মালিকের বছরতিনেকের একটি ছেলের উপর। ছেলেটি হাতে একটা ছিঁপিআটা বোতল নিয়ে খেলা করছে। বোতলের ভিতরে কাগজ দেখতে পেয়ে ক্যালেরবাখের কৌতুহল হয়। সে ছেলেটির হাত থেকে বোতল নিয়ে দেখে তার ছিপি সিল করে বন্ধ করা এবং ভিতরের কাগজটা হল ইংরেজীতে লেখা একটা চিঠি। হাতের লেখার ধাঁচ থেকে মনে হয় সে চিঠি বহুকালের পুরনো। ছেলেটির বাপকে জিজ্ঞেস করে ক্যালেনবাখ জানে যে ওই বোতল নাকি তার ঠাকুরদাদার আমল থেকে তাদের বাড়িতে আছে। জেলেরা জাতে মুসলমান, আরবি ভাষায় কথা বলে, তাই বোতল থেকে চিঠি বের করে পড়ার কোন প্রশ্ন ওঠেনি।

সেই চিঠি ক্যালেনবাখ বোতল থেকে বার করে পড়ে এবং পড়ার অল্পদিনের মধ্যেই তার কাজ সেরে চলে যায় লন্ডনে। সেখানে সন্ডার্সের সঙ্গে দেখা করে চিঠিটা তাকে দেখায়। পেনসিলে লেখা মাত্র কয়েক লাইনের চিঠি। সেটার বাংলা করলে এই দাঁড়ায় –

ল্যাটিচিউড ৩৩ ডিগ্রি ইস্ট – লঙ্গিচিউড ৩৩ ডিগ্রি নর্থ,

১৩ ডিসেম্বর ১৬২২

এই অজানা দ্বীপে আমরা এমন এক আশ্চর্য উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছি যার অমৃততুল্য গুণ মানুষের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। এই সংবাদ প্রচারের জন্য ব্র্যান্ডনের নিষেধ সত্ত্বেও এ চিঠি আমি বোতলে ভরে সমুদ্রের জলে ভাসিয়ে দিচ্ছি। ব্ল্যাকহোল ব্র্যান্ডন এখন এই দ্বীপের অধীশ্বর। অতএব এই চিঠি পড়ে কোনও দল যদি এই উদ্ভিদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এখানে আসে, তারা যেন ব্র্যান্ডনের সাথে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে আসে। আমি নিজে ব্র্যান্ডনের হাতের শিকার হতে চলেছি।

হেক্টর মানরো

Professor Shanku’s Adventures – Manrow Dwiper Rahasya (The Manrow Island Mystery) – Satyajit Ray

Professor Shanku again. This time, Shanku finds himself in an expedition to an island in which presumably no one had set foot for the last three centuries. The reason – a message in a bottle from a certain Dr. Hector Manrow, who was traveling in a ship that had been looted by Caribbean pirates in 1622. Apparently, the pirates and Manrow became stranded soon after that in an island. But what was interesting to the explorers was Manrow’s disclosure that the island had a certain fruit whose near-ambrosia like benefits could change human civilization forever.

Satyajit Ray-Professor Shanku-Manrow Dwiper Rahasya 2

ছোটগল্প ৬৫ – প্রফেসর শঙ্কু – মহাকাশের দূত / Short Story 65 – Professor Shanku – Mahakasher Dut (The Messenger from the Stars)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Mahakasher Dutপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Mahakasher Dut

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – মহাকাশের দূত – সত্যজিৎ রায়

এবারের গল্পের অনেকটুকু সেটির নাম থেকেই বোঝা যায়, তাই এবার নাহয় গল্পের খানিকটা অংশই তুলে দেই –

“তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যে এই পাঁচ হাজার বছরের হিসেবে ক্রমশ পিছিয়ে গেলে বেশ কয়েকটা আশ্চর্য তথ্য বেরিয়ে পড়ে? পাঁচ হাজার বছর আগে ঈজিপ্টের স্বর্ণযুগের শুরু সে তো দেখেইছি। আরও পাঁচ হাজার পিছোলে দেখছি মানুষ প্রথম কৃষিকার্য শুরু করেছে, নিজের চেষ্টায় ফসল উৎপাদন করছে। আরও পাঁচ হাজার পিছিয়ে গেলে দেখছি মানুষ প্রথম হাড় ও হাতির দাঁতের হাতিয়ার, বর্শার ফলক, মাছের বঁড়শি ইত্যাদি তৈরী করছে, আবার সেইসঙ্গে গুহার দেওয়ালে ছবি আঁকছে। ত্রিশ হাজার বছর আগে দেখছি মানুষের মস্তিস্কের আকৃতি বদলে গিয়ে আজকের মানুষের মতো হচ্ছে…। পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাসের অনেক অধ্যায় আজও আমাদের কাছে অস্পষ্ট, কিন্তু এই পাঁচের হিসেবে যেটুকু ধরা পড়ছে সেটা আশ্চর্য নয় কি?”

মানব ইতিহাসে বড় বড় অগ্রগতিগুলোর সাথে সমপাতিক একটি ছোট্ট মহাজাগতিক পুনরাবৃত্তির গল্প মহাকাশের দূত , এবং প্রফেসর শঙ্কুর সবচেয়ে ভাবনা-উদ্রেককারী গল্পগুলির মধ্যে একটি।

Professor Shanku’s Stories – Mahakasher Dut (The Messenger from the Stars) – Satyajit Ray

Another of Professor Shanku’s adventures. Mahakasher Dut (The Messenger from Space) is the story of an extraterrestrial event that apparently repeats in synchrony with major events in human history, with the coming occurrence predicted to be in Prof. Shanku’s timeline. This story is undoubtedly one of the most thought provoking of the scientist’s adventures.

ছোটগল্প ৬৪ – প্রফেসর শঙ্কু – ডঃ শেরিং এর স্মরণশক্তি / Short Story 64 – Professor Shanku – Dr. Sherring er Smaranshakti (The Remembrance of Dr. Sherring)

Satyajit Ray-Professor Shanku-Dr Shering er Smaranshakti 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Dr Shering er Smaranshakti

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – ডঃ শেরিং এর স্মরণশক্তি – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর এই গল্পটির পটভূমি সুইটজারল্যান্ড। শঙ্কুর সেখানে যাওয়ার কারণ দুটো – এক, ইউরোপের বৈজ্ঞানিকমহলের সামনে তার সদ্য আবিস্কৃত স্মরণশক্তি বাড়ানোর যন্ত্র রিমেমব্রেনের কার্যকরিতার প্রমাণ দেওয়া, আর দুই, রহস্যজনক সড়ক দুর্ঘটনায় স্মৃতিশক্তি হারানো এক বৈজ্ঞানিকের হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে আনা। স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলার আগে ডঃ শেরিং একটি গোপন বিষয় নিয়ে গবেষণা করছিলেন, যা শেষ হওয়ার আগেই তিনি আর সেই গবেষণায় তার সহকর্মী ডঃ লুবিন পাহাড়ের গায়ে দুর্ঘটনাটির শিকার হন। দুর্ঘটনায় শেরিং বেচে গেলেও লুবিন মারা যান, আর গবেষণার কাগজপত্রসমেত তাদের গাড়িচালক নিশ্চিহ্ন হয়ে যান। শঙ্কুর যন্ত্র শেরিং এর উপর কাজ করলেও দুর্ঘটনার কারণ আর কাগজগুলোর হদিস সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানাতে পারেন না। শঙ্কুর সন্দেহ হয়, যে বৈজ্ঞানিকদের এই পরিণতির কারণ নিছক দুর্ঘটনা নয়, যদিও আসল ঘটনার অনেকটুকুই তখনো ঘটতে বাকি।

Professor Shanku’s Stories – The Remembrance of Dr. Shering – Satyajit Ray

In this story, Shanku finds himself in Switzerland in an attempt to recover the memories of a certain Dr. Sherring, who had been working on a top secret project before losing his memory in a traffic accident. While Dr. Sherring had survived, his co-worker on the project, Dr. Lubin, did not. More perplexingly, however, no body of the driver of their car is found, as are the documents of their research. While Shanku’s latest invention, the remembrain, succeeds in restoring Dr. Sherring’s memory, he fails to shed any light on the accident. Salvaging the documents seems to be an impossibility, until Shanku realizes that the accident , after all, might not have been one.

Satyajit Ray-Professor Shanku-Dr Shering er Smaranshakti 2

ছোটগল্প ৫৩ – বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা / Short Story 53 – Bigyani Anik Lumba (Anik Lumba, Scientist)

Jafar Iqbal-Bigyani Anik Lumba

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Zafar Iqbal-Bigyani Anik Lumba-Indur

বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা – জাফর ইকবাল

জাফর ইকবালের লেখা হাসির বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলোর প্রায় সবকটিরই কেন্দ্রে একজন মেধাবী কিন্তু আলাভোলা বৈজ্ঞানিক চরিত্র মেলে, যেমন এই গল্পে আমরা পাই অনিক লুম্বাকে। ঢাকার শহরেরই কোন এক চেনা গলিতে থাকা অনিকের সাথে আমরা পরিচিতি হই তার বন্ধু ও গল্পের মোটাসোটা আলসে বর্ণনাকারীর মাধ্যমে। আলাভোলা অনিক আর তার চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক বন্ধু, দুজনে মিলে এলাকার বিবিধ সমস্যার অভিনব সমাধান বের করে। এই গল্পের সমস্যা – বিশালাকায় ইঁদুর, আর তার চাইতেও বড় ইঁদুর।

Bigyani Anik Lumba (Anik Lumba, Scientist) – Zafar Iqbal

The humorous science-fiction stories written by Zafar Iqbal usually have a playful and the stereotypically brilliant but careless scientist in their centers. In this story, the character happens to be a young scientist by the ‘name’ of Anik Lumba. Winged by the lazy and totally unscientific narrator who happens to be his friend, Anik Lumba finds solutions to problems in the neighborhood – in this story, rats – both large and very large.

ছোটগল্প ৫১ – প্রফেসর শঙ্কু – রোবু / Short Story 51 – Professor Shanku – Robu

Satyajit Ray-Professor Shanku-Robuপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link:  Satyajit Ray-Professor Shanku-Robu

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – রোবু – সত্যজিৎ রায়

বেশ কিছু দিন হয়ে গেল এই সাইটে প্রফেসর শঙ্কুর কোন গল্প তুলে দেই নি, তাই আজকের লেখাটি। গল্পটির শুরু হয় যখন দেড় বছর ধরে কাজ করে প্রফেসর শঙ্কু রোবু নামের একটি যন্ত্রমানব (রোবট) তৈরী করেন। তার কিছুদিন পরেই জার্মানি থেকে শঙ্কুর জন্যে একটি চিঠি আসে, যা পড়ে জার্মানির এক বিজ্ঞানীর কথা জানতে পারেন, যার বিশ্বাস যন্ত্রকে দিয়ে কখনোই মানুষের কাজ করানো সম্ভব নয়। শঙ্কু স্থির করেন জার্মানি যাবেন, যদিও তার ধারণা ছিলনা যে সেখানে তার এবং রোবুর জন্য কিরকম প্রতিদ্বন্দিতা অপেক্ষা করছে।

Professor Shanku’s Stories – Robu – Satyajit Ray

It has been a while since I last uploaded a Professor Shanku adventure, hence this upload. Robu starts with the professor’s creation of a robot of the same name, and with the arrival of a letter of invitation from a scientist in Heidelberg, Germany. Shanku decides to accept the invitation, little knowing the competition he and his robot were going to face.

ছোটগল্প ৪৩ – প্রফেসর শঙ্কু – কর্ভাস / Short Story 43 – Professor Shanku – Corvus

Satyajit Ray-Professor Shanku-Corvus

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Corvus

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – কর্ভাস – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর আরেকটি গল্প। পাখিদের বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে শঙ্কুর অনেক দিন থেকেই কৌতুহল থাকায় তিনি স্থির করেন যে কৃত্তিমভাবে একটি পাখির বুদ্ধি বাড়িয়ে দেখবেন কি হয়। পরীক্ষার জন্যে পাখিও মেলে – একটি পাতিকাক, আর তা সফলও হয়। তবে মজার ঘটনাগুলো ঘটতে শুরু করে তার কয়দিন পরে।

Professor Shanku’s Stories – Corvus – Satyajit Ray

Another of Professor Shanku’s stories. In Corvus, Shanku realises his longtime dream of artificially augmenting a bird’s intelligence. The subject of the experiment, a common crow, develops a high intelligence as a result, with amusing consequences.

ছোটগল্প ৪১ – প্রফেসর শঙ্কু – নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো / Short Story 41 – Professor Shanku – Nakurbabu O El Dorado (Nakurbabu and El Dorado)

Shanku-Nokurbabu O El Doradoপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Nakurbabu O El Dorado

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলোর চরিত্রদের মধ্যে যদি নকুড়চন্দ্র বিশ্বাস সাথে পাঠকদের পরিচয় না হয়, তাহলে এই সাইটে প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলোর তালিকাটি অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। নকুড়বাবুর সম্পর্কে বেশি কিছু বললে গল্পের মজা নষ্ট হয়ে যাবে, তবে এটুকু বলব যে গল্পটির শুরু হয় তার অতীন্দ্রীয় আর সম্মোহনী ক্ষমতাকে ঘিরে, আর শেষ হয় ব্রাজিলের অ্যামাজন জঙ্গলের মাঝে এক কিংবদন্তির শহরে। টেলিপ্যাথি, সম্মোহন, এল ডোরাডো, অ্যানাকন্ডা, সোনার শহর – আরো অনেক কিছুই এক সূত্রে গাঁথা সত্যজিৎ রায়ের এই গল্পে।

Professor Shanku’s Stories – Nakurbabu O El Dorado (Nakurbabu and El Dorado) – Satyajit Ray

Of the characters in Professor Shanku’s adventures, Nakurchandra Biswas deserves a special mention. Of course, that needs to be done in its place, that is, in Nakurbabu O El Dorado. But without giving too much away, let me tell you that the story starts with Nakurbabu revealing his extrasensory and hypnotic powers, and ends in a fabled city in the Brazilian Amazon. Telepathy, hypnotism, El Dorado, Anaconda, City of Gold, and a lot more, threaded into a absorbing narrative by Satyajit Ray.

Shanku-Nokurbabu O El Dorado 2

 

ছোটগল্প ৩৭ – প্রফেসর শঙ্কু – হিপনোজেন / Short Story 37 – Professor Shanku – Hypnogen

Shanku-Hypnogen

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Hypnogen

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – হিপনোজেন – সত্যজিৎ রায়

এবার সত্যজিৎ রায়ের লেখা একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী – প্রফেসর শঙ্কু নানা অভিযানের ফাঁকে যখন তাঁর গিরিডির বাড়িতে, তখন নরওয়ের থেকে তার কাছে একটি রহস্যজনক টেলিগ্রাম আসে, যাতে জনৈক আলেকজান্ডার ক্রাগ শঙ্কুকে তার নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। কৌতুহলী শঙ্কু খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে এককালে আলেকজান্ডার ক্রাগ নামের এক হীরের খনির মালিক থাকলেও তিনি ১৯১৩ সালেই মারা যান। কিন্তু খটকা লাগলেও শঙ্কু যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ টেলিগ্রামে যাতায়াতের সমস্ত খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি ছাড়া এও লেখা ছিল, যে ক্রাগের বাসস্থানেই শঙ্কুর সাথে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিকের দেখা হতে চলেছে।

Professor Shanku’s Stories – Hypnogen – Satyajit Ray

This time, another of Professor Shaku’s adventures – while in Giridi between his expeditions, the Professor receives a mysterious telegram bearing an invitation form a certain Norwegian named Alexandar Krag. Curious, Professor Shanku decides to look him up, and finds in an old who’s who that the last widely known Alexandar Krag was a diamond mine owner who had died in 1913. However, Shanku still decides to go, as besides the guaranteed reimbursement, Mr. Krag also mentions that he would introduce the world’s greatest scientist to the Professor at his residence.

গল্প ৩৪ – ফেলুদা – গোলকধাম রহস্য / Story 34 – Feluda – Golakdham Rahasya (A Mysterious Tenant)

satyajit-ray-feluda-golakdham-rahasya

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Golakdham Rahashya

ফেলুদার গল্প – গোলকধাম রহস্য – সত্যজিৎ রায়

আবার ফেলুদা, তবে এবারের বর্ণনায় পাঠকদের জন্যে সচরাচর লেখা ভূমিকার বদলে গল্পের এই অংশটুকু তুলে দিলাম –

“অ্যাক্সিডেন্টের পরে তিনি আপনার সাথে যোগাযোগ রাখেননি?”
“না। এটুকু বলতে পারি যে তার একাগ্রতার অভাব ছিল। বায়োকেমিস্ট্রি ছাড়াও অন্য পাঁচ রকম ব্যাপারে তার ইন্টারেস্ট ছিল।”
“বিষ্ফোরণটা কি অসাবধানতার জন্য হয়?”
“আমি নিজে সজ্ঞানে কখনো অসাবধান হইনি।”

মাঝের টেবিলে মোমবাতি রাখায় সকলের মুখ আবার দেখা যাচ্ছে। নীহারবাবুর কালো চশমার দুই কাঁচে দুটি কম্পমান হলদে বিন্দু। মোমবাতির শিখার ছায়া।

ফেলুদা চায়ে আরেকটা চুমুক দিয়ে আবার চশমার দিকে চেয়ে বলল, “আপনার গবেষণার নোট্‌স যদি অন্য কোনো বায়োকেমিস্টের হাতে পড়ে তাহলে তার পক্ষে সেটা লাভজনক হবে কি?”

“নোবেল প্রাইজটা যদি লাভজনক বলে মনে করেন তাহলে হতে পারে বৈকি।”

অন্ধ বিজ্ঞানী, দশরথ, একটি অসমাপ্ত কাজ, দুটি মৃত্যু – মানুষের ভিতরে লুকিয়ে থাকা প্রবৃত্তি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি অসাধারণ গোয়েন্দা গল্প।

Feluda’s Adventures – Golakdham Rahasya (A Mysterious Tenant) – Satyajit Ray

Another of Feluda’s stories. In Golakdham Rahashya, the notes of an emerging scientist who had lost his sight in an explosion are mysteriously stolen. Not everything is what it seems, though, and as Feluda delves into the case, the darker sides to those deemed innocent soon emerge even as those easier to despise escape blame. At the end of it all, though, it is only the scientist’s unfinished task that matters… Golakdham Rahashya is detective fiction, but the range of human emotions it explores make the story one of the most thought-provoking reads among Feluda’s exploits.

ছোটগল্প ২৭ – প্রফেসর শঙ্কু – একশৃঙ্গ অভিযান / Short Story 27 – Professor Shanku – Eksringa Abhijan (Quest for the Unicorn)

Shanku-Eksringa Abhijanপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Eksringa Abhijan

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – একশৃঙ্গ অভিযান – সত্যজিৎ রায়

শঙ্কুকে নিয়ে লেখা সত্যজিৎ রায়ের গল্পগুলোতে বিজ্ঞান আর কল্পনার অসাধারণ সংমিশ্রণের কথা এর আগেই লিখেছি। তবে কল্পনার কথাই যদি বিশেষ করে বলতে হয়, তাহলে শঙ্কুর ‘একশৃঙ্গ অভিযান’ এর চেয়ে মোক্ষম উদাহারণ সম্ভবত আর হয় না। ‘একশৃঙ্গ অভিযানে’ শঙ্কুর এক বন্ধু তিব্বত ঘুরে আসা এক সদ্যমৃত পর্যটকের ডায়েরীতে অদ্ভুত একটি তথ্যে খুঁজে পান, যা প্রফেসর শঙ্কু ও তার সহযাত্রীদের নিয়ে যায় তিব্বতের দুর্গম পর্বতমালায়। বিপদসঙ্কুল সেই যাত্রার উদ্দেশ্য – বাস্তবতা আর কল্পনাকে একাকার করে দেওয়া এক জগতের সন্ধান করা… আর অনুপ্রেরণা – সেই ডায়েরীতে লেখা একটি লাইন, “আই স আ হার্ড অফ ইউনিকর্নস টুডে (আজ আমি একপাল ইউনিকর্ন দেখেছি)”।

যারা পড়ছেন, তাদের জন্য কিছু সুড়সুড়ি দেওয়া শব্দ – উড়ন্ত লামা, ঐরাবত, তিব্বতি দস্যু, বাসিলিস্ক, ডুং লুং ডো।

Professor Shanku’s Stories – Eksringa Abhijan (Quest for the Unicorn) – Satyajit Ray

Another of Professor Shanku’s adventures. In Eksringa Abhijan (Quest for the Unicorn), Shanku and his friends embark on a treacherous journey into the mountains of Tibet in search of a world where the physical and the mythical are one. Their motivation – a line in the diary of a mountaineer whose path they would be tracing: “I saw a herd of unicorns today”.

A few teasers – The Flying Lama, Airavata, Basilisk, Bandits, Dung Lung Do. Enjoy!

Shanku-Eksringa Abhijan 2

ছোটগল্প ২৫ – প্রফেসর শঙ্কু – শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ / Short Story 25 – Professor Shanku – Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance)

Shankur Subarna Sujog

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Shankur Subarna Shujog

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর গল্পগুলো পড়লে সেগুলোর ভিন্নতা দেখে অবাক হয়ে যেতে হয়। প্রাচীন সভ্যতার বর্তমানতা থেকে শুরু করে মানুষের ভবিষ্যৎ রূপ, কিংবা সম্মোহন (হিপনোটিজম) অথবা যন্ত্রের ক্ষুদ্রকরণ (মিনিয়েচারাইজেশন) – শঙ্কুর গল্পগুলোর মধ্যে দিয়ে সত্যজিৎ ইতিহাস আর বিজ্ঞানের অনেক তথ্যের সাথে আমাদের পরিচিত করেছেন অসাধারণ সাবলীলতায়। ‘শঙ্কুর সুবর্ণ সু্যোগ’ সেদিক দিয়ে অনন্য একটি গল্প, আর বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হিসেবে তো বটেই – স্পেন, অ্যালকেমি, জবীর ইবন হায়ান, প্ল্যানচেট – একই ছোটগল্পে নিপুণভাবে গাঁথা এত বৈচিত্র অন্য কোন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে আছে কি?

Professor Shanku’s Stories – Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance) – Satyajit Ray

One of the many remarkable things about Professor Shanku’s stories is the variety of topics that they present. From ancient civilizations to the future evolution of man, or from hypnotism to miniaturization of electronics – Satyajit Ray introduces a wonderful medley of historical and scientific topics to the reader. Shankur Subarna Shujog (Shanku’s Golden Chance) is certainly a stand-out in that respect (and as a science fiction, of course!) – Spain, Alchemy, Jabir Ibn Hayyan, Planchette… need I say more?

ছোটগল্প ২৪ – প্রফেসর শঙ্কু – স্বর্ণপর্ণী / Short Story 24 – Professor Shanku – Swarnaparni (The Golden Leaf)

Swarnaparniপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Swarnaparni

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – স্বর্ণপর্ণী – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর ছবি কল্পনা করলেই মনে দাঁড়িগোফের জঙ্গলে ঢাকা একটি শীর্ণ মুখাবয়ব ভেসে ওঠে। অবশ্য একটি সময় ছিল, যখন শঙ্কু ছিলেন একজন বুদ্ধিদীপ্ত তরুণ বিজ্ঞানী। এবার সেই সময়কারই একটি গল্প – মিরাকিউরল আবিস্কারের আর নাৎসিদের সাথে লড়ার – শঙ্কুর স্মৃতিচারণায়, আর সত্যজিতের কলমে।

Professor Shanku’s Stories – Swarnaparni (The Golden Leaf) – Satyajit Ray

In the mind of the initiated, the words ‘Professor Shanku‘ invariably create the image of a bearded old man. There was a time, though, when Shanku was young – a professor even then, but young. And it was the time when he invented Miracurall and outwitted Herr Göring and the Nazis. This upload is his reminiscence of those times.

ছোটগল্প ১৮ – প্রফেসর শঙ্কু – কম্পু / Short Story 18 – Professor Shanku – Compu

Compu

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku-Compu

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – কম্পু – সত্যজিৎ রায় 

প্রফেসর শঙ্কুর আরেকটি গল্প – ওসাকার একটি গবেষণাগারে শঙ্কু সহ পৃথিবীবিখ্যাত সাত বিজ্ঞানী তিন বছর পরিশ্রম করে একটি যন্ত্র দাঁড় করান, যা পঞ্চাশ কোটি প্রশ্নের উত্তর নিখুঁতভাবে দিতে পারে, এমনকি তুলনা বা বিবেচনাও করতে পারে – সোজা ভাষায়, একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার বানান তারা। তখনকার দিনে এমন একটি যন্ত্র হবে, যা আয়তনে মাত্র একটি ফুটবলের সমান, আর যা মানুষের সাথে ভাষায় তথ্য আদান-প্রদান করবে, তা মানুষের কল্পনার বাইরে ছিল, যে কারণে যন্ত্রটি বেশ সাড়া ফেলে দেয়। অবশ্য শঙ্কু আর তার সহকর্মীরা কল্পনাই করতে পারেননি যে তাদেরই বানানো যন্ত্রের এমন কিছু ক্ষমতা থাকতে পারে, যা তাদের অনুভাবনের বাইরে।

Professor Shanku’s Stories – Compu – Satyajit Ray

Another of Professor Shanku’s stories – After three years of work at a research institute in Osaka, a team of seven scientists, engineers and inventors – including Shanku – successfully build what they view as essentially a huge data bank with arithmetic and logic capabilities. At the time, such a machine, barely larger than a football and voice controlled, was nothing short of a revolution. Shanku and his colleagues had reasons enough to be proud, but they realized little that their computer was far more capable than they imagined.

ছোটগল্প ১৫ – প্রফেসর শঙ্কু ও চী-চিং / Short Story 15 – Professor Shanku – Professor Shanku O Chi Ching

Shanku O Chi Chingপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Chi Ching

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও চী-চিং – সত্যজিৎ রায়

জাদু নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের বেশ আগ্রহ ছিল, সে কথা আগের একটি আপলোডের বর্ণনায় আগেই বলেছি। তারই ধারাবাহিকতায় লেখকের আরেকটি গল্প তুলে দিলাম। প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – হংকং এ বেড়াতে গিয়ে এক ম্যাজিক শোতে শঙ্কুর সাথে চী-চিং বলে একজন জাদুকরের সাথে পরিচয় হয়, যেসময় বিশেষ একটি কারণে চী-চিং বেশ বিব্রতও হন। চার বছর পর তাদের আবার সাক্ষাৎ হয়, শঙ্কুর নিজের বাড়িতে। শঙ্কু বিস্মিত হলেও তাঁর ধারণা ছিলনা যে এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য শুধু কুশল বিনিময় নয়।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shonku O Chi Ching – Satyajit Ray

This time, a short story that links Satyajit Ray’s fascination with magic and penchant for science-fiction writing together. During a visit to Hong Kong, Professor Shanku meets a Chinese magician by the name of Chi Ching – an encounter that ends up in the public humiliation of the latter. Four years later, Chi Ching shows up at the former’s house much to the surprise of the professor, who cannot fathom out the reason for his visit.

ছোটগল্প ১৪ – প্রফেসর শঙ্কু – মরুরহস্য / Short Story 14 – Professor Shanku – Marurahasya (The Desert Mystery)

Morurahashyaপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shonku-Morurahasya

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – মরুরহস্য – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানগুলোর মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয় গল্প মরুরহস্য। গল্পটির শুরু হয় শঙ্কুর পরিচিত গ্রীক জীবতত্ত্ববিদ (বায়োলজিস্ট) হেক্টর ডিমেট্রিয়াসের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার মধ্যে দিয়ে। আর তারপর ঘটনাটির অনুসন্ধান প্রফেসর শঙ্কু আর তার বন্ধু সামারভিলকে নিয়ে যায় গ্রীস হয়ে সাহারার মরুপ্রান্তরে, যেখানে রহস্যটির বিশালতা তাদের দুজনকে ভয়ে, বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করে দেয়।

Professor Shanku’s Stories – Morurahasya (The Desert Mystery) – Satyajit Ray

This time, a personal favorite among the adventures of Professor Shanku. The story starts with a sudden disappearance of Hector Dimetrius, a biologist and an acquaintance of the professor. Shanku’s investigations take him and his friend Somerville from Greece to the sandy expanses of the Sahara – where the magnitude of the mystery leaves the two terrified and dumbfounded.

ছোটগল্প ৫ – প্রফেসর শঙ্কু ও বাগদাদের বাক্স / Short Story 5 – Professor Shanku – Professor Shanku O Baghdader Baksho

Baghdader Baksho WPপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Baghdader Baksho

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও বাগদাদের বাক্স – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কুর আরেকটি গল্প। বাগদাদে একটি সম্মেলনের শেষে প্রফেসর শঙ্কুর সাথে রহস্যময় একজন স্থানীয় ভদ্রলোকের পরিচয় হয়, যিনি দাবী করেন আরব্যোপন্যাসের সব কিছুই কিন্তু কল্পনা নয়। উপস্থিত বিজ্ঞানীদের অনেকেই প্রথমে তার কথা উড়িয়ে দিলেও অচিরেই শঙ্কুর কাছে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে হাসান অল্‌ হাব্বাল নামের রহস্যময় ঐ লোকটির দাবি মিথ্যে নয়।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shonku O Baghdader Baksho – Satyajit Ray

At an inventor’s conference in Baghdad, Professor Shanku meets a mysterious Hassan Al Habbal, who claims that the Arabian Nights were not all written from imagination. While most do not take him seriously at first, it soon becomes evident to Shanku that Al Habbal’s claims were not far from the truth.

A few teasers: Sim Sim, Ur, Ziggurat, funeral. Enjoy!