ছোটগল্প ১১৫ – ব্যোমকেশ বক্সী – চিত্রচোর / Short Story 115 – Byomkesh Bakshi – Chitrochor (The Picture Thief)

sharadindu-bandyopadhyay-byomkesh-bakshi-chitrochor

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Sharadindu Bandyopadhyay-Byomkesh-11 ChitroChor

ব্যোমকেশ বক্সীর গল্প – চিত্রচোর – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ ব্যোমকেশ বক্সীর একটি গল্প – চিত্রচোর। কঠিন অসুখ হতে সম্প্রতি আরোগ্য লাভ করা ব্যোমকেশ যখন কোন এক প্রত্যন্ত গঞ্জে হাওয়া বদলাতে এসেছে, এমন সময় সেখানে তাঁর এক আলাপীর ঘর হতে একটি ছবি চুরি যায়। মামুলি একটি ছবি কেন রহস্যজনকভাবে চুরি যাবে, তা কেউ বুঝে ওঠার আগেই সেই ভদ্রলোকের বন্ধুদের বাড়ি থেকেও ছবি চুরি যেতে শুরু করে। স্বাভাবিকভাবেই ব্যোমকেশকে ঘটনার তদন্তে নামতে হয়, আর সময়ের প্রবাহের সাথে সাথে অন্য সব কিছু ছাপিয়ে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে – ছবিগুলো চুরি যাওয়াই কি মূল ঘটনা, নাকি সেগুলো বড় কোন ঘটনার ভূমিকামাত্র?

Byomkesh Bakshi’s Adventures – ChitroChor (The Picture Thief) – Sharadindu Bandyopadhyay

A Byomkesh Bakshi story today. ChitroChor (The Picture Thief) starts with Byomkesh visiting some rural town as a change of air after a long illness. As it happens with detective stories, a mystery soon develops – a seemingly ordinary picture gets mysteriously stolen from the house of a wealthy local gentleman. Before anyone can figure out why, more thefts are reported – all pictures, and all belonging to the gentlemen’s friend circle. Byomkesh takes up the case, and he has to soon find whether the thefts are by themselves a thing, or whether they are leading up to something much bigger.

Advertisements

গল্প ১০৭ – অপরাজিত / Story 107 – Aparajito (The Unvanquished)

 

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito 2

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aparajito

অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

গত বছর পাঠকদের জন্যে এই সাইটে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি পথের পাঁচালী  আপলোড করেছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অপরাজিত , যাতে পথের পাঁচালীতে অপুর শুরু হওয়া পথচলা তার বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে এগিয়ে চলে নিতান্তই সাধারণ কোন বাঙ্গালী পুরুষের জীবনের চেনা বাঁকগুলো বেয়ে। পথের পাঁচালী যারা পড়েছেন, তাদের হয়তো মনে থাকবে যে গল্পটি শেষ হয় সদ্য-কিশোর অপুর নিজেকে পৃথিবীর সামনে একা আবিস্কার করার মধ্যে দিয়ে। অপরাজিত গল্পটির সমাপ্তিও তেমনই একটি নতুন যাত্রার সূচনায়। তবে ততদিনে অপু তার জীবন-মধ্যাহ্নে, যে কারণে আগের গল্পের সেই কাঁচা ছেলেটির চাইতে অনেক বেশি পোড় খাওয়া ও পরিণত একজন মানুষরূপে আমরা তাকে পাই। কিছু জিনিস বদলায়না অবশ্য – জীবনের শত প্রতিকূলতা আর অপর্ণা-লীলাদের চলে যাওয়ার পরেও অপু সেই আগের মতই সবুজ-মনের নিষ্পাপ মানুষটিই থাকে। সবাই তেমনি করে অপরাজিত থাকতে পারে?

কিশোর থেকে পুরুষ হয়ে ওঠার জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা একজন মানুষের গল্প অপরাজিত। পাঠকদের অনেকেই গল্পের অপুর মাঝে নিজেকে খুঁজে পাবেন জানি, তাই আমাদেরই কারো না কারো যাপিত জীবনের হাসি-কান্না নিয়ে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটি আজ তুলে দিলাম।

Aparajito (The Unvanquished) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

It has been quite a few months since I uploaded Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s Pather Panchali (Song of the Road) on this site. This time, in a follow up to it, an absolute masterpiece of a sequel: Aparajito (The Unvanquished) takes off where Pather Panchali had left the young Apu – alone and facing this world for the first time. And in this story, the bildungsroman continues, in the same, beautifully human tone that we find in the first. Life is more real this time, though – Apu has to care for himself and his mother in a world that could not care less about his struggles, and later, for a son who is only a reflection of Apu’s younger self. And through it all, he strives to keep his dreams and ideals alive in the face of the harsh reality that surrounds him, and has to hold himself together even as the people he comes to love depart one by one. Perhaps the plot sounds familiar? It is a ‘coming of age’ story that every man lives out, after all – a most beautiful bildungsroman. I hope you will like it… and if you have ever felt like a little boy who has had to grow up all too soon, I know you will.

গল্প ১০৫ – ফেলুদা – কৈলাসে কেলেঙ্কারী / Story 105 – Feluda – Kailash e Kelenkari (A Killer In Kailash)

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari

ফেলুদার গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – সত্যজিৎ রায়

অনেকদিন পর এই সাইটে আবার ফেলুদা – আর এবার এমনই একটি গল্পে, যা এতদিনের বিরতিকে ন্যায্যতা দেওয়ার মতই রহস্য-রোমাঞ্চে ঠাসা। ফেলুদার গল্পগুলোর বেশিরভাগই সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন কোন ব্যক্তিবিশেষ কিংবা পরিবারকে ঘিরে কোন রহস্যকে নিয়ে – যেমনটা আমরা পাই এবার কাণ্ড কেদারনাথে কিংবা ছিন্নমস্তার অভিশাপ এর মত গল্পগুলোতে। কৈলাসে কেলেঙ্কারী সেদিক দিয়ে একটু আলাদা – এই গল্পে ফেলুদাকে লড়তে হয় এমনই একটি চক্রের সাথে, যাদের নাগাল ভারতের প্রতিটি কোণে, আর যাদের কাছ থেকে নিজেকে ও তোপসেদের মুক্ত রাখতে প্রায় পুরো গল্পজুড়েই ফেলুদাকে থাকতে হয় আমাদের অগোচরে। পাঠকদের একটু সুড়সুড়ি দেওয়ার জন্যে গল্প থেকে দুটো অনুচ্ছেদ তুলে দেই –

“কেন মুশকিল কেন?… তবে একটা কথা বলি – একটা অ্যাডভাইস, অ্যাজ এ ফ্রেন্ড – এই সব র‍্যাকেটের পেছনে মাঝে মাঝে এক একটা দল থাকে – গ্যাং – এবং তারা বেশ পাওয়ারফুল হয়। গায়ের জোর বলছি না। পয়সার জোর। পোজিশনের জোর। শিক্ষিত অবস্থাপন্ন লোকেরা যখন নোংরা কাজে নামে, তখন সাধারণ ক্রিমিনালদের চেয়ে তাদের বাগে আনা অনেক বেশি শক্ত হয়, জানেন তো?”

আর এটা ফেলুদার –

“(এটা) আরও বেশি প্রেশাস। চুনি পান্না পৃথিবীতে হাজার হাজার আছে, ভবিষ্যতে সংখ্যায় আরও বাড়বে। কিন্তু কৈলাসের মন্দির বা সাঁচির স্তূপ বা এলিফ্যান্টার গুহা – এসব একটা বই দুটো নেই। হাজার-দু হাজার বছর আগে আমাদের আর্ট যে হাইটে উঠেছিল সে হাইটে ওঠার কথা আজকের আর্টিস্ট ভাবতেই পারে না। সুতরাং সে যুগের আর্ট দেশে যা আছে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। যারা তাকে নষ্ট করতে চায় তারা ক্রিমিন্যাল। আমার মতে ভূবনেশ্বরের যক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। যে করেছে তার কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।”

অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী ও গোয়েন্দা প্রদোষ চন্দ্র মিত্র… তিন ‘প’তে মিলে ফেলুদার আরেকটি দুর্দান্ত গল্প – কৈলাসে কেলেঙ্কারী – পাঠকদের জন্যে।

Feluda’s Adventures – Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash)

A long break later, a Feluda upload again – and this time, a story that is certainly worth the long wait that has been for some of you. While most of Feluda’s stories were centred on mysterious families and/or individuals (Chinnamaster Abhishap and Ebar Kando Kedarnath e are cases in point) Kailash e Kelenkari (A Killer in Kailash) is a big departure from that trend – in this story, our favorite sleuth faces a syndicate that not only is pan-Indian in its reach, but also murdurous in its smuggling of ancient Indian artifacts abroad. Interestingly, unlike Feluda’s other adventures, this story is one with a somewhat nationalistic tone – a generous dose of James Bond added to the usual Holmesian narrative, if you ask me… but far from diluting the plot, that only adds to its thrill. ‘For your eyes only’, therefore, this upload. Enjoy!

Satyajit Ray-Feluda-Kailash e Kelenkari 2

ছোটগল্প ১০১ – প্রফেসর শঙ্কু – প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় / Short Story 91 – Professor Shanku – Professor Shanku O Har (Bones)

Satyajit Ray-Professor Shanku O Harপিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Professor Shanku O Har

প্রফেসর শঙ্কুর গল্প – প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় – সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কু ও হাড় সত্যজিতের লেখা শঙ্কুর প্রথম গল্পগুলোর একটি। আর সেসব গল্পগুলোর মত এটিতেও আমরা শঙ্কুকে ধী-স্থির ঋষিতুল্য বিজ্ঞানীর বদলে বেপরোয়া একজন হিসেবেই দেখতে পাই। তবে এই গল্পটা সেদিকটা বাদেও প্রফেসরের অন্য গল্পগুলোর চাইতে একটু আলাদা, কারণ এতে শঙ্কু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার বশে যা করেন, তা তাকে আমাদের চিরচেনা নীতিবান এক মানুষের বদলে একজন আত্মসাৎকারীর পর্যায়েই ফেলে দেয়।

Professor Shanku’s Stories – Professor Shanku O Har (Bones) – Satyajit Ray

Professor Shanku O Har is one of the first stories of the scientist written by Satyajit Ray, and like others of its kind, it depicts Shanku as more of a reckless scientist than the almost sage-like person we come across his later depictions. This story is different, however, for another reason: in it, Shanku’s recklessness and curiosity leads him to appropriate someone else’s property – an act that results in severe consequences.

গল্প ৯৩ – পথের পাঁচালী / Story 93 – Pather Panchali (Song of the Road)

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Pather Panchali

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Pather Panchali

পথের পাঁচালী – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি গল্প। পথের পাঁচালী র সারমর্ম পাঠকদের জন্য তুলে ধরার মত ক্ষমতা আমার নেই, কিন্তু বাংলা সাহিত্যের অমর এই সৃষ্টিটিকে কি ভূমিকা ছাড়া এই সাইটে উপস্থাপন করা যায়? তাই এই ভণিতাটুকু। পথের পাঁচালী আমাদের চিরচেনা গ্রামবাংলারই কোনো এক প্রান্তে একটি নিম্নবিত্ত পরিবারের জীবনকাহিনী, যাতে বিভূতিভূষণ পরিবারটির হাসি-কান্না, স্বপ্ন আর সংগ্রামের ছবি তুলে ধরেছেন অবিশ্বাস্য নিপুণতায়। এই সাইটে তোলা বিভূতিভূষণের আগের গল্পগুলোর মতো এটিও বিশেষ কোন পরিণতিকে উদ্দেশ্য করে নয়, বরং লেখা সাধারণ সব মানুষদের জীবনের নগণ্য সব ঘটনা নিয়েই। উদাহারণস্বরূপ গল্পটির মূল চরিত্র ছোট্ট অপুর জীবন থেকে একটি ঘটনা তুলে দেই –

বিশু ডানপিটে ছেলে, তাহাকে দৌড়িয়া ধরা কি খেলায় হারানো সোজা নয়। একবার অমলা স্পষ্টতই বিরক্তি প্রকাশ করিল। অপু প্রাণপণে চেষ্টা করিতে লাগিল যাহাতে সে জেতে, যাহাতে অমলা সন্তুষ্ট হয় – কিন্তু বিস্তর চেষ্টা সত্ত্বেও সে আবার হারিয়া গেল।

সে-বার দল গঠন করিবার সময় অমলা ঝুঁকিল বিশুর দিকে।

অপুর চোখে জল ভরিয়া আসিল। খেলা তাহার কাছে হঠাৎ বিস্বাদ মনে হইল – অমলা বিশুর দিকে ফিরিয়া সব কথা বলিতেছে, হাসিখুসি সবই তাহার সঙ্গে। খানিকটা পরে বিশু কি কাজে বাড়ী যাইতে চাইলে অমলা তাহাকে বার বার বলিল যে, সে যেন আবার আসে। অপুর মনে অত্যন্ত ঈর্ষা হইল, সারা সকালটা একেবারে ফাঁকা হইয়া গেল! পরে সে মনে মনে ভাবিল – বিশু খেলা ছেড়ে চলে যাচ্ছে – গেলে খেলার খেলুড়ে কমে যাবে, তাই অমলাদি ঐরকম বলছে, আমি গেলে আমাকেও বলবে, ওর চেয়েও বেশি বলবে। হঠাৎ সে চলিয়া যাইবার ভান করিয়া বলিল – বেলা হয়ে যাচ্ছে, আমি যাই নাইবো। অমলা কোনো কথা বলিল না, কেবল কামারদের ছেলে নাড়ুগোপাল বলিল – আবার ও-বেলা এসো ভাই!

অপু খানিক দূর গিয়া একবার পিছনে চাহিল – তাহাকে বাদ দিয়া কাহারও কোনো ক্ষতি হয় নাই। পুরাদমে খেলা চলিতেছে, অমলা মহা উৎসাহে খুঁটির কাছে বুড়ি হইয়া দাঁড়াইয়াছে – তাহার দিকে ফিরিয়াও চাহিতেছে না।

অপু আহত হইয়া অভিমানে বাড়ি আসিয়া পৌঁছিল, কাহারও সঙ্গে কোনো কথা বলিল না।

ভারি তো অমলাদি! না চাহিল তাহাকে – তাতেই বা কি?…

উপরের লেখাটি পড়লে ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া তেমনই কোন ঘটনার কথা মনে পড়ে, তাই না? বাংলা সাহিত্যিকদের মধ্যে গ্রামীণ সমাজ আর শিশুমনকে একইসাথে বিভূতিভূষণের মতো অবলীলায় তুলে ধরতে আর কেউ বোধহয় পারেননি, আর তাঁর ক্ষমতার উৎকর্ষ যদি কোথাও ঘটে থাকে, তা এই গল্পতেই।পথের পাঁচালী  শুধু পল্লীবাংলার অকৃত্তিম প্রতিচ্ছবিই নয়, তার বুকে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ছেলেমানুষী হাসি-কান্নার দিনলিপিও। আর সেই অনন্যতাস্বরূপই বাংলা সাহিত্যে ছাড়িয়ে সমগ্র বিশ্বসাহিত্যেই হয়তো গল্পটি অদ্বিতীয়। অসাধারণ এই গল্পটি ছাড়া এই সাইটটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, তাই আজ পাঠকদের জন্যে এটি তুলে দিলাম।

(প্রসঙ্গত – যারা আগে জানতেন না, সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী  কিন্তু বিভূতিভূষণের এই গল্পকে ঘিরেই লেখা। সত্যজিৎ রায়ের অতুলনীয় নির্দেশনার কারণে গল্পটি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করেছে সন্দেহ নেই, তবে চলচ্চিত্রের সৌন্দর্যের মূলটুকু কিন্তু সত্যজিৎ খুঁজে পেয়েছিলেন তার প্রিয় এই গল্পটির মধ্যেই। পথের পাঁচালী  চলচ্চিত্রটি বানানো নিয়ে সত্যজিৎ তাঁর একেই বলে শুটিং  স্মৃতিচারণার একটি অধ্যায় লিখেছিলেন – পাঠকদের সেটিও পড়বার আমন্ত্রণ রইল।)

Pather Panchali (Song of the Road) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

Pather Panchali (Song of the Little Road) by Bibhutibhushan Bandyopadhyay, is one of the most celebrated works in Bangla literature. As far as accolades go, there is not much I can say that has not been already said, but it needs to be mentioned that perhaps no other work in Bangla, and even perhaps world literature, compares to the novel in its representation of a rural life from the perspective of a little boy (Apu) from a poor family. Like Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s other works, Pather Panchali too does not have a conclusion towards which it is directed. Instead, the narratives loses itself in a languid but beautiful flow that is interspersed with little Apu’s joys and sorrows – for instance, his seeing a train for the first time, and his offense at not heeded by a girl with whom he wants to play. The narrative is not even throughout, however. As Apu grows up, the realities of his world become starker, and on the last page of the novel, an adolescent Apu is left trying to become a man. In many ways, Pather Panchali is a familiar story of our childhoods, and the close-knit families from which many of us come. But it is with this ordinariness that it captures the reader, stirring up the most intimate and beautiful of childhood memories, and anchors itself to his/her heart. That every Bangalee should read this Bibhutibhushan masterpiece goes without saying. So here it is, for your eyes.

(Something that you might find interesting: The story was taken to the global audience by eminent Indian film director Satyajit Ray, whose début with Pather Panchali (Song of the Little Road), brought him and his genre of Indian cinema critical acclaim across the world. Ray’s personal account of the making of the film can be found in his autobiography Ekei Bole Shooting. While Ray’s direction was crucial in presenting the narrative, he always took particular care to acknowledge Bibhutibhushan’s influence on him. Those who have read Feluda’s stories will know that Bibhutibhushan was the sleuth’s favorite writer. )