গল্প ১১৮ – ফেলুদা – দার্জিলিং জমজমাট / Short Story 118 – Feluda – Darjeeling Jamjomat (Murder in the Mountains)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Darjeeling Jamjomat

ফেলুদার গল্প – দার্জিলিং জমজমাট – সত্যজিৎ রায়

অনেক দিন পর ফেলুদার আরেকটি গল্প, আর এবারে পটভূমি দার্জিলিং। ফেলুদাকে আমরা রূপালী-পর্দার জগতে প্রথম দেখি বোম্বাইয়ের বোম্বেটেতে, যখন বলিউডের চিত্রনির্দেশক পুলক ঘোষাল লালমোহন বাবুর গল্প থেকে একটি চলচ্চিত্র বানানোয় হাত দেন। সেই গল্পে ফিল্মও বানানো হয়, আর ফেলুদাও তারই মাঝে বোম্বাইয়ের এক বড় চোরাচালানকারীকে জব্দ করে। যাই হোক, তার বছরখানেক পরে পুলকবাবু আবারও লালমোহনবাবুর আরেকটি গল্প থেকে নতুন একটি সিনেমা বানানো শুরু করেন, আর দৃশ্যধারণের জায়গা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় দার্জিলিং শহরটিকে। ফেলুদা ও তোপসের ইচ্ছে ছিল যে শুটিং দেখার সাথে সাথে তাদের প্রথম গোয়েন্দাগিরির জায়গাটিতে আরেকবার ঘুরে আসার, কিন্তু সেখানে গিয়ে যে তাদের আরেকবার তদন্তে নামতে হবে, তা কে জানত?

Feluda’s Adventures – Darjeeling Jamjomat (Murder in the Mountains) – Satyajit Ray

It has been a while since I last posted a Feluda story – so this time, an upload that takes the sleuth back to the very place where he first started as a detective. The story starts with Lalmohan Babu getting another offer from Bollywood director Pulak Ghoshal for one of his stories to be made into a movie. The last time that happened, Feluda and co. ended up in Mumbai to watch the shooting, and Feluda busted a smuggling racket and caught a godfather of the Mumbai underworld. This time, in a much more tranquil Darjeeling, he and Topshe hope to relax and relive old memories. But once they are there, things take a turn for the worse, and the detective has to reprise a familiar role in a familiar place.

গল্প ১১৭ – ক্যাম্প / Story 117- Camp

jafar-iqbal-camp

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Zafar Iqbal – Camp

ক্যাম্প – জাফর ইকবাল

একটি যুদ্ধ, দুটি পক্ষ, কয়েকটি দৃষ্টিকোণ, আর একটি মৃত্যু – ক্যাম্প  মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ নিয়ে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা আরেকটি উপন্যাস। পাঠকদের মধ্যে যারা বাংলাদেশি, তারা নিশ্চই জাফর ইকবালকে চেনেন, আর হয়তো এও জানেন যে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি পিতৃহারা হয়েছিলেনক্যাম্প উপন্যাসটি তাই যতটা কাল্পনিক, ততটাই বাস্তব এবং ব্যক্তিগত। যতদূর জানি, একাত্তর-পরবর্তী বাংলাদেশে ৪৭ বছরের রাজনীতি আর দলবাজির প্রভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেকটাই সরলীকরণের বলি হয়েছে, যেকারণে আজ যুদ্ধের দিনগুলোর চরিত্রগুলোকে হয় সাদা কিংবা কালোর কাতারে ফেলার প্রবণতা বেশ প্রবল। কিন্তু ক্যাম্প পড়লে বোঝা যায় যে সেই সময়কার বাস্তবতা ছিল অনেকটাই জটিল, আর এও বোঝা যায় যে একাত্তরের খলনায়ক ছিল যারা, আদর্শগত ভাবে ভিন্ন হলেও তাদের মত অনেকেই দুই বাংলায়ই আজও বর্তমান।

Camp – Zafar Iqbal

A war, two sides, a few perspectives, and a death – Camp is another story by Muhammad Jafar Iqbal that portrays lives during the liberation war of Bangladesh. Readers who are Bangladeshi need no introduction to Jafar Iqbal; for those who do not know, the writer lost his father during atrocities committed by the Pakistani army during the war. For a fiction, Camp is therefore a very real account, and more – it is personal.

From the little I know, 47 years of politics and factionalism have left the war-time history in post-war Bangladesh grossly oversimplified. Consequently, the tendency among many these days is to portray characters from those times in either black or white. Camp, however, reveals them to us in shades of gray, and makes us realize the worrying truth that even after all this time, people just like them still linger among us.

গল্প ৭৫ – আরণ্যক / Story 75 – Aranyak (Of the Forest)

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aranyak

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Aranyak

আরণ্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

মানুষের বসতির পাশে কোথাও নিবিড় অরণ্য নাই। অরণ্য আছে দূর দেশে, যেখানে পতিত-পক্ব জম্বুফলের গন্ধে গোদাবরী-তীরের বাতাস ভারাক্রান্ত হইয়া ওঠে, ‘আরণ্যক’ সেই কল্পনালোকের বিবরণ। ইহা ভ্রমণবৃত্তান্ত বা ডায়েরি নহে – উপন্যাস। অভিধানে লেখে ‘উপন্যাস’ মানে বানানো গল্প। অভিধানকার পণ্ডিতদের কথা আমরা মানিয়া লইতে বাধ্য। তবে ‘আরণ্যক’-এর পটভূমি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়। কুশী নদীর অপর পারে এরূপ দিগন্ত-বিস্তীর্ণ অরণ্যপ্রান্তর পূর্বে ছিল, এখনো আছে। দক্ষিণ ভাগলপুর ও গয়া জেলার বন পাহাড় তো বিখ্যাত।

অবশেষে আরণ্যক । অনেকদিন ধরে এই সাইটে বাংলা সাহিত্যের এই অমর সৃষ্টিটিকে উহ্য রেখেছি – গল্পটি লম্বা আর সাধুভাষায় লেখা বলে। কিন্তু আধুনিক ও সময়-সচেতন জীবনের ধারা ভেঙ্গে প্রকৃতির কোলে কখনো না কখনো তো ফিরতে ইচ্ছে করে, আর তাছাড়া এই সাইটের ১০০তম লেখা এটি, তাই আজ এই অসাধারণ সুন্দর গল্পটি তুলে দিলাম। ‘আরণ্যক’ শব্দটির অর্থ ‘অরণ্য কে নিয়ে’, তবে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই গল্পটি শুধু প্রকৃতিই নয়, তার কোলে যেসব অতিসাধারণ গ্রাম্য মানুষদের বাস, তাদের হাসি-কান্না, স্বপ্ন আর ভালবাসার কথা নিয়েও।আরণ্যক গল্পটির চরিত্র অনেক আর তারা প্রায় সকলেই স্মরণীয়, আর অরণ্যর সৌন্দর্যে হারিয়ে যাওয়ার বর্ণনা গল্পটিকে হেনরী থরো কিংবা জন মিউয়ারের স্রেষ্ঠ লেখাগুলোর কাতারে ফেলে। কিন্তু তা সত্ত্বেও গল্পটি প্রকৃতি বা বিশেষ কোন চরিত্র কে নিয়ে লেখা নয়। আরণ্যক একটি প্রবাহ – যাতে প্রকৃতির নিবিড় বন্ধনে বাঁধা পড়া কিছু মানুষের জীবন সময়ের শান্ত স্রোতে ধীরে ধীরে একটি নিরুদ্বিগ্ন অবধারিতের দিকে প্রবাহিত হয় – আর একটি গল্প, যা প্রতিটি বাঙ্গালীর জন্য অবশ্যপাঠ্য।

Aranyak (Of the Forest) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

This time, a novel that I have been holding myself off from putting here out of fear that it is too long – but on the occasion of publishing this site’s 100th post, it is only fitting that I make Aranyak (Of the Forest) the subject of this piece. A masterclass written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay, the story narrates the life of a Bangalee youth who assumes oversight of a forest estate in Bihar. A born urbanite, he suddenly has to confront Nature and a society where life is languid, and his experiences perhaps mirror that of the sophisticated reader: an initial incredulity that Nature (or a book about living in her midst) could be so beautiful and engrossing, followed by a complete immersion, and perhaps even infatuation, with her beauty. In its closeness to Nature, Aranyak ranks beside the best of Henry Thoreau’s or John Muir’s works, yet, in depicting the rustic lives of the simple folk who live surrounded by the forest, it achieves so much more. A story that seamlessly weaves Nature with human existence, Aranyak is a must-read for every Bangalee.

গল্প ৭০ – ফেলুদা – টিনটোরেটোর যীশু / Story 70 – Feluda – Tintorettor Jishu (Tintoretto’s Jesus)

Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu

ফেলুদার গল্প – টিনটোরেটোর যীশু – সত্যজিৎ রায়

কলকাতার বাইরে একদিন লালমোহনবাবুর গাড়িতে চড়ে বেড়াতে গিয়ে রাস্তায় ফেলুদাদের সাথে নবকুমার নিয়োগী বলে এক ভদ্রলোকের পরিচয় হয়। তাঁর গাড়ি মেরামত করতে সাহায্য করায় কৃতজ্ঞতাবশত তিনি ফেলুদাদের বৈকুন্ঠপুরে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। ফেলুদারা যানও, আর যথেষ্ট যত্নআত্তি পাওয়ার সাথে সাথে সেখানে তাঁদের বিখ্যাত ইটালিয়ান চিত্রশিল্পী টিনটোরেটোর (সঠিক উচ্চারণ তিনতোরেত্তো) আঁকা একটি যীশুর ছবিও দেখা হয়। এত আপ্যায়নের মাঝেও কিন্তু ফেলুদার মনে নিয়োগীবাড়িতে আরও কয়েকজন অতিথির থাকা, আর কিছুদিন আগে বাড়ির পোষা কুকুরটির মৃত্যু নিয়ে খটকা লাগে। আর সেই সন্দেহ সত্যি প্রমাণিত হয় যখন ফেলুদাদের চলে আসার কিছুদিন পরে সেই নিয়োগীবাড়িতে একটি খুনের সাথে সাথে যিশুর সেই মহামূল্য ছবিটি লোপাট হয়ে যায়।

Feluda’s Stories – Tintorettor Jishu (Tintoretto’s Jesus) – Satyajit Ray

Another of Feluda’s adventures – during a group trip out of the city, Feluda and co. help fix the car of a certain Nabakumar Niyogi, who gratefully invites them to spend the night his residence not far away. It turns out that Niyogi babu is rather wealthy, and Feluda, Topshe and Lalmohan Babu are treated like royals. However, when Feluda finds out that the family’s dog had been mysteriously killed a few days earlier, and that there are other guests staying in the house, he suspects that something is about to go wrong. And he is vindicated a few days layer, when Mr. Niyogi’s secretary is murdered and the most treasured possession of the Niyogi family, a Renaissance-era portrait of Jesus drawn by the Italian artist Tintoretto, goes missing.

Satyajit Ray-Feluda-Tintorettor Jishu 2

গল্প ৬৩ – ফেলুদা – হত্যাপুরী / Story 63 – Feluda – Hatyapuri (Murder Town)

Satyajit Ray-Feluda-Hatyapuri (2)

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Hatyapuri

ফেলুদার গল্প – হত্যাপুরী – সত্যজিৎ রায়

অনেকদিন পর আবার ফেলুদার আরেকটি গল্প। গ্রীষ্মের কলকাতার চিরচেনা লোডশেডিং আর মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে ফেলুদা, তোপসে ও লালমোহনবাবু সিদ্ধান্ত নেন যে পুরীর সমুদ্রসৈকত ঘুরে আসবেন। উদ্দেশ্য – সমুদ্রের ধারে কদিন কাটিয়ে একটু ঠান্ডা হয়ে আসা। পুরীতে গিয়ে অবশ্য শুধু তাদের ভ্রমণই হয়, তা নয়। ঘটনাচক্রে ফেলুদার সাথে বিচিত্র কিছু মানুষের দেখা হয়ে যায়, যাদের একজন বন্যপ্রাণীর ছবি তোলেন, আর আরেকজন যিনি মানুষের কপালে হাত দিয়ে তাদের ভাগ্য পড়তে পারেন। প্রথমে কিছু না বোঝা গেলেও ফেলুদার কাছে ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে ঐ দুজন খুব ভিন্ন মানুষসহ আরও বেশ কয়েকজনকে ঘিরে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত কিছু ঘটনার একমাত্র যোগসুত্র ডি.জি. সেন নামের এক রহস্যজনক ব্যক্তি, যার সাথে ফেলুদার এক জ্যাঠার আলাপ ছিল এককালে।

Feluda’s Adventures – Hatyapuri (Murder Town) – Satyajit Ray

A Feluda upload this time. With the summer heat in Kolkata becoming unbearable, Feluda, Topshe and Lalmohon Babu decides to go to the beaches of Puri to cool off. However, in the course of their travels in Puri, they come across two intriguing characters – a wildlife photographer who has returned from Nepal and an astrologer who can read one’s past and the future by touching his/her forehead. While not obvious at first, it soon becomes clear to Feluda that strange events involving these two men and a few others in Puri are strung by a common thread – a mysterious man named D. G. Sen, who a certain uncle of Feluda used to know.

Satyajit Ray-Hatyapuri 2

গল্প ৫৮ – ফেলুদা – ডাঃ মুনসীর ডায়েরী / Story 58 – Feluda – Dr. Munshi’s Diary

 

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Dr Munshir Diary

ফেলুদার গল্প – ডাঃ মুনসীর ডায়েরী – সত্যজিৎ রায়

ফেলুদার আরেকটি গল্প। ডাঃ রাজেন মুনসী, কলকাতার স্বনামধন্য মনোবিজ্ঞানী, চল্লিশ বছর ধরে লিখে আসা ডায়েরী অবশেষে বই আকারে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। তার গর্ব – ডায়েরীতে একটিও মিথ্যে কথা তিনি লেখেননি। তবে তিনি মনোবিজ্ঞানী বলে অনেকেরই গোপন কথা তিনি জানেন, যাদের বইটি বের হওয়া নিয়ে আপত্তি করা অস্বাভাবিক নয়। সেদিক থেকে যাতে বাঁধা না আসে, সেজন্যে ডাঃ মুনসী ফেলুদাকে নিয়োগ করেন তাদের বুঝিয়ে বলার জন্য। তবে গল্পের পিছনেও যে আরও অনেক ঘটনা আছে, তা ফেলুদা প্রথমে না জানলেও তার কাছে সেসব স্পষ্ট হয়ে ওঠে অচিরেই।

Feluda’s Adventures – Dr. Munshi’s Diary – Satyajit Ray

Another of Feluda’s stories: Dr. Rajen Munshi, a famous psychiatrist in Koklata, decides to publish a series of diaries that he has been writing for the last 40 years… His point of pride: there is not a a single lie in those writings. Some of his clients, however, do not take the news well, fearing that private details they intimated to him would soon go public. Dr. Munshi hires Feluda to convince those people, but then, things take an unexpected turn…

গল্প ৫৫ – চাঁদের পাহাড় / Story 55 – Chander Pahar (Mountains of the Moon)

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Chander Pahar

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bibhutibhushan Bandopadhyay-Chander Pahar

চাঁদের পাহাড় – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

এবার বিভূতিভূষণ। চাঁদের পাহাড় গল্পটি একজন বাঙ্গালী তরুণের অভিযানের গল্প, যা অভিযানের নেশা আছে যাদের, তাদের নিশ্চয় ভাল লাগবে। পাঠকদের জন্য গল্পের খানিকটা সেটির ভূমিকা হতে তুলে দেই –

“বাঙ্গালীর ছেলে শঙ্কর, পাকা খেলোয়াড়, নামজাদা বক্সার, ওস্তাদ সাঁতারু – এফ-এ পাশ করে সুবোধ ছেলের মতো কাজকর্মের সন্ধান করল না, দেশান্তরের হাতছানি পেয়ে সে পাড়ি দিল সুদূর পূর্ব-আফ্রিকায়। ইউগান্ডা রেলওয়ের নতুন লাইন তৈরী হচ্ছিল – চাকরী পেয়ে গেল। ডিয়েগো আলভারেজ নামের দুর্ধর্ষ এক পর্তুগীজ ভাগ্যান্বেষীর সঙ্গে হঠাৎ সেখানে তার দেখা। শঙ্কর এই দুঃসাহসী ভাগ্যান্বেষীর সঙ্গ ধরে মহাদুর্গম রিখটার্সভেল্ড পর্বতে অজ্ঞাত এক হীরের খনির সন্ধানে চলে গেল। ডিঙ্গোনেক বা বুনিপ নামের অতিকায় এবং অতিক্রূর এক দানব-জন্তু সেই হীরের খনি আগলিয়ে থাকত। পর্যটকেরা যার নাম দিয়েছেন চাঁদের পাহাড় সেই রিখটার্সভেল্ড পর্বতে গিয়ে জীবনমৃত্যু নিয়ে শঙ্করকে যে রোমাঞ্চকর ছিনিমিনি খেলতে হল তার আশ্চর্য বিবরণ যে-কোনো বয়সের কল্পনাকে উত্তেজিত করবে। বিখ্যাত ভ্রমণকারীদের অভিজ্ঞতা অনুসরণে আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগলিক সংস্থান এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যাদির যথাযথ বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। বিভূতিভূষণের হাতে তরুণদের জন্য লেখা এ-বই ধ্রূপদি সাহিত্য হিসেবে পরিগণিত হওয়ার যোগ্য।”

হীরা, সিংহ, মরুভূমি, গহীন জঙ্গল, হায়েনা, অভিযাত্রা… আফ্রিকা – চাঁদের পাহাড়  বাংলা সাহিত্যে অদ্বিতীয় একটি গল্প। পাঠকদের পড়বার আমন্ত্রণ রইল।  

Chander Pahar (Mountains of the Moon) – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

This time a certain story by the name of Chander Pahar (Mountains of the Moon), which details the travels of a Bangalee youth into the heart of Africa. Written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay, the story is sure to arouse a sense of adventure among adults and youth alike, and is offered here for your reading pleasure.

Bibhutibhushan Bandyopadhyay-Chander Pahar 2

গল্প ৫২ – দীপু নাম্বার ২ / Story 2 – Dipu Number 2

Jafar Iqbal-Dipu Number 2 BW

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Bangla-Zafar Iqbal-Dipu Number 2

দীপু নাম্বার টু – জাফর ইকবাল

এবার এমন একটি গল্প, যেটিকে বাংলা কিশোরসাহিত্যের উজ্জলতর উদাহারণগুলোর মধ্যে একটি বললেও কমই বলা হয়। দীপু নাম্বার টু  গল্পটি এমন এক ছেলেকে নিয়ে, যে নামের দিক দিয়ে যে দ্বিতীয় হলেও সাধারণতার দিক দিয়ে সে অনন্য। গল্পটিকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা লিখলে এই লেখার শুধু দৈর্ঘ্যই বাড়বে, তাই বরং ভেবেচিন্তে গল্পেরই একটি অংশ তুলে দিলাম, যাতে গল্পের উপসংহারটুকু ছাড়া আর প্রায় সবটুকুরই আঁচ পাওয়া যায়।

দীপুর সাথে তার আব্বার সম্পর্ক একটু অদ্ভুত। মোটেই অন্য দশজন আব্বা আর তাদের ছেলের মত নয়। দীপু তার আব্বার সাথে এমনভাবে কথা বলে যেন তিনি তার ক্লাসেরই একটি ছেলে। নিজের আম্মাকে কখনো দেখেনি, আব্বাই তাকে বড় করেছেন একেবারে ছেলেবেলা থেকে। কাজেই দীপুর আব্বাই তার সবচেয়ে বড় বন্ধু।

বিছানায় পা বিছিয়ে বসে ছিলো দীপু, আব্বা ওর পায়ে ঝাঁঝালো গন্ধের কি একটা প্লাস্টার লাগিয়ে দিচ্ছিলেন। আরামে দীপু আহ্‌! উহ্‌ করতে করতে আব্বাকে দিনের পুরো ঘটনা খুলে বলছিল। আব্বা চুপ করে শুনে যাচ্ছেন, ভাল মন্দ কিছুই বলছেন না। দীপু আশা করছিল আব্বা তার পক্ষ নিয়ে বলবেন তারিক যে কাজটা করেছে সেটা অন্যায়। কিন্তু আব্বা একবারও তারিককে দোষ দিয়ে একটি কথাও বললেন না। দীপু বিরক্ত হয়ে বললো, তুমি কি মনে করছো সব দোষ তাহলে আমার?
কে বলল সব দোষ তোর?
তাহলে  –
তাহলে কি?
তারিক যে আমাকে ধোলাই দেবে বলল?
তা আমি কি করব?

দীপু চুপ করে থাকল, সত্যিই তো ওর আব্বা কি করবেন? কিন্তু সমবেদনাটা তো ও পেতে পারে।
তাহলে তুমি বলছ মারামারি করি ওর সাথে?
আমি কিছু বলছি না।
ও যদি করতে চায়?
ইচ্ছে হলে করবি, ইচ্ছে না হলে করবি না, মার খাবি।

দীপু হাল ছেড়ে দিল। খানিক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, আমি ওর সাথে গন্ডগোল করতে চাই না, অথচ এমন পাজি ইচ্ছে করে ঝগড়া করে। জান আব্বা, এখনি সিগারেট খাওয়া শুরু করেছে।

তুই কি মনে করিস সিগারেট খেলেই মানুষ পাজি হয়?
হয়ই তো।
তাহলে আমিও পাজি?
যাও! দীপু হেসে বলল, তুমি কত বড় আর ও কত ছোট!
আমিও তো কত ছোট থেকে সিগারেট খেতাম।

দীপু নাম্বার টু‘ জাফর ইকবালের সেরা লেখাগুলোর মধ্যে একটি। একটি ছায়াছবিও তৈরী হয়েছে এই গল্পটি থেকে, যার ইউটিউব লিঙ্কটি নিচে তুলে দিলাম। ছবিটি গল্পটির মত অসাধারণ না হলেও আজকালকার বাংলায়/হিন্দিতে সিনেমার নামে যা হয়, তার চাইতে যে অনেক, অনেক ভালো, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাই পাঠকেরা গল্প বা ছায়াছবির মধ্যে যেটাই বেছে নিক, তাই তাদের ভালো লাগবে আশা করি।

Dipu Number Two – Zafar Iqbal

One of Zafar Iqbal’s best works, Dipu Number 2 is a beautiful story about boyhood. Dipu, the protagonist, is like any boy in more ways than one – he is frail, he plays football, and he cries when beaten up by bigger boys. Yet, he is different enough for us to take notice – for one thing, he refuses to tell the teacher the name of the student who bullied him, but not out of fear. I would not like to give the story away, so I will keep it down to this: Dipu, a boy who has to study in a new school every year because his father is always on the move, moves to an umpteenth new place and new school. This time, however, things are different, as he has to face a renewed reality of not having a mother, and deal with a class-bully who only adds severity to the word. What’s more, there is a far more thrilling adventure at hand, of which he has not the slightest idea. So, to the readers, I hope that you will find the story as wonderful as I have, whichever of the pdf and the video you choose.

গল্প ৪৭ – ডাক-হরকরা / Story 47 – Dak Harkara (The Postal Runner)

Tarashankar Bandyopadhyay-Dak Harkara

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link:  Tarashankar Bandopadhyay-Dak Harkara

ডাক হরকরা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

রাত্রির বাঁধা উপেক্ষা করে যারা ব্রিটিশ ভারতের কোণায় কোণায় ডাক পৌঁছে দিত, সেসব ডাক-হরকরার সংগ্রামী জীবন নিয়ে লেখা সুকান্তের কবিতা রানার এর আগেই তুলেছি। সেই সূত্র ধরেই একজন ডাক বহনকারীকে নিয়ে লেখা খ্যাতিমান সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি গল্প। গল্পের পাঠক যদি ছোট থাকতে বাংলাদেশের কোন বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে থাকেন, তাহলে হয়ত গল্পটির খানিকটা তাদের জানা থাকবে। ডাক হরকরা – এক নীতিবান ডাক বাহক ও তার দুশ্চরিত্র সন্তানকে নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ গল্প।

Dak Harkara (The Postal Runner) – Tarashankar Bandyopadhyay

Previously in this blog, I had posted Sukanta Bhattacharya’s Ranar (The Postal Runner), a poem about the hardships of the postal runners who carried mail to the remote corners of British India. This post is also about a poster runner. Written by the eminent Tarashankar Bandyopadhyay, Dak Harkara (The Postal Runner) is a story of Dinu, an honest mail deliveryman and his thuggish son Nitai. Those who have studied in Bangladesh during their younger years may find parts of this story familiar.

(ছবিতে রানারের প্রতিকৃতি একটি ভারতীয় ডাকটিকেট হতে সংগ্রহীত/Figure of the runner adopted from an Indian postage stamp.)

গল্প ৪০ – আমার বন্ধু রাশেদ / Story 40 – Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend)

Jafar Iqbal-Amar Bandhu Rashed

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Zafar Iqbal-Amar Bandhu Rashed

আমার বন্ধু রাশেদ – জাফর ইকবাল

 “তুই মশাল মিছিলে যাবি?”
“হ্যা। ছোট বলে হাতে মশাল দিতে চায় না। আগে গিয়ে অনেক সাধাসাধি করতে হবে।”
ফজলু চোখ ছোট ছোট করে বলল, “ইশ! আমি যদি তোর সাথে যেতে পারতাম!”
রাশেদ বলল, “চল যদি যেতে চাস।”
ফজলু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। দিলীপ বলল, “ফজলু যাবে মশাল মিছিলে? তাহলেই হয়েছে। কাকা তোকে পিটিয়ে লম্বা করে দেবে না?”
ফজলু বিষণ্ন মুখে মাথা নাড়ল। আশরাফ গম্ভীর গলায় বলল, “বড় না হওয়া পর্যন্ত মিছিলে যোগ দেওয়া ঠিক না। রাজনৈতিক দল ভুলপথে নিয়ে যাবে।”
রাশেদ আবার বড় মানুষের মত বলল, “পথে তো নামতে হবে আগে, না হলে জানবি কেমন করে কোনটা ভুলপথ কোনটা ঠিক পথ?”

আমরা যখন বড় হই, তখন আর অন্য অনেক কিছুর সাথে সাথে সাহিত্যে রুচিও বদলায়। ছোটবেলায় যেসব গল্পগুলো পড়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতাম, সেইগুলোই হয়ত বড় হওয়ার পর হাস্যকর আর ছেলেমানুষীতে ভরা বলে মনে হয়। অবশ্য এমন সব গল্পও থাকে, যেগুলো সময় বয়ে যাওয়া সত্ত্বেও মনকে আগের মতই টানে। আমার বন্ধু রাশেদ গল্পটি যখন প্রথম পড়ি, তখন আমি নেহাৎই ছোট। তখনকার কথা ভাবতে গেলে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এক ছোট্ট শহরে চারজন কিশোরের বন্ধুত্ব আর সাহস নিয়ে লেখা গল্পটি পড়তে পড়তে নিজেও কেমন করে গুপ্তযোদ্ধা হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, তা মনে পড়ে। এত দিন পর জাফর ইকবালের লেখা এই গল্পটি যে তার অন্যান্য ছোটগল্প খোঁজার সময় হঠাৎ করে খুঁজে পাব, তা ভাবতে পারিনি। কিশোর বয়সে যেমন ‘বড়’ হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, তার কিছুটা তো গত ক’বছরে হয়েছি, তাই এত দিন পর ভাল লাগবে কিনা, সেই দ্বিধা নিয়েই গল্পটি পড়তে বসেছিলাম। বুঝতে পারি নি যে এত বছর পরেও গভীর অভিমান নিয়ে শেষ হওয়া এই গল্পটি আমাকে আগের মতোই আবেগাপ্লুত করে তুলবে।

আমার মত পাঠকদেরও গল্পটি পড়ে তেমনই লাগবে, সেই বিশ্বাসে মুক্তিযুদ্ধ আর কৈশোর নিয়ে লেখা একাত্তরের এই অসাধারণ প্রতিচ্ছবিটি তুলে দিলাম – আমার বন্ধু রাশেদ , যা আমার মতে জাফর ইকবালের সেরা লেখাগুলোর মধ্যে একটি, আর যা দুই বাংলার যুদ্ধপরবর্তী প্রজন্মদের জন্যে একটি অবশ্যপাঠ্য।

Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) – Zafar Iqbal

Of the things that change with our growing up, taste in literature is one. Personally, I have always been intrigued by how the same works that many of us so looked forward to reading when we were young seem childish and laughable when we grow up. Some stories, however, still retain the old appeal over time, and I find Zafar Iqbal’s Amar Bandhu Rashed (Rashed, My Friend) to be one such story. Set in a Bangladeshi town during the liberation war of 1971, it narrates the adventures of four boys who risk their lives to liberate their town from the Pakistani military. Rashed, of course, is the leader of the pack, and his wit and bravery represent the romanticized archetype of the young Bangalee freedom fighter who fought for his land. Perhaps the masterwork by Zafar Iqbal, Amar Bandhu Rashed is probably the best introduction for young Bangalees to wartime literature, and a must read for post-war generations of both Bengals.

গল্প ৩৬ – ফেলুদা – ছিন্নমস্তার অভিশাপ / Story 36 – Feluda – Chhinnamastar Abhishap (The Curse of the Goddess)

Chhinnamastar Abhishap
পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Chhinnamastar Abhishap

ফেলুদার গল্প – ছিন্নমস্তার অভিশাপ – সত্যজিৎ রায়

সার্কাস, রিং মাস্টার, বাঘ, ষড়রিপু, তিন ( + ১ – ১ ) সন্তান, দুটি খুন, আর একজন হেঁয়ালীপ্রিয় বৃদ্ধ বাবা – হ্যা, আবার ফেলুদা, তবে ছিন্নমস্তার অভিশাপ ফেলুদার অন্য গল্পগুলোর চাইতে একটু আলাদা।

Feluda’s Adventures – Chhinnamastar Abhishap (The Curse of the Goddess) – Satyajit Ray

Circus, ring master, tiger, six cardinal passions,  three ( + 1 – 1 ) sons, 2 murders, and an old riddler – yes, Feluda again. But an overdose of the character? Not at all. Chinnamastar Abhishap is only a fitting addition to this site.

গল্প ৩৫ – ফেলুদা – সোনার কেল্লা / Story 35 – Feluda – Sonar Kella (The Golden Fortress)

satyajit-ray-feluda-sonar-kella
পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Sonar Kella

ফেলুদার গল্প – সোনার কেল্লা – সত্যজিৎ রায়

ফেলুদার বেশ কিছু গল্প এখন হাতে, তাছাড়া সময়ও অফুরন্ত। তাই আরেকটি আপলোড। আমেরিকা থেকে সম্প্রতি দেশে ফেরা বিখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ (প্যারাসাইকোলজিস্ট) ডঃ হেমাঙ্গমোহন হাজরা কলকাতায় অদ্ভুত একটি ছেলের সন্ধান পান, যার কথা শুনে মনে হয় যে অতীত কোন জীবনে সে অন্য একজন মানুষ ছিল। ছেলেটির মুখে তার ‘পূর্বজন্মের’ বর্ণনা শুনে তাকে নিয়ে ডঃ হাজরা গবেষণার জন্য রাজস্থান যাওয়া স্থির করেন। কিন্তু এদিকে পত্রপত্রিকায় ছেলেটির মুখে গুপ্তধনের কথার খবর বেরিয়ে যাওয়ায় গোলমেলে লোকজনরাও তাদের পিছু নেয়, আর ফেলুদাকে যেতে হয় ছেলেটিকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে… অন্তত প্রথমে ব্যাপারটা সেরকমই মনে হয়। জাতিস্মর ছেলে, রাজস্থানের মরূভূমি, জাঁদরেল মনস্তত্ত্ববিদ – সবকিছু নিয়ে ফেলুদার এই গল্পটি অনেক দিক দিয়েই অসাধারণ, কিন্তু বিশেষ কোন কিছুর কথা যদি বলতেই হয়, তবে এটুকুই বোধহয় যথেষ্ট – জটায়ুর সাথে ফেলুদার প্রথম দেখা হয় এই গল্পেই।

Feluda’s Adventures – Sonar Kella (The Golden Fortress) – Satyajit Ray

Lots of time and quite a few of Feluda’s adventures in my hands. Hence another upload. In Sonar Kella (The Golden Fortress), a parapsychologist in Kolkata is intrigued by a boy who talks about living an earlier life in Rajasthan, and decides to take the boy there to study him. The media, however, get hold of and publish the news that the boy speaks of a hidden treasure, which sets unknown rogues in their pursuit. Or at least, that is how things seem when Feluda takes up the case.
Memories of a previous life, the wild deserts of Rajasthan, parapsychology – Sonar Kella is an exceptional story in many ways, but if there is one thing that really sets this Feluda adventure apart from others – it is that Jatayu makes his first appearance here.

গল্প ৩৪ – ফেলুদা – গোলকধাম রহস্য / Story 34 – Feluda – Golakdham Rahasya (A Mysterious Tenant)

satyajit-ray-feluda-golakdham-rahasya

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Golakdham Rahashya

ফেলুদার গল্প – গোলকধাম রহস্য – সত্যজিৎ রায়

আবার ফেলুদা, তবে এবারের বর্ণনায় পাঠকদের জন্যে সচরাচর লেখা ভূমিকার বদলে গল্পের এই অংশটুকু তুলে দিলাম –

“অ্যাক্সিডেন্টের পরে তিনি আপনার সাথে যোগাযোগ রাখেননি?”
“না। এটুকু বলতে পারি যে তার একাগ্রতার অভাব ছিল। বায়োকেমিস্ট্রি ছাড়াও অন্য পাঁচ রকম ব্যাপারে তার ইন্টারেস্ট ছিল।”
“বিষ্ফোরণটা কি অসাবধানতার জন্য হয়?”
“আমি নিজে সজ্ঞানে কখনো অসাবধান হইনি।”

মাঝের টেবিলে মোমবাতি রাখায় সকলের মুখ আবার দেখা যাচ্ছে। নীহারবাবুর কালো চশমার দুই কাঁচে দুটি কম্পমান হলদে বিন্দু। মোমবাতির শিখার ছায়া।

ফেলুদা চায়ে আরেকটা চুমুক দিয়ে আবার চশমার দিকে চেয়ে বলল, “আপনার গবেষণার নোট্‌স যদি অন্য কোনো বায়োকেমিস্টের হাতে পড়ে তাহলে তার পক্ষে সেটা লাভজনক হবে কি?”

“নোবেল প্রাইজটা যদি লাভজনক বলে মনে করেন তাহলে হতে পারে বৈকি।”

অন্ধ বিজ্ঞানী, দশরথ, একটি অসমাপ্ত কাজ, দুটি মৃত্যু – মানুষের ভিতরে লুকিয়ে থাকা প্রবৃত্তি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের আরেকটি অসাধারণ গোয়েন্দা গল্প।

Feluda’s Adventures – Golakdham Rahasya (A Mysterious Tenant) – Satyajit Ray

Another of Feluda’s stories. In Golakdham Rahashya, the notes of an emerging scientist who had lost his sight in an explosion are mysteriously stolen. Not everything is what it seems, though, and as Feluda delves into the case, the darker sides to those deemed innocent soon emerge even as those easier to despise escape blame. At the end of it all, though, it is only the scientist’s unfinished task that matters… Golakdham Rahashya is detective fiction, but the range of human emotions it explores make the story one of the most thought-provoking reads among Feluda’s exploits.

গল্প ৩১ – ফেলুদা – বোম্বাইয়ের বোম্বেটে / Story 31 – Feluda – Bombaiyer Bombete (The Smugglers of Bombay)

Bombaier Bombete 1পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Bombaier Bombete

ফেলুদার গল্প – বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

এর আগের পোস্টে যা লিখেছিলাম, তারই ধারাবাহিকতায় আরেকটি গোয়েন্দা গল্প। ফেলুদাকে নিয়ে। সত্যি বলতে কি, গোয়েন্দা গল্পের ক্ষেত্রে বাংলায় ফেলুদার গল্পসমগ্রের সমতুল্য কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না। তবে ফেলুদার গল্পগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব শুধুমাত্র যে গোয়েন্দাপ্রবরেরই কারণে, তা নয়। অসাধারণ প্রতিদ্বন্দিতার জন্য দরকার অসাধারণ প্রতিপক্ষের, আর ফেলুদার গল্পের ক্ষেত্রেও কিন্তু তাই। আগের দুটো গল্পে ফেলু মিত্তিরকে দুজন দুর্ধর্ষ রাঘব বোয়ালের সাথে লড়তে হয়েছিল। বোম্বাইয়ের বোম্বেটেতেও তেমনই একজনের সাথে তার দেখা হয়ে যায়। তবে পার্থক্য এই যে আগের দুটো গল্পের খলনায়কদের পরিচয় অচিরেই স্পষ্ট হয়ে উঠলেও চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় ঘটা এই গল্পে বাস্তব আর অভিনয়ের পেছনে লুকিয়ে থাকা মুখোশধারীদের খুঁজে বের করা ফেলুদার পক্ষেও প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

Feluda’s Adventures – Bombaiyer Bombete (The Smugglers of Bombay) – Satyajit Ray

This time, another story of the unparalleled Bangalee sleuth Feluda. Like all good detective stories, and the two of his exploits previously posted on this site, this too features a villain whose cunning pushes the protagonist to his limits. But unlike the previous stories with their defined adversaries, this one takes place in Bollywood, a world where reality and pretense collude to mask the faces of those who pull the strings.

Bombaier Bombete 2

গল্প ৩০ – ফেলুদা – গোরস্থানে সাবধান / Story 30 – Feluda – Gorosthane Shabdhan (Beware in the Graveyard)

Gorosthane Shabdhan 1

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray – Feluda – Gorosthane Shabdhan

ফেলুদার গল্প – গোরস্থানে সাবধান – সত্যজিৎ রায়

এপর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে যেসব লেখাগুলো তোলা হয়েছে, সেগুলো আপলোড করার সময় অনেক গোয়েন্দা গল্প হাতে থাকলেও দৈর্ঘ্যের কারণে সেগুলো তুলে দেওয়া থেকে বিরত থেকেছি। আজকালকার দিনে কয়েক পৃষ্ঠার বেশি গল্প পরার সময় মানুষের কোথায়? তবে বিগত কিছু দিন থেকেই খেয়াল করছি যে অনেক পাঠক ফেলুদার যত কান্ড কাঠমান্ডুতে – যা কিনা এখন পর্যন্ত এই সাইটের একমাত্র গোয়েন্দা গল্প – ডাউনলোড করছেন। সেজন্যেই আজ উৎসুক পাঠকদের জন্যে আরেকটি গল্প তুলে দিচ্ছি – যা আমার মতে ফেলুদার কাহিনীগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা। গোরস্থানে সাবধান গল্পটি শুরু হয় কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রীট সমাধিক্ষেত্রে, যেখানে ঘুরতে গিয়ে ফেলুদা, তোপসে ও লালমোহনবাবু আকস্মিকভাবে একটি পুরোনো কবর রহস্যজনক ও অর্ধখোঁড়া অবস্থায় আবিস্কার করেন। ঘটনাটির তদন্ত তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে যায় পুরোনো কলকাতার জীর্ণ সাহেবপট্টি থেকে আধুনিক কলকাতার এক সুরম্য প্রাসাদে… আর ফেলুদাকে লড়তে হয় এমন একজনের প্রতিদ্বন্দির সাথে, যাকে শুধুমাত্র গডফাদার উপাধিটাই মানায়।

Gorosthane Shabdhan 3

Feluda’s Adventures – Gorosthane Shabdhan (Beware in the Graveyard) – Satyajit Ray

Till now, I have largely refrained from uploading detective stories on this site, the reason being their length. After all, few people have the time to read more than a few pages of literature these days. Lately, however, I have noticed that a lot of my readers so far have downloaded Jato Kando Kathmandute (The Criminals of Kathmandu), a story of the Bangalee detective Feluda, and the only detective story in this site so far. So, due to popular demand, here is another of his stories – and perhaps one of the best. In Gorosthane Shabdhan (Beware in the Graveyard), Feluda and his companions come across a partially excavated old tomb in Kolkata’s Park Street Cemetery, the investigation of which leads them to the decaying Anglo-Indian residences of old Kolkata and a palatial residence in the new town. And Feluda comes across an adversary who can only be described as a godfather.

satyajit-ray-feluda-gorosthane-shabdhan-2

গল্প ৭ – ফেলুদা – যত কান্ড কাঠমান্ডুতে / Story 7 – Feluda – Jato Kando Kathmandute (The Criminals of Kathmandu)

Feluda Kathmandu

পিডিএফ লিঙ্ক / PDF Link: Satyajit Ray-Feluda-Jato Kando Kathmandu te

ফেলুদার গল্প – ফেলুদা – যত কান্ড কাঠমান্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

বাংলা সাহিত্যে যদি শার্লক হোমস বলে কেও থেকে থাকেন, তবে তিনি ফেলুদাই। সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী সৃষ্টি এই গোয়েন্দা শুধু বাংলারই নন, খুব সম্ভবত পুরো উপমহাদেশেরই সবচেয়ে বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র। এই গল্পে ফেলুদাকে আমরা পাই নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে।  গল্পটা অবশ্য ফেলুদার অন্য গল্পগুলোর থেকে একটু আলাদা… ভিন্ন দেশে গল্প বলে নয়, বরং সেখানেও ফেলুদার খুব চেনা একজন আলাপীর সাথে দেখা হয়ে যাওয়ার কারণে।

Feluda’s Adventures –  Jato Kando Kathmandute (The Criminals of Kathmandu) – Satyajit Ray

If Bangla literature has a counterpart to Sherlock Holmes, then it is undoubtedly Feluda. Written by Satyajit Ray, who was an avid fan of Doyle’s writing, Feluda’s exploits has made him the most popular detective in the Bangla speaking world. In this adventure, Feluda’s investigation into a mysterious death takes him and his companions to Kathmandu, Nepal. The story is a little different from most of Feluda’s other adventures, as the investigation takes an unexpected turn after the appearance of ‘an old friend’.

Jato Kando Kathmandute