ছোটগল্প ১৩০ – বিষফুল / Short Story 130 – Bishful (The Poison Flower)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Bishful

বিষফুলসত্যজিৎ রায়

ওদিকে যাবেন না বাবু!”
কেন যাব না কেন? কি হবে গেলে?”
বিষ আছে।
বিষ? কিসে?”
গাছে?”

বিষ আছে জানলি কী করে?”
মরে যায় যে।
কী মরে যায়?”
সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুরপাখি…”
কী করে মরে যায়? গাছে বসলে? না ফুল খেলে?”
কাছে গেলে?”

আজ সত্যজিৎ রায়ের একটি ছোটগল্প – ভয় আর মনের দৌর্বল্য মানুষকে কি করতে পারে, তা নিয়ে।

Bishful-Satyajit Ray

Today, for the readers, a short story by Satyajit Ray – about what fear can do to a frail mind.

Advertisements

ছোটগল্প ১২৯ – প্রফেসর হিজিবিজ্‌বিজ্‌ / Short Story 129 – Professor Hijibijbij


পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Hijibijbij

প্রফেসর হিজিবিজ্‌বিজ্‌ – সত্যজিৎ রায়

অনেকদিন পরে আজ সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি ছোটগল্প। ‘প্রফেসর হিজিবিজ্‌বিজ্‌’ নামটি শুনলে কি পাঠকদের কি সুকুমার রায়ের হ-য-ব-র-ল গল্পের বিখ্যাত কোন চরিত্রকে মনে পড়ে? বাবার লেখা একটি চরিত্রের মাঝে যে সত্যজিৎ রায় অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবেন, তা আশ্চর্য নয়। কিন্তু তাই বলে যে গল্পটি শুধুমাত্রহ-য-ব-র-ল এর ধারাবাহক, তা মোটেও নয়। ‘প্রফেসর হিজিবিজ্‌বিজ্‌’ গল্পটি সুকুমার-সৃষ্ট একটি চরিত্রকে ভিত্তি করে লেখা বটে, কিন্তু তা ছাড়াও সেটি একই সাথে পাঠকদের টানবার মত একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, খানিকটা ভৌতিক আর খানিকটা হাসির গল্প। সত্যজিৎ এর লেখা যারা পড়েন, তাদের এটি নিঃসন্দেহে ভাল লাগবে। আর সুকুমার রায়ের শিশুতোষ লেখাগুলো যারা পড়েছেন, তারাও গল্পটিতে চেনা চরিত্রগুলোকে নতুন চেহারায় দেখতে পাবেন। তাই আজ এই লেখাটি তুলে দেওয়া। পড়বার আমন্ত্রণ রইল। 🙂

Professor Hijibijbij – Satyajit Ray

Another long break later, a short story by Satyajit Ray. Does the name ‘Professor Hijibijbij’ ring a bell? If the reader is familiar with Sukumar Ray’s famour work Ha-Ja-Ba-Ra-La (or H.J.B.R.L), then perhaps? That Satyajit Ray would be inspired by one of his father’s creations is not surprising, but the work is more than a nod to his father’s work – it is at once a science-fiction and a cross between a funny and a horror story – which makes it fascinating and enjoyable at the same time. Fans of Ray’s works will definitely find this a great read, as will Sukumar-fans. And to those who are uninitiated to either of these wonderful writers, what better way to start? Hence this upload. Enjoy! 🙂

ছোটগল্প ১২৭ – ব্রাউন সাহেবের বাড়ি / Short Story 127 – Brown Saheb er Bari (The House of Mr. Brown)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Brown Saheb er Bari

ব্রাউন সাহেবের বাড়ি – সত্যজিৎ রায়

‘গোস্টস? গোস্টস? ইউ সিরিয়াসলি বিলিভ ইন গোস্টস? আজকের দিনে? আজকের যুগে?’

আমি আমতা আমতা করে বললাম, ‘একটা কৌতুহল থাকতে ক্ষতি কি? এমনও তো হতে পারে, ভূতেরও একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে, যেটা দশ বছরের মধ্যে জানা যাবে।’

ব্যানার্জির হাসি তবুও থামে না। লক্ষ করলাম ভদ্রলোকের দাঁতগুলো ভারী ঝকঝকে ও মজবুত।

অনীক বলল, ‘যাই হোক মিস্টার ব্যানার্জি – গোস্ট অর নো গোস্ট – এমন বাড়ি যদি একটা থেকেই থাকে, আর রঞ্জনের যদি একটা উদ্ভট খেয়াল হয়েই থাকে – একটা সন্ধেবেলা ওকে নিয়ে খানিকটা সময়ের জন্য ও বাড়িতে কাটিয়ে আসতে পারেন কিনে সেইটে বলুন। ও কলকাতা থেকে এসেছে, আমার গেস্ট – ওকে তো আর আমি একা যেতে দিতে পারি না সেখানে।

‘কী নাম বল্লেন বাড়িটার?’ ব্যানার্জি জিজ্ঞেস করলেন।

‘এভারগ্রিন লজ।’

‘ফ্রেজার টাউনে?’
‘তাই তো বলছে ডায়রিতে’

‘হুঁ…’ ভদ্রলোক পাইপে টান দিলেন। ‘ফ্রেজার টাউনে সাহেবদের কিছু পুরনো বাড়ি আছে বটে, কটেজ টাইপের। এনিওয়ে – যেতেই যিদি হয় তো দেরি করে লাভ কি? হোয়াট অ্যাবাউট আজ বিকেল? এই ধরুন চারটে নাগাদ?’

এই সাইটে লেখা তোলা হয়না অনেকদিন ধরে। তাই নীরবতা ভাঙ্গতে আজকের এই পোস্ট। ভৌতিক বিষয় নিয়ে সত্যজিৎ রায় চিরকালই বেশ আগ্রহী ছিলেন, আর ব্রাউন সাহেবের বাড়ি গল্পটি সেই আঙ্গিক থেকেই লেখা। আশা করি পাঠকদের ভাল লাগবে।

Brown Saheb er Bari (The House of Mr. Brown) – Satyajit Ray

Its been quite some time since I last posted anything on this site, so in a way of breaking the silence, an upload for those who love Satyajit Ray’s short stories. Brown Saheb er Bari (The House of Mr. Brown) starts with the narrator coming across a diary written by some long deceased Mr. Brown. Reading it, he finds that Brown spent his evenings with the ghost of a certain and very dear ‘Simon’. Burning with curiosity, the narrator tracks down Mr. Brown’s house, and persuades two friends to accompany him there to see if ‘Simon’ still spent his evenings there.